রবিবার, ২৪ জুলাই, ২০১৬

ঘরেই তৈরি করুন দোকানের মত পারফেক্ট কোন

ranna banna o beauty tips
ঘরেই তৈরি করুন দোকানের মত পারফেক্ট কোন
আইসক্রিম পার্লারগুলোতে কোন অথবা কাপে আইসক্রিম খেতে দেওয়া হয়। সাধারণত বিস্কুট কোনে আইসক্রিম খেতে দারুন লাগে। অনেকে বাসায় দোকানের মত আইসক্রিম তৈরি করতে পারলেও, কোনটি ঘরে তৈরি করা হয় না কখনও। এবার ঘরেও তৈরি করে নিতে পারবেন আইসক্রিমের কোন! ভাবছেন কীভাবে? জেনে নিন আইসক্রিমের কোন তৈরির সহজ রেসিপিটি। অল্প কিছু উপাদান দিয়ে তৈরি করে নিতে পারবেন পারফেক্ট দোকানের মত কোন।

উপকরণ:

২টি বড় ডিমের সাদা অংশ

১/৪ কাপ চিনি

৩ টেবিল চামচ দুধ

১/২ চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স

এক চিমটি লবণ

২/৩ কাপ ময়দা

২ টেবিল চামচ মাখন

হালকা মিষ্টি চকলেট

বাদাম কুচি

প্রণালী:

১। ডিমের সাদা অংশ, চিনি, দুধ, ভ্যানিলা এসেন্স এবং লবণ ভাল করে ফেটে নিন। এরপর এতে ময়দা এবং মাখন দিয়ে আবার ফাটুন।

২। এবার নন-স্টিক অথবা কাস্ট আয়রনের প্যান চুলায় অল্প আঁচে গরম করতে দিন।

৩। ১ এবং ১/২ টেবিল চামচ ময়দার মিশ্রণটি দিয়ে ছড়িয়ে দিন। দ্রুত এটি গোল আকৃতির আকারে করে ফেলুন।

৪। মাঝারি আঁচে ৪ থেকে ৫ মিনিট এটি রান্না করুন। একপাশ হয়ে গেলে  উল্টিয়ে দিন। অপরপাশ ১-২ মিনিট রাখুন। বেশিক্ষণ চুলায় রাখবেন না এতে বেশি শক্ত হয়ে যেতে পারে।

৫। এবার (ভিডিও অনুযায়ী) হাত দিয়ে কোন আকৃতির করে নিন। আপনি চাইলে আপনার পছন্দমত আকৃতি করতে পারেন। খুব বেশি শক্ত করে কোনটি রোল করবেন না, এতে ভেঙ্গে যেতে পারে।

৬। চকলেটের সিরাপে কোনের মুখটি ভিজিয়ে নিয়ে তারপর বাদামকুচি অথবা সুইট বলের ছড়িয়ে দিন। কোনের পিছনের অংশটুকু চকলেট সিরাপে ডুবিয়ে নিন।

৭। পছন্দের আইসক্রিম দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার কোন আইসক্রিম।

টিপস:

কোনের মিশ্রণটি আপনি চাইলে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন দুই দিন পর্যন্ত।

শুক্রবার, ২২ জুলাই, ২০১৬

চুলের যত্নে মুলতানি মাটির ব্যবহার

ranna banna o beauty tips
চুলের যত্নে মুলতানি মাটির ব্যবহার
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি, দাগ দূর করাসহ ত্বকের যত্নে মুলতানি মাটির ব্যবহার হয়ে আসছে। বহুগুণী এই মাটি ত্বকের যত্ন ছাড়াও চুলের যত্নে ব্যবহার করা যায়। চুলকে খুশকি মুক্ত রেখে চুল মজবুত স্বাস্থ্যজ্বল করতে মুলতানি মাটির জুড়ি নেই। এছাড়া স্কাল্পের অতিরিক্ত তেল শুষে নিয়ে রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে। মুলতানি মাটির কিছু কার্যকরী হেয়ার প্যাক জেনে নেওয়া যাক।

১। চুল পড়া রোধে

চার থেকে পাঁচ চা চামচ মুলতানি মাটি, দুই চা চামচ টকদই, এক চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করুন। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি শুষ্ক চুলের জন্য উপযোগী। তৈলাক্ত অথবা নরমাল চুলের জন্য অ্যালোভেরা জেল, লেবুর রস এবং মুলতানি মাটির গুঁড়ো মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহারে ৪-৬ সপ্তাহের মধ্যে পার্থক্য দেখতে পারবেন।

২। চুলের গোড়া মজবুত করতে  

এক কাপ মুলতানি মাটি, পাঁচ চামচ চালের গুঁড়া,  একটি  ডিমের সাদা অংশ, অল্প কিছু পানি দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে নিন। এরপর প্যকটি চুলের গোড়াসহ সম্পূর্ণ চুলে ভাল করে লাগান। প্যাকটি শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এটি আপনার চুলের গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করবে।

৩। চুলের আগা ফাটা রোধে

চুলের আগা ফাটা রোধের জন্য প্রথমে অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করে সারারাত থাকুন। সকালে গরম পানিরে ভেজানো টাওয়েল দিয়ে মাথা পেঁচিয়ে নিন। এক ঘন্টার পর মুলতানি মাটি এবং টকদইয়ের প্যাক চুলে ভাল করে লাগান। কিছুক্ষণ রাখার পর চুল পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পরের দিন শ্যাম্পু করুন। এটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন। এক মাসের মধ্যে দেখবেন চুলের আগা ফাটা দূর হয়ে গেছে।

৪। খুশকি দূর করতে

চার টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, দুই টেবিল চামচ কমলার খোসার গুঁড়ো, এবং পানি মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটি যেন ঘন হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।

৫। চুল স্ট্রেইট করতে

এক কাপ মুলতানি মাটি, পাঁচ চা চামচ চালের গুঁড়ো এবং একটি ডিমের সাদা অংশ একসাথে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এরসাথে অল্প কিছু পানি মিশিয়ে নিবেন। চুলে লাগিয়ে নিন প্যাকটি। তারপর চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ান দুই থেকে তিনবার। ৪০ মিনিট অপেক্ষা করুন প্যাক শুকানোর জন্য। তারপর চুল পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আধা কাপ দুধ স্প্রে বোতলে ভরে চুলে স্প্রে করে নিন। তারপর আবার ৪-৫ বার চুল আঁচড়ান। ১৫-২০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এই প্যাক ব্যবহার করার আগের রাতে চুলে তেল মাসাজ করতে ভুলবেন না।

স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স সবজির শিঙাড়া

ranna banna o beauty tips
স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স সবজির শিঙাড়া
স্বাস্থ্যকর অথচ মুখরোচক খাবারের তালিকা নিতান্তই ছোট। অনেকে তো ভাবেন স্বাস্থ্যকর খাবার মানেই বিস্বাদ এবং সুস্বাদু মানেই তা অস্বাস্থ্যকর। আসলে কী তাই? আসলে কিন্তু সুস্বাস্থ্য বজায় রেখেও সুস্বাদ পাওয়া যায়। দেখে নিন তেমনি একটি রেসিপি। এই রেসিপিতে ব্যবহৃত উপাদানগুলো থেকে শুরু করে প্রস্তুত প্রণালী পুরোটাই সাধারণ শিঙাড়া-সমুচার চাইতে স্বাস্থ্যকর।

উপকরণ
- ১ কাপ আটা
- ২টা মাঝারি মাপের কাঁচাকলা, সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে কুচিয়ে নেওয়া
- আধা কাপ মটরশুঁটি, সেদ্ধ করা
- দেড় চা চামচ জিরা
- ২ চা চামচ তেল
- লবণ স্বাদমতো
- ১/২টা কাঁচামরিচ কুচি
- ১ ইঞ্চি পরিমাণ আদা মিহি কুচি
- আধা চা চামচ গরম মশলা গুঁড়ো
- আধা চা চামচ আমচুর
- পৌনে এক চা চামচ মরিচের গুঁড়ো
- এক চতুর্থাংশ লেবুর রস

উপকরণ
১) একটি পাত্রে আটা নিন। এতে আধা চা চামচ জিরা, ১ চা চামচ তেল এবং লবণ দিয়ে মেশান। প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে খামির তৈরি করে নিন।
২) বাকি তেল একটি সসপ্যানে দিয়ে গরম করে নিন। বাকি জিরা দিন। জিরাতে রং ধরলে এতে কাঁচামরিচ, আদা, কাঁচাকলা, গরম মশলা, আমচুর, মরিচ গুঁড়ো, লবণ এবং অল্প করে পানি দিন। মিশিয়ে রান্না করে নিন কিছুক্ষণ। এরপর মটরশুঁটি দিন। এরপর একটু পিষে নিন চামচের উল্টো দিক দিয়ে। চুলা বন্ধ করে দিন।
৩) লেবুর রস মিশিয়ে দিন এই মিশ্রণে। সরিয়ে রাখুন চুলা থেকে।
৪) ১৮০ ডিগ্রিতে প্রিহিট হতে দিন ওভেন।
৫) খামির থেকে রুটি গড়ে নিন। ভিডিওর মতো ভাঁজ করে শিঙাড়ার আকৃতি দিন। কোনের মাঝে কাঁচাকলার মিশ্রণ দিন। পানি দিয়ে একটু ভিজিয়ে বন্ধ করে দিন কোন। এভাবে তৈরি করে নিন কয়েকটি শিঙাড়া।
৬) বেকিং ট্রে-তে কুকিং স্প্রে দিয়ে এতে শিঙাড়াগুলো রাখুন। প্রিহিট করা ওভেনে দিয়ে বেক করে নিন ১৫-১৮ মিনিট।

বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই, ২০১৬

ঘরে বসেই করুন পার্লারের মত ব্লিচ

ranna banna o beauty tips
ঘরে বসেই করুন পার্লারের মত ব্লিচ
দ্রুত ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে ব্লিচের জুড়ি নেই। বিশেষ কোন অনুষ্ঠানের আগে অনেকেই ব্লিচ করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে থাকেন। সাধারণত পার্লারে ব্লিচিং ক্রিম ব্যবহার করে ব্লিচ করা হয়। তবে ব্লিচিং ক্রিম অথবা ফেসিয়ালের রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, বিধায় এটি ত্বকের ক্ষতি করে। আপনি চাইলে ঘরে করে ফেলতে পারেন ব্লিচিং। সহজে ঘরে থাকা উপাদান দিয়ে ব্লিচিং করা সম্ভব। আসুন তাহলে উপায়গুলো জেনে নেওয়া যাক।

১। টকদই

হাতে কিছু পরিমাণ টকদই নিয়ে মুখে ম্যাসাজ করুন। কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রতিদিন একবার করুন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পার্থ্যক দেখতে পাবেন। এছাড়া এক টেবিল চামচ টকদইয়ের সাথে আধা টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে মুখ এবং ঘাড়ে লাগিয়ে রাখুন। এবার ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

২। ওটমিল ব্লিচিং

দুই টেবিল চামচ ওটমিল, এক টেবিল চামচ টকদই, দুই টেবিল চামচ লেবুর রস এবং এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল একসাথে মিশিয়ে নিন। এবার এটি ত্বকে ভাল করে লাগিয়ে রাখুন। ১৫-২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্যাকটি মুখে সম্পূর্ণভাবে শুকাতে দেবেন না। কিছুটা নরম থাকতেই পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।

৩। বেসন

বেসন ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে বেশ কার্যকর। বেসন এবং গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এটি ত্বকে ব্যবহার করুন। শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

৪। আলুর প্যাক       

আলুর খোসা ছড়িয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এরসাথে গোলাপজল, মধু এবং কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এটি ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। আলু ত্বকের কালো দাগ দূর করে। এর সাথে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।

৫। লেবু, মধু এবং দুধ

এক টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ, এক চা চামচ লেবুর রস,  এক চা চামচ মধু এবং আধা চা চামচ বাদাম তেল ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার এটি ত্বকে ভাল করে লাগিয়ে নিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে দুই থেকে তিন বার ব্যবহার করুন। এটি শুষ্ক ত্বকের জন্য বেশ কার্যকরী।

ব্লিচিং ক্রিম ব্যবহারে টিপস:

১। ব্লিচ হল অ্যামোনিয়া, এমনকি বাজারে যে ক্রিম কিনতে পাওয়া যায় তাতেও এটি ব্যবহার করা হয়। তাই প্রতিদিন ব্যবহার ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তিন সপ্তাহে একবার ব্যবহার করা যেতে পারে।

২। ব্লিচিং ক্রিম ব্যবহারের আগে ত্বক ভাল করে পরিষ্কার করে নিন। তবে ক্লিঞ্জিং মিল্ক ব্যবহার করবেন না।

৩। গাড় ত্বকের অধিকারীরা বেশিক্ষণ ত্বকে ব্লিচিং ক্রিম রাখবেন না। সর্বোচ্চ ১০ মিনিট ত্বকে রাখবেন।

ডিম ছাড়া ঘরেই তৈরি করুন পারফেক্ট চকলেট ব্রাউনি

Ranna banna o beauty tips
ডিম ছাড়া ঘরেই তৈরি করুন পারফেক্ট চকলেট ব্রাউনি
মিষ্টি খাবার খেতে যারা পছন্দ করেন তাদের কাছে ব্রাউনি বেশ পছন্দের একটি খাবার। ব্রাউনিপ্রেমীদের কাছে চকলেট ব্রাউনি বেশ জনপ্রিয়। প্রতিদিন তো আর বেকারীতে গিয়ে চকলেট ব্রাউনি খাওয়া সম্ভব হয় না। ঘরেই যদি তৈরি করা যায় পেস্ট্রিশপের স্বাদের চকলেট ব্রাউনি তাহলে কেমন হয়? দারুন তাই তো? আজ তাহলে শিখে নিন পেস্ট্রিশপের মত পারফেক্ট চকলেট ব্রাউনি তৈরির রেসিপিটি।

উপকরণ:

৮০ গ্রাম মাখন

১৮০ গ্রাম কনডেন্সড মিল্ক

৩০ গ্রাম টকদই

কয়েক ফোঁটা ভ্যানিলা এসেন্স

১৬০ গ্রাম ডার্ক চকলেট

১২৫ গ্রাম ময়দা

১/৪ চা চামচ বেকিং সোডা

১/২ চা চামচ বেকিং পাউডার

৫০ গ্রাম চকলেট চিপস

প্রণালী:

১। প্রথমে ওভেন ১৮০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে প্রি হিট করে রাখুন।

২। একটি পাত্রে গলানো মাখন এবং কনডেন্সড মিল্ক ভাল করে মিশিয়ে নিন।

৩। এরসাথে টকদই এবং ভ্যানিলা এসেন্স ভাল করে ফেটে নিন।

৪। এবার এতে গলানো ডার্ক চকলেট ভাল করে মেশান।

৫। একটি পাত্রে ময়দা, বেকিং সোডা এবং বেকিং পাউডার একসাথে মিশিয়ে রাখুন।

৬। একটি চালনিতে আস্তে আস্তে চেলে টকদইয়ের মিশ্রণের সাথে মেশান।

৭। এরপর এতে চকলেটের টুকরো দিয়ে আবার মেশান।

৮। ওভেন ট্রেতে মাখন বা তেল লাগিয়ে নিন। তারউপর কিছুটা ময়দা ছিটিয়ে দিন।

৯। ব্রাউনি মিশ্রণটি ওভেন ট্রেতে ঢেলে ২০ মিনিট বেক করুন। নামানোর আগে টুথপিক দিয়ে পরীক্ষা করুন।

১০। ঠান্ডা হয়ে গেলে পছন্দমত আকৃতিতে কেটে নিন। আইসক্রিম দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার চকলেট ব্রাউনি।

বুধবার, ২০ জুলাই, ২০১৬

বর্ষাকালে চুলের যত্ন

ranna banna o beauty tips
বর্ষাকালে চুলের যত্ন
বর্ষাকালে বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতা থাকে বলে ত্বক ও চুলের ক্ষতি হয় বেশি। অনেকেই মনে করেন যে গ্রীষ্মকালে চুলের ক্ষতি অধিক। কিন্তু না, বর্ষাকালে চুলের বাহিরের কিউটিক্যাল ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে চুল হয়ে পরে ভঙ্গুর, রুক্ষ ও শুষ্ক। বর্ষাকালে চুলের সুরক্ষায় বিশেষজ্ঞের মতামত জেনে নিই চলুন।

১। চুল শুষ্ক রাখুন 

বর্ষায় বৃষ্টিতে ভিজতে কার না ভালো লাগে! কিন্তু বৃষ্টিতে বার বার আপনার চুল ভেজানোটা মোটেও উপকারী নয়। বৃষ্টির পানি এসিডিক হয় এবং অতিরিক্ত আর্দ্রতা আপনার চুলের দুর্দশাই কেবল বৃদ্ধি করবে। বর্ষায় বাহিরে যাওয়ার পূর্বে আপনার চুল শুকিয়ে নিন। ভেজা চুল আঁচড়াবেন না।

২। সপ্তাহে ২ বার শ্যাম্পু করুন

চুল ও মাথার তালুর স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য সপ্তাহে ২ বার শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। বৃষ্টিতে ভেজার পরে গোসল করে নিন। বৃষ্টির পানি দীর্ঘক্ষণ আপনার মাথায় থাকলে তা চুলকানির সৃষ্টি করতে পারে। এমনকি আপনার চুলে ব্যাকটেরিয়াল বা ফাঙ্গাল ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায় এবং খুশকিও হতে পারে। অনেক ধরণের হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার না করাই উচিৎ এবং হেয়ার স্প্রে এড়িয়ে চলুন।

৩। অয়েল ম্যাসাজ

আপনার ব্যস্ততার মাঝেও সময় করে চুলে তেল ম্যাসাজ করুন। আপনার পছন্দের যেকোন তেল আপনার চুলের গোঁড়ায় ভালোভাবে ম্যসাজ করে লাগান এবং একটি শাওয়ার ক্যাপ পরে নিন বা একটি গরম তোয়ালে পেঁচিয়ে নিন মাথায়। এতে  আপনার চুল প্রাকৃতিকভাবে আর্দ্র হবে এবং চুলের শুষ্কতা দূর হবে।

৪। হেয়ার স্টাইল করা এড়িয়ে চলুন

বর্ষাকালে হেয়ার স্টাইল চুলের শুধু ক্ষতিই করে। বর্ষায় খুব শক্ত করে চুল বাঁধতে অনুৎসাহিত করা হয় কারণ এতে বৃষ্টির পানি মাথায় পড়লে তা আবদ্ধ হয়ে থাকে এবং চলের আর্দ্রতাও বৃদ্ধি পায়। এতে চুলে গন্ধ হয় এবং চুল নিস্তেজ হয়ে পড়ে। হালকা করে চুল বাঁধুন। বর্ষায় চুল ছেটে ছোট করে রাখতে পারেন, এতে চুল পরিষ্কার করা ও যত্ন নেয়া সহজ হবে।

৫। অয়াটারপ্রুফ জ্যাকেট কিনুন হুডিসহ  

বর্ষায় যেকোন সময় বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টি হবেনা এমন মনে হলেও বাহিরে যাওয়ার সময় সাথে হুডিসহ অয়াটারপ্রুফ জ্যাকেট রাখুন। অনেকেই এটা পছন্দ করেন না। সেক্ষেত্রে সাথে একটি ছাতা রাখুন। আজকাল অনেক ধরণের রঙ্গিন ও ছোট ছাতা পাওয়া যায় যা ব্যাগে রাখা সম্ভব।

৬। হেয়ার মাস্ক

ঘরে তৈরি প্রাকৃতিক কোন হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করুন সপ্তাহে অন্তত একদিন। এতে আপনার চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।  

৭। প্রোটিন খান

ডারমাটোলজিস্ট ও কসমেটোলজিস্ট ডা. অপর্ণা সান্তারাম বলেন, “বর্ষায় চুলকে রুক্ষতার হাত থেকে রক্ষার জন্য প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান”।

এছাড়াও প্রতিদিন তাজা ফল, বাদান ও সবুজ শাকসবজি এবং ৬-৮ গ্লাস পানি পান করুন। চুলে  কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। কন্ডিশনার লাগানোর পর বড় দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ান যতে সব জায়গায় কন্ডিশনার পৌঁছে। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিলে চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।


মজাদার ও স্বাস্থ্যকর "আপেলের চিপস"

ranna banna o beauty tips
মজাদার ও স্বাস্থ্যকর "আপেলের চিপস"
একটু বৃষ্টি বৃষ্টি দিনে চিপস খাওয়ার মজাই আলাদা। কিন্তু কী চিপস খাবেন? দোকান থেকে কেনা চিপসে কী কী উপাদান থাকে তা নিশ্চিত হবার কোনো উপায় নেই। বাড়িতেও পটেটো চিপস তৈরি করলে তাতে থাকে অনেকটা কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্যাট। স্বাস্থ্যকর চিপস খেতে চাইলে তৈরি করে নিন দারুণ সুস্বাদু আপেলের চিপস।

উপকরণ
- ২টা বড় লাল আপেল
- আধা কাপ কাস্টর সুগার
- ১ টেবিল চামচ লেবুর রস
- অল্প করে দারুচিনি গুঁড়ো

প্রণালী
১) প্রথমে সুগার সিরাপ তৈরি করুন। একটি নন-স্টিক প্যানে গরম করে নিন কাস্টর সুগার। আধা কাপ পানি দিন। মিশিয়ে গরম করুন যতক্ষণ না চিনি গলে যায়। আঁচ কমিয়ে ৪-৫ মিনিট রাখুন যাতে ঘন হয়ে আসে। আঁচ থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন।
২) আপেলগুলোকে চিকন করে স্লাইস করে নিন।
৩) আপেলের স্লাইসের ওপর অল্প করে লেবুর জুস মাখিয়ে নিন। এরপর চিনির সিরাপে ফেলে দিন। ভালো করে আপেলের স্লাইসে মাখিয়ে নিন সিরাপ। এভাবে সিরাপে ভিজতে দিন ১০-১৫ মিনিট।
৪) ওভেন প্রিহিট করে নিন ১৮০ ডিগ্রিতে। একটা বেকিং ট্রে তে সিলিকন ম্যাট মেলে নিন। এর ওপর আপেলের স্লাইসগুলোকে রাখুন। ওপরে দারুচিনির গুঁড়ো ছড়িয়ে নিন।
৫) আপেলের স্লাইসগুলোকে বেক করে নিন ৩০-৪০ মিনিট।

মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই, ২০১৬

নেইল পলিশ রিমুভারে সতর্কতা

ranna banna o beauty tips
নেইল পলিশ রিমুভারে সতর্কতা
রং-বেরঙের নেইল পলিশ দিয়ে বেশ তো নখ রাঙাচ্ছেন! কখনো পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে, কখনও-বা ইচ্ছেমতো তুলির আঁচড়ে সেজে উঠছে নখ। রোজ তো আর এক পোশাকে বাইরে যাওয়া যায় না। তাই পোশাকের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় নখের সাজও। ইন্টারনেট বলছে চীন দেশ থেকেই উদ্ভাবন হয়েছিল এই নখ রাঙানোর চল। এই যে একটার পর একটা রং দিয়ে নখের ক্যানভাসে নকশা করা, সেটার জন্য তো আগে নখটা পরিষ্কার থাকা চাই। নখে নেইল পলিশ দেওয়ার আগে তাই নখটা একেবারে সাদা করে নিতে হয়। একটা রং তুলে তারপর নতুন রং দেওয়ার জন্য ব্যবহার হয় নেইল পলিশ রিমুভার। নিয়মিত রিমুভার ব্যবহারে নখের কোনো ক্ষতি হচ্ছে না তো?

চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, বেশিমাত্রায় রিমুভার ব্যবহারের কারণে আমাদের নখের এনামেলের পাশাপাশি চামড়ায়ও ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। নেইল পেইন্ট রিমুভারগুলোতে সাধারণত অ্যাসিটোন নামের একধরনের রাসায়নিক উপাদান থাকে। এ ছাড়া রিমুভার তৈরিতে অনেক সময় ইথাইল অ্যাসিটেট ব্যবহার করা হয়। তবে অ্যাসিটোনোর চাইতে ইথাইল অ্যাসিটেট কম সংবেদনশীল হওয়ায় ইথাইল অ্যাসিটেট দিয়ে তৈরি রিমুভার ব্যবহার করা ভালো। তাই রিমুভার কেনার সময় উপাদানের দিকেও খেয়াল করা উচিত।

বেশি বেশি রিমুভার ব্যবহার করলে আমাদের নখ ও চামড়ায় কী কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে, সে সম্পর্কে বললেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল ওয়াহাব। তিনি জানালেন, মাত্রাতিরিক্ত নেইল পলিশ ও নেইল পলিশ রিমুভার ব্যবহারের কারণে নখের স্বাভাবিক রং পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে নখের এনামেল, যার প্রভাবে পাতলা হয়ে যেতে পারে হাত-পায়ের নখ। পাশাপাশি নখের পাশের ত্বকে প্রদাহজনিত রোগ ‘প্যারোনিকিয়া’ হতে পারে। ত্বক হয়ে পড়ে শুষ্ক ও শক্ত। অনেক সময় হাত-পায়ের চামড়া উঠতে পারে।

বারবার রিমুভার ও নেইল পলিশ দেওয়ায় হারায় স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা। কেননা, রিমুভারে ময়েশ্চারাইজিং উপাদান হিসেবে যা থাকে, সেটা নখের স্বাভাবিক মসৃণতা বা উজ্জ্বলতা, কোনোটাই ধরে রাখার জন্য যথেষ্ট নয়।
রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন বললেন, ‘নখের শুভ্রতা ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে হলে প্রতিবার রিমুভার ব্যবহারের পরে অবশ্যই কুসুম গরম পানিতে শ্যাম্পু মিশিয়ে ভালোভাবে হাত-পা ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থগুলো চামড়া থেকে দূর হয়ে যাবে। ভালো করে হাত-পা পরিষ্কার করার পর পেট্রোলিয়াম জেলি, ঘৃতকুমারী (অ্যালোভেরা) বা জলপাইয়ের তেল লাগাতে পারেন। ত্বকের সঙ্গে মানিয়ে যায় এমন কোনো ভালো ময়েশ্চারাইজিং লোশন লাগাতে হবে। ১০ থেকে ১৫ মিনিটের ময়েশ্চারাইজিং ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।’
নেইল পলিশ রিমুভারের ব্যবহার নিয়ে আফরোজা পারভীনের পরামর্শ হলো:
* মাসে দুবারের বেশি রিমুভার ব্যবহার করা উচিত নয়। যদি বেশি প্রয়োজন পড়ে সেটা যেন ছয়বারের বেশি না হয়।
* একই ব্র্যান্ডের নেইল পলিশ ও রিমুভার ব্যবহার করতে পারলে খুবই ভালো হয়।
* যত ভালো ব্র্যান্ডই ব্যবহার করা হোক না কেন, তা প্রতি তিন মাস অন্তর পরিবর্তন করতে হবে। এতে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে আসে।
* রিমুভার লাগিয়ে কটন-বাড বা কটন-বলের সাহায্যে খুবই আলতো করে ঘষে নেইল পলিশ তুলতে হবে।
* সতর্কতার সঙ্গে যে বিষয়টি লক্ষ রাখতে হবে, তা হলো রিমুভার ব্যবহারের সময় যেন তা নখের পাশের চামড়ায় না লাগে।

বৃষ্টিতে খিচুড়ি

সসেজ ভুনা খিচুড়ি

ranna banna o beauty tips
সসেজ ভুনা খিচুড়ি
উপকরণ: পোলাওয়ের চাল আধা কেজি, মসুর ডাল আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি দেড় টেবিল চামচ, সসেজ ১ কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, এলাচ-দারুচিনি কয়েকটা, কারিপাতা ৮-১০টা, হলুদের গুঁড়া আধা চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি কয়েকটা, ঘি ৩ টেবিল চামচ।

প্রণালি: সসেজ টুকরো করে ঘিতে ভেজে তুলে রাখুন। এবার পেঁয়াজ কুচি, কারিপাতা, গরম মসলা সামান্য ভেজে আদাবাটা, রসুনবাটা, হলুদের গুঁড়া, চাল ও ডাল দিয়ে ৫ মিনিটের মতো কষান, পরিমাণমতো গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন। পানি কিছুটা কমে এলে সসেজ ঢেলে নেড়ে দিন। কাঁচা মরিচ দিয়ে মৃদু আঁচে ঢেকে দিন। হয়ে গেলে গরম-গরম পরিবেশন করুন।

পাঁচমিশালি ডালে নরম খিচুড়ি
পাঁচমিশালি ডালে নরম খিচুড়ি
উপকরণ: সেদ্ধ চাল দেড় কাপ, পাঁচমিশালি ডাল ১ কাপ, আদাবাটা ১ টেবিল চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, হলুদের গুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, জিরার গুঁড়া আধা চা-চামচ, ধনের গুঁড়া আধা চা-চামচ, তেজপাতা ২টা, এলাচ ৩-৪টা, দারুচিনি ২-৩ টুকরা, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, বাগারের জন্য ঘি দেড় টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ।
প্রণালি: চাল ও ডাল ধুয়ে আদাবাটা, রসুনবাটা, হলুদ ও মরিচের গুঁড়া, এলাচ, দারুচিনি, তেজপাতা, পেঁয়াজ, লবণ ও পরিমাণমতো পানি দিয়ে চুলায় দিন। চাল ও ডাল সেদ্ধ হয়ে ঘন হয়ে এলে ঘিতে পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে ঢেলে দিন। কয়েকটা কাঁচা মরিচ ফালি দিয়ে নামিয়ে নিন। গরুর মাংসের সঙ্গে পরিবেশন করুন। 
মুগডালের সাদা খিচুড়ি
মুগডালের সাদা খিচুড়ি
উপকরণ: পোলাওয়ের চাল ৫০০ গ্রাম, মুগডাল ২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি দেড় টেবিল চামচ, ঘি ২ টেবিল চামচ, এলাচ, দারুচিনি কয়েকটা, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, কারিপাতা ৮-১০টা, লবণ স্বাদমতো, কাঁচা মরিচ ৫-৬টা, লবঙ্গ ২-৩টা।
প্রণালি: মুগডাল অল্প আঁচে টেলে নিন। চাল ও ডাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। ঘিতে পেঁয়াজ, লবঙ্গ, এলাচ, দারুচিনি ও কারিপাতা ভাজুন। এবার আদাবাটা, রসুনবাটা, চাল ও ডাল দিয়ে কয়েক মিনিট কষান। সাড়ে তিন কাপ-আন্দাজ গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন। মাঝারি আঁচে রাখুন। পানি কমে এলে নেড়ে কাঁচা মরিচ দিয়ে মৃদু আঁচে ঢেকে দিন। হয়ে গেলে ভাজা ডিমের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
সবজির বিন্নি খিচুড়ি
সবজির বিন্নি খিচুড়ি
উপকরণ: বিন্নি চাল ২ কাপ, মসুর ডাল ১ কাপ, বিভিন্ন রকম সবজি আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, আদাবাটা ১ চ-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, হলুদের গুঁড়া আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, এলাচ, দারুচিনি, তেজপাতা কয়েকটা, ঘি ৩ টেবিল চামচ, পানি সাড়ে তিন কাপ
প্রণালি: বিন্নি চাল ২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। ফুলে ওঠার পর ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। ডাল পরিষ্কার করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। বিভিন্ন রকম সবজি ছোট ছোট টুকরো করে নিন। পাত্রে ঘি গরম করে পেঁয়াজ ও গরম মসলা ভেজে সবজি আদা ও রসুনবাটা দিয়ে সামান্য ভেজে নিন। এবার চাল ও ডাল ঢেলে কয়েক মিনিট ভাজুন। পানি দিয়ে ঢেকে দিন। প্রথমে মাঝারি ও পরে মৃদু আঁচে রান্না করুন।
কলিজার ঝাল খিচুড়ি
কলিজার ঝাল খিচুড়ি
উপকরণ: পোলাওয়ের চাল ২ কাপ, ডাল সিকি কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, হলুদের গুঁড়া আধা চা-চামচ, কলিজা ১ কাপ, মরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, ধনের গুঁড়া ১ চা-চামচ, জিরার গুঁড়া ১ চা-চামচ, এলাচ, দারুচিনি, তেজপাতা, লবঙ্গ কয়েকটা, কাবাব চিনি ৪টা, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা-চামচ, জায়ফল-জয়ত্রী গুঁড়া আধা চা-চামচ, ঘি বা তেল ৩ টেবিল চামচ ও লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালি: চাল ও ডাল পরিষ্কার করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। কলিজা ছোট ছোট টুকরো করে সেদ্ধ করে নিন। ঘিতে পেঁয়াজ, এলাচ, দারুচিনি, তেজপাতা, লবঙ্গ, আদা, রসুনবাটা ও সেদ্ধ কলিজা দিয়ে নাড়ুন। চাল ও ডাল দিয়ে কষান, পরিমাণমতো পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে ঢেকে দিন। পানি কিছুটা কমে এলে সব গুঁড়া মসলা দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন। মৃদু আঁচে রাখুন। খিচুড়ি হয়ে গেলে সালাদের সঙ্গে গরম-গরম পরিবেশন করুন।

মঙ্গলবার, ২৮ জুন, ২০১৬

চুল সিল্কি, খুশকিমুক্ত করবে বেসনের ৪ প্যাক

ranna banna o beauty tips
চুল সিল্কি, খুশকিমুক্ত করবে বেসনের ৪ প্যাক
রূপচর্চায় বেসনের ব্যবহার সেই আদিকাল থেকে হয়ে আসছে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি, ব্রণ, রোদে পোড়া দাগসহ ত্বকের কালো দাগ দূর করতে বেসনের প্যাক অনেক বেশি কার্যকর। বেসন শুধু ত্বকের যত্নে ব্যবহার করা হয়, তা কিন্তু নয় চুল ঝলমলে, সিল্কি করতে বেসনের জুড়ি নেই। বেসনের প্যাক চুলকে করে তুলে ঝলমলে, সিল্কি এবং স্বাস্থ্যোজ্বল। কীভাবে? জেনে নিন বেসনের কিছু কার্যকরী হেয়ার প্যাক।

১। চুলের গোড়া মজবুত করতে

৩ টেবিল চামচ বেসন

১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল

১ টেবিল চামচ লেবুর রস

টকদই পরিমাণমত

টকদই, বেসন, লেবুর রস এবং অলিভ অয়েল ভাল করে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এটি চুলে ভাল করে লাগিয়ে নিন। আধা ঘন্টা অপেক্ষা করুন। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। বেসন চুলের গোড়া মজবুত করে চুল সিল্কি করে তোলে।

২। চুলকে সিল্কি ও শাইনি করতে

১ টি ডিমের সাদা অংশ

২ টেবিল চাচামচ বেসন

১ চা চামচ টকদই

১/২ চাচামচ লেবুর রস

এই সবগুলো উপাদান দিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এরপর চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন।এই হেয়ার প্যাকটি নিয়মিত করাতে চুল হয়ে উঠবে সিল্কি, শাইনি স্বাস্থ্যজ্জল ও সুন্দর।

৩। চুলের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধিতে

৪ চা চামচ বেসন

২ চা চামচ আমন্ড অয়েল

৬ চা চামচ টক দই

২ চা চামচ অলিভ অয়েল

সবগুলো উপাদান একসাথে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটি চুলের গোড়ায় ভালো মতো লাগিয়ে ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১ থেকে ২ বার প্যাকটি ব্যবহার করুন। আর চুল যদি বেশি শুষ্ক এবং ড্যামেজ হয়ে থাকে তাহলে এর সাথে ভিটামিন ই ক্যাপসুল যোগ করতে পারেন। এই প্যাকটি আপনার চুলের দৈর্ঘ্য বাড়াতে সাহায্য করবে। চুল বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলে এর সাথে ১ বা ২টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে নিতে পারেন।

৪। শুষ্ক এবং খুশকি আক্রান্ত চুলের জন্য

বেসন

টকদই

বেসন এবং টকদই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাকটি চুলে ভাল করে লাগিয়ে নিন। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি চুলের রুক্ষতা দূর করে চুলকে করবে খুশকি মুক্ত।  

খুব সহজে ঝটপট তৈরি করে ফেলুন জিলাপি

ranna banna o beauty tips
খুব সহজে ঝটপট তৈরি করে ফেলুন জিলাপি
ইফতারে পরিচিত একটি খাবার হল জিলাপি। প্রায় সব বাসাতে ইফতারে জিলাপি রাখা হয়। ঝামেলার কারণে জিলাপি তৈরি করতে জানলেও অনেকে তৈরি করতে চান না। এইবার খুব সহজে তৈরি করে নিতে পারবেন জিলাপি। ঝটপট কম সময়ে ইফতারে তৈরি করে নিন মজাদার জিলাপি।

উপকরণ:

সিরা তৈরির জন্য

৩ কাপ পানি
৩ কাপ চিনি
৮-১০টি জাফরান
২-৩ ফোঁটা খাওয়ার রং
জিলাপির ব্যাটার তৈরির জন্য

১ কাপ ময়দা
১/২ চা চামচ বেকিং পাউডার
২ টেবিল চামচ ঘন টকদই
পানি
তেল
প্রণালী:

১। প্রথমে চিনির সিরা তৈরি করার জন্য পানি, চিনি এবং জাফরান মিশিয়ে নিন।

২। উচ্চ তাপে সিরা জ্বাল দিন। যেন চিনি সম্পূর্ণভাবে গলে যায়। চিনির সিরাটি যেন পাতলা না হয়, কিছুটা ঘন থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।

৩। চিনির সিরা ঘন হয়ে আসলে এতে খাবারের রং মিশিয়ে নামিয়ে ফেলুন।

৪। এবার একটি পাত্রে ময়দা, বেকিং পাউডার এবং টকদই একসাথে মেশান।

৫। এরসাথে অল্প পরিমাণ পানি মিশিয়ে কিছুটা ঘন করুন (ভিডিও অনুযায়ী)। ব্যাটার খুব বেশি পাতলা অথবা ঘন যেন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।

৬। এবার মাঝারি আঁচে চুলায় তেল গরম করতে দিন। তেল যেন খুব বেশি গরম না হয়।

৭। কেচাপের বোতলে জিলাপির মিশ্রণটি ঢেলে নিন।

৮। তারপর গোল গোল (ভিডিও অনুযায়ী) করে জিলাপি তেলে দিন।

৯। বাদামী রং হয়ে আসলে তেল থেকে নামিয়ে সাথে সাথে গরম চিনির সিরায় দিয়ে দিন।

১০। এক মিনিট চিনির সিরায় রেখে নামিয়ে ফেলুন।

১১। ব্যস তৈরি হয়ে গেল মজাদার জিলাপি।

সোমবার, ২৭ জুন, ২০১৬

ত্বকের সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করুন বেসনের ৪টি ফেস প্যাক

ranna banna o beauty tips
ত্বকের সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করুন বেসনের ৪টি ফেস প্যাক
প্রায়  সব বাসাতেই ছোলার ডালের ময়দা বা বেসন থাকে। বছরের পর বছর যাবত আমাদের দাদী-নানীরা ও মায়েরা ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করে আসছেন ছোলার ময়দা বা বেসন। বেসন যেভাবে কাজ করে তা হল-

-   বেসন স্কিনের মরা চামড়া দূর করে স্কিনের পুনরুজ্জীবনে সাহায্য করে
-   নিয়মিত বেসনের ফেস প্যাক ব্যবহার করলে ত্বক নরম, মসৃণ ও দৃঢ় হয়ে থাকে।
-   ত্বক ফর্সা করার ও হেয়ার রিমুভাল এজেন্ট হিসেবে কাজ করে বেসন।
-   যেহেতু বেসন ক্ষারীয় প্রকৃতির তাই এটি ব্যবহারের পূর্বে দুধ, দই বা লেবুর রসের সাথে মিশিয়ে তারপর মুখে লাগাতে হবে।

আসুন আজ জেনে নিই বেসনের ফেস প্যাক তৈরি ও ব্যবহারের ৪ টি উপায় সম্পর্কে।

১। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য

যদি আপনার ত্বক তৈলাক্ত হয়ে থাকে তাহলে গোলাপ জলের সাথে বেসন মিশিয়ে আপনার মুখে লাগান এবং শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। চোখের চারপাশে লাগাবেন না। গোলাপ জল ও বেসনের ফেস প্যাক ত্বকের অতিরিক্ত তেল শোষণ করে নিবে। আরেকটি ভালো ফেস প্যাক হচ্ছে বেসন ও দই এর ফেস প্যাক। এটি ত্বকের টক্সিন বাহির করে দিয়ে ত্বককে মসৃণ করে থাকে।  

২। শুষ্ক ত্বকের জন্য

শুষ্ক ত্বককে হাইড্রেটেড রাখার জন্য ময়েশ্চারাইজার প্রয়োজন হয়। ত্বককে আর্দ্র রাখার জন্য বেসনের প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য যা যা লাগবে তা হল- বেসন, মধু, এক চিমটি হলুদ গুঁড়া  ও দুধ। এই উপাদানগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে মিশ্রণটি মুখে লাগান এবং ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতি সপ্তাহে ১ বার ব্যবহার করলে ত্বকের ড্রাইনেস কমাবে।   

৩। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে

ত্বকের তামাটে ভাব দূর করতে পারে বেসন। ৪/৫ টি কাঠ বাদামের গুঁড়া, ১ টেবিল চামচ দুধ, লেবুর রস ও বেসন। এই উপাদানগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে দীর্ঘক্ষণ মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে ভালো ফল পাওয়ার জন্য। এই প্যাকটি লাগানোর ৩০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।  

৪। ত্বকের দাগ দূর হতে সাহায্য করে

ত্বকের দাগ দূর করার প্রাকৃতিক উপায় হচ্ছে বেসন। বেসনের সাথে শশার রস মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে নিন এবং একটি পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন।   

নিস্তেজ ও ক্ষতিগ্রস্থ চুলের মেরামতেও দারুন কাজ করে বেসন। বেসনের সাথে দই মিশিয়ে মাথার তালু ও চুলে লাগান। নিয়মিত এই মিশ্রণটি আপনার চুলে ব্যবহার করলে চুল উজ্জ্বল ও শক্তিশালী হবে। এই প্যাকটি খুশকি মুক্ত হতেও সাহায্য করবে।

রেস্তরাঁ স্বাদের পাস্তা

ranna banna o beauty tips
রেস্তরাঁ স্বাদের পাস্তা
বর্তমান সময়ে পাস্তা বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার। তরুণ তরুণী থাকে শুরু ছোট শিশু পর্যন্ত ইটালিয়ান খাবারটির ভক্ত। রেস্তরাঁ গুলোতে নানা স্বাদের পাস্তা পাওয়া গেলেও হোয়াইট সস পাস্তা বেশি প্রচলিত। বাসায় অনেকেই এই পাস্তা তৈরি করে থাকেন। কিন্তু তাতে রেস্তরাঁর মত স্বাদ পাওয়া যায় না। রেস্তরাঁ স্বাদের হোয়াইট এবং রেড সস পাস্তাটি আপনি ঘরে তৈরি করতে পারবেন। কীভাবে? জেনে নিন রেসিপিটি।

উপকরণ:

১০০ গ্রাম পাস্তা

১ কাপ দুধ

১ কাপ  টমেটো কিউরি

১ টেবিল চামচ লাল শুকনো মরিচ গুঁড়া

১ টেবিল চামচ রসুনের পেষ্ট

১টি ছোট পেঁয়াজ কুচি

১টি ক্যাপসিকাম কুচি

১.৫ টেবিল চামচ টমেটো সস

১টি ধন্দুল কুচি

২ টেবিল চামচ চিজ বা পনির

১/২ টেবিল চামচ অরিগোনা

১ চা চামচ ধনে পাতা কুচি

লবণ স্বাদমত

১ টেবিল চামচ মাখন

১ চা চামচ ময়দা

প্রণালী:

১। প্রথমে একটি প্যানে মাখন দিয়ে দিন। মাখন গলে গেলে এতে ময়দা দিন।

২। ময়দা, মাখন ভাল করে মিশে গেলে এতে দুধ দিয়ে দিন। দুধ, মাখন, ময়দা ভাল করে নাড়তে থাকুন যতক্ষন না এটি ঘন না হয়।

৩। ঘন হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন।

৪। আরেকটি প্যানে মাখন দিন। এর সাথে পেঁয়াজ কুচি, রসুনের পেষ্ট দিয়ে নাড়ুন।

৫। এরপর এতে ক্যাপসিকাম কুচি, ধন্দুল কুচি ( যেকোন সবজি ব্যবহার করতে পারেন ) দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন। যদি মাংস দিতে চান, মাংসও দিয়ে দিতে পারেন।

৬। এবার টমেটোর পেস্ট দিয়ে ৭-৮ মিনিট রান্না করুন।

৭। এরপর একে একে টমেটো কেচাপ, ড্রাই অরিগেনো, শুকনো লাল মরিচের গুঁড়া দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন।

৮। এটি প্যানে লেগে গেলে এতে পানি দিয়ে নাড়ুন।

৯। এবার এতে হোয়াইট সস দিয়ে নাড়ুন।

১০। তারপর এতে চিজ এবং লবণ দিয়ে দিন।

১১। সিদ্ধ করা পাস্তা দিয়ে অল্প কিছুক্ষণ নাড়ুন।

১২। ব্যস তৈরি হয়ে গেল মজাদার হোয়াইট এবং রেড সস পাস্তা।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০১৬

ব্রণ হলে ভুলেও করবেন না এই ৫টি কাজ

ranna banna o beauty tips
ব্রণ হলে ভুলেও করবেন না এই ৫টি কাজ
ব্রণ সমস্যায় ভোগেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। ছেলে মেয়ে উভয়কে এই সমস্যার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। ব্রণের এই সমস্যা নিয়ে সবাই বেশ বিরক্ত। ব্রণ চলে গেলেও থেকে যায় এর জেদী দাগ। আর এই দাগ দূর করার জন্য ব্যবহার করা হয় কত শত ক্রিম। অথচ আপনি কি জানেন ব্রণ স্থায়ী এবং ব্রণের দাগের জন্য কিছুটা আপনি দায়ী। আপনার কিছু অভ্যাসের কারণে ত্বকে ব্রণের দাগ স্থায়ী হচ্ছে। ব্রণ হলে কিছু কাজ করা থেকে বিরত থাকা উচিত।

১। অতিরিক্ত মুখ ধোয়া

দিনে দুই বার মুখ ধোয়া ত্বকের জন্য ভাল। এটি ত্বকের ময়লা ধুলো বালি দূর করে ত্বক পরিষ্কার রাখে। কিন্তু ব্রণের সময় দিনে একবার মুখ পরিষ্কার করা উচিত। অতিরিক্ত মুখ ধোয়া ত্বক শুষ্ক করে দেয়। শুষ্ক ত্বকে তেল বেশি উৎপন্ন হয়। যা ব্রণ হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি করে।

২। অতিরক্ত এক্সফলিয়েট

সপ্তাহে কয়েকবার এক্সফলিয়েট করা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। এতে ব্রণের মুখ ভেঙ্গে যায়, ভেতরে থাকা ব্যাকটেরিয়া ত্বকে ছড়িয়ে আরও ব্রণ সৃষ্টি করে। ব্রণের সময় এক্সফলিয়েট করা থেকে বিরত থাকুন।

৩। ব্রণে নখ ব্যবহার  করা  

ব্রণ হলে প্রায় সব মেয়েদের যেই কাজটি করতে দেখা যায়, তা হল ব্রণ নখ দিয়ে খোঁচানো। আর এই কাজটি ত্বকে ব্রণের দাগ স্থায়ী করে দেয়। ব্রণ নখ দিয়ে খোঁচানো, চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।

৪। অতিরিক্ত পণ্যের ব্যবহার

ব্রণ দূর করার জন্য নানা রকম পণ্য ব্যবহার করা হয়। কখন পেস্ট আবার কখন দারুচিনির গুঁড়ো। একই ব্রণে নানা পণ্য ব্যবহারে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি ত্বকে ব্রণ স্থায়ী হয়।

৫। খুশকি থেকে দূরে থাকুন

খুশকি থেকে অনেক সময় ব্রণ দেখা দেয়। নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখুন। চুলে খুশকি দেখা দিলে তা দূর করার ব্যবস্থা করুন।

- See more at: http://www.priyo.com/2016/Jun/22/222903#sthash.v0dO9tAb.dpuf

নিজ হাতে মজার বুন্দিয়া

ranna banna o beauty tips
নিজ হাতে মজার বুন্দিয়া
ইফতার মানেই নানা রকম খাবারের আদিক্ষেতা। বুট ভুনা, পিঁয়াজু, বেগুনি, চপ, জিলাপির সঙ্গে বুন্দিয়াও নিজের স্থান করে নেয়। অনেকের কাছে আবার পছন্দের মিষ্টান্ন বুন্দিয়া। এই মিষ্টান্ন খুব সহজে অল্প সময়ে নিজ হাতেই বানিয়ে নিতে পারেন। স্বাদের দিক থেকেও কোনো রকম ছাড় দেয়ার দরকার হবে না, একদম কিনতে পাওয়া দোকানের বুন্দিয়ার মতোই হবে। তাহলে আসুন শিখে নেয়া যাক বুন্দিয়া বানানোর সহজ উপায়।  

যা যা লাগবে

  • বেসন অথবা ময়দা দেড় কাপ, বেকিং পাউডার আধা চা চামচ, পানি দেড়কাপ, লেমন ইয়েলো খাবার রঙ সামান্য।


  • সিরার জন্য


  • পানি দেড়কাপ, চিনি দেড় কাপ, পানি প্রয়োজনমতো।


যেভাবে করবেন

প্রথমে একটি পাত্রে সিরার উপরণ দিয়ে জালিয়ে রাখুন। এবার বেসনে বেকিং পাউডার আর পানি দিয়ে খুব ভালো করে বেসন ফেটে নিতে হবে। একটা বাটিতে এক কাপ পরিমান পানি নিয়ে গুলানো বেসন ফোঁটা আকারে ফেলুন। বেসন পানিতে ভাসলে বুঝবেন ডালে পানির পরিমান ও ডাল ফেটানো ঠিক হয়েছে। না ভাসলে আরও অল্প পানি দিয়ে ফেটতে হবে। বেসনের গোলায় রঙ মিশিয়ে দিতে হবে। এবার কড়াইয়ে ফুটতে থাকা গরম তেলে ঝাঝরিতে করে বুন্দিয়ার মিশ্রণ ঢালতে থাকুন।

বুন্দিয়া মচমচে এবং বাদামী রং হলে তেল থেকে তুলে সিরার মধ্যে দিতে হবে। কিছুক্ষণ এভাবে রেখে সিরা থেকে তুলে বুন্দিয়া ঠাণ্ডা হতে দিন। এবার পরিবেশন করুন মিষ্টান্ন বুন্দিয়া।

বুধবার, ২২ জুন, ২০১৬

কেমন চুল কতবার শ্যাম্পু করা উচিত আপনি জানেন কি?

ranna banna o beauty tips
কেমন চুল কতবার শ্যাম্পু করা উচিত আপনি জানেন কি?
চুল পরিচর্যায়  প্রথম ধাপটি হল শ্যাম্পু করা। শ্যাম্পু চুলের ময়লা, ধুলো, বালি পরিষ্কার করে। অনেকে মনে করেন শ্যাম্পু করা, তেল দেওয়া তো রোজকার কাজ। এই কাজগুলোর জন্য বাড়তি যত্নের কী আর প্রয়োজন আছে? এমন ধারণাটি ভুল। চুলের যত্নে একটি ছোট ভুল চুলের ক্ষতি করতে পারে বহুগুণ। চুল কতবার শ্যাম্পু করা উচিত-এমন প্রশ্ন প্রায় সব নারীদের মনে। কেমন চুল কত দিন পর পর শ্যাম্পু করবেন  তা নিয়ে আজকের এই ফিচার।

১। শুষ্ক চুল

আপনি যদি শুষ্ক বা ড্রাই চুলের অধিকারী হয়ে থাকেন, তবে প্রতিদিন চুল শ্যাম্পু করা থেকে বিরত থাকুন। শুষ্ক চুল সপ্তাহে দুইবার শ্যাম্পু করা উচিত। এবং শ্যাম্পু করার পর অব্যশই কন্ডিশনার ব্যবহার করতে ভুলবেন না।

২। সিল্কি চুল

গবেষণায় দেখা গেছে যে, তৈলাক্ত চুল বেশি তেল শোষণ করে অন্যান্য চুলের তুলনায়। এই কারণে এটি চুল শ্যাম্পু করার প্রয়োজন পড়ে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার চুল শ্যাম্পু করা উচিত। ঘরের বাইরে যদি প্রতিদিন বের হতে হয়, তবে প্রতিদিন শ্যাম্পু করা প্রয়োজন।

৩। মাঝারি, মোটা চুল

মাঝারি চুল সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার শ্যাম্পু করা প্রয়োজন। এটি তৈলাক্ত চুলের মত তেল শোষণ করে না। তবে চুলের ময়লা, তেল পরিষ্কার করার জন্য সপ্তাহে দুইবার শ্যাম্পু করা প্রয়োজন।

৪। ভারি চুল

ভারি চুল রোজ রোজ শ্যাম্পু করার প্রয়োজন পড়ে না। সপ্তাহে একদিন শ্যাম্পু করা প্রয়োজন ভারি চুলের জন্য। তবে হ্যাঁ ঘরের বাইরে যদি বেশি যাওয়া হয় তার জন্য বেশি শ্যাম্পু করা প্রয়োজন পড়ে।

শ্যাম্পু করার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় মাথায় রাখুন।

১। একই শ্যাম্পু খুব বেশিদিন ব্যবহার করা উচিত নয়।

২। চুলে শ্যাম্পু করার আগে চুল ভাল করে ভিজিয়ে নিন।

৩। চুলের ধরণ অনুযায়ী শ্যাম্পু পছন্দ করা উচিত।

৪। শ্যাম্পু করার সময় চুল অতিরিক্ত ঘষা থেকে বিরত থাকুন।

৫। চুল পরিষ্কারের ক্ষেত্রে কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন।

সুজির কচুরি

ranna banna o beauty tips
সুজির কচুরি
পেঁয়াজু, বেগুন, আলুর চপ খেতে খেতে বিরক্ত। একই ধরণের খাবার আর কতই খাওয়া যায়! বিরক্তিকর এই ইফতারিতে আনতে পারেন ভিন্ন স্বাদ। তাও খুব সহজে ঘরে থাকা সুজি দিয়ে! কী অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই। সুজি আর আলু দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন দারুণ স্বাদের সুজি কচুরি।

উপকরণ:
ডো তৈরির জন্য লাগবে-

১/২ কাপ সুজি

১ কাপ পানি

১ টেবিলচামচ জিরা

১ টেবিল চামচ তেল

আলুর পুরের জন্য লাগবে-

১টা আলু সিদ্ধ

২ টা মরিচ

লবণ স্বাদমত

চাট মশলা

প্রণালী:

১। প্রথমে একটি পাত্রে পানিতে সুজি, জিরা, লবণ(সামান্য পরিমাণে)তেল দিয়ে সিদ্ধ করতে দিন। সুজি ঘন হয়ে আসলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন।

২। অল্প কিছুক্ষণের জন্য সুজি ঠান্ডা হতে দিন। লক্ষ্য রাখবেন খুব বেশি ঠান্ডা যেন না হয়। বেশি ঠান্ডা হয়ে গেলে সুজি গোল হবে না।

৩। আরেকটি বাটিতে সিদ্ধ আলু, মরিচ, চ্যাট মশলা, লবণ ভাল করে মিশিয়ে পুর তৈরি করে নিন।

৪। এবার হাতে একটু তেল লাগিয়ে নিন। তারপর সুজির ডো হাতে নিয়ে কিছুটা চ্যাপ্টা করে তাতে আলুর পুরটা দিয়ে দিন।

৫। সুজির ডো দিয়ে আলুর পুরটা ভাল করে ঢেকে দিন। এমনভাবে ঢাকুন যাতে পুর দেখা না যায়।

৬। তেল গরম হয়ে আসলে এতে সুজির কচুরিগুলো দিয়ে দিন। খুব বেশি কচুরি একসাথে দিবেন না। এতে কচুরি ভেঙ্গে যেতে পারে।

৭। কচুরিগুলো বাদামি রং হয়ে আসলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন।

৮। ব্যস তৈরি হয়ে গেল মজাদার সুজির কচুরি। সস দিয়ে পরিবেশন করুন।

পেঁয়াজু, বেগুন, আলুর চপ খেতে খেতে বিরক্ত। একই ধরণের খাবার আর কতই খাওয়া যায়! বিরক্তিকর এই ইফতারিতে আনতে পারেন ভিন্ন স্বাদ। তাও খুব সহজে ঘরে থাকা সুজি দিয়ে! কী অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই। সুজি আর আলু দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন দারুণ স্বাদের সুজি কচুরি।

উপকরণ:
ডো তৈরির জন্য লাগবে-

১/২ কাপ সুজি

১ কাপ পানি

১ টেবিলচামচ জিরা

১ টেবিল চামচ তেল

আলুর পুরের জন্য লাগবে-

১টা আলু সিদ্ধ

২ টা মরিচ

লবণ স্বাদমত

চাট মশলা

প্রণালী:

১। প্রথমে একটি পাত্রে পানিতে সুজি, জিরা, লবণ(সামান্য পরিমাণে)তেল দিয়ে সিদ্ধ করতে দিন। সুজি ঘন হয়ে আসলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন।

২। অল্প কিছুক্ষণের জন্য সুজি ঠান্ডা হতে দিন। লক্ষ্য রাখবেন খুব বেশি ঠান্ডা যেন না হয়। বেশি ঠান্ডা হয়ে গেলে সুজি গোল হবে না।

৩। আরেকটি বাটিতে সিদ্ধ আলু, মরিচ, চ্যাট মশলা, লবণ ভাল করে মিশিয়ে পুর তৈরি করে নিন।

৪। এবার হাতে একটু তেল লাগিয়ে নিন। তারপর সুজির ডো হাতে নিয়ে কিছুটা চ্যাপ্টা করে তাতে আলুর পুরটা দিয়ে দিন।

৫। সুজির ডো দিয়ে আলুর পুরটা ভাল করে ঢেকে দিন। এমনভাবে ঢাকুন যাতে পুর দেখা না যায়।

৬। তেল গরম হয়ে আসলে এতে সুজির কচুরিগুলো দিয়ে দিন। খুব বেশি কচুরি একসাথে দিবেন না। এতে কচুরি ভেঙ্গে যেতে পারে।

৭। কচুরিগুলো বাদামি রং হয়ে আসলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন।

৮। ব্যস তৈরি হয়ে গেল মজাদার সুজির কচুরি। সস দিয়ে পরিবেশন করুন।

মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০১৬

শিশুদের কি চা পান করতে দেওয়া উচিৎ ?

ranna banna o beauty tips
শিশুদের কি চা পান করতে দেওয়া উচিৎ ?
অনেক পরিবারেই শিশুদের চা পান করতে দেয়া হয়। বিশ্বাস করা হয় যে চা হজমে সাহায্য করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়, মৌসুমি রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। চায়ের উপকারিতা সম্পর্কে কম বেশি আমরা সবাই জানি। কিন্তু বড়দের মত ছোটরাও একইভাবে উপকৃত হবে ভাবলে ভুল করবেন। এমনকি অনেক বেশি দুধ যোগ করে অথবা বিস্কুটের সাথে পান করতে দিলেও শিশুর শরীরের উপর চায়ের ক্ষতিকর দিকগুলোকে আড়াল করা যাবে না। চা শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যকর পানীয় নয় কেন তা বলেন ন্যাচারোপ্যাথিক নিউট্রোশনিস্ট ও “ডোন্ট জাস্ট ফিড....নারিশ ইয়োর চাইল্ড” বইটির লেখক ধাওয়ানি শাহ। আসুন তাহলে কারণগুলো জেনে নিই।

চা বড়দের পানীয়। চায়ের উপাদান শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়াশীলভাবে কাজ করে। চা পানে শিশুদের ক্যালসিয়ামের শোষণ ব্যাহত হয়। যার ফলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা যায়। নিয়মিত চা গ্রহণে শিশুর মস্তিষ্ক, পেশী, স্নায়ুতন্ত্র এবং বৃদ্ধি প্রভাবিত হয়। শিশুকাল থেকে চা পান করলে যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো দেখা যায় তা হল-

-   হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া

-   শরীর ব্যথা বিশেষ করে নিম্নবাহুতে ব্যথা হওয়া

-   মনোযোগের ঘাটতি যার ফলে বিরক্তি ও অন্যান্য আচরণগত সমস্যা দেখা দেয়

-   পেশীর শক্তি কমে যাওয়া

চায়ের সাথে বেশি দুধ মেশালে কি ভালো?

অনেক মা মনে করেন চায়ের সাথে বেশি দুধ মেশালে শিশুদের দুধ খাওয়ানো জন্য চাপাচাপি করতে হয়না এবং এর মাধ্যমে শিশুর ক্যালসিয়াম গ্রহণ চিশ্চিত করা যায়। কিন্তু তারা যেটি বুঝতে পারেন না সেটি হচ্ছে দুধের মধ্যে কয়েকফোঁটা চা মেশালে তা দুধের গুনাগুণ নষ্ট করে দেয়। দুধের প্রোটিন কেসিন চায়ের প্রোটিন ক্যাটেচিনের উপস্থিতিতে জটিল আকার ধারণ করে। এই জটিল উপাদান স্নায়ুতন্ত্রের উপর আফিমের মত কাজ করে। যার ফলে চায়ের প্রতি আসক্তি তৈরি হয়। যেকোন বয়সের জন্যই আসক্তি ভালো কিছু নয়।

চায়ের সাথে বিস্কুট যোগ করলে কি স্বাস্থ্যকর খাবার হয়?

চায়ের সাথে বিস্কুট খাওয়া বিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের জন্য খুবই মারাত্মক। বাড়ন্ত শিশুদের জন্য দিনের প্রথম খাবারটি পুষ্টিগুণ সম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন যা শিশুর দেহের বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। এজন্য রুটি বা পরোটা, ডিম, দুধ ও ফল খাওয়াতে হবে। বিস্কুট তৈরিতে অতিরিক্ত চিনি, স্বাদ ও সুগন্ধি সৃষ্টিকারী উপাদান, ইউরিয়া, অ্যাডিটিভস ও প্রিজারভেটিভ যুক্ত করা হয়। তাই সকালের নাশতায় চা-বিস্কুট খেলে তা শিশুর পেশী ও স্নায়ুর বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলে।  

চায়ের ক্যাফেইন উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। বিভিন্ন গাছের পাতা ও বীজ থেকে ক্যাফেইন তৈরি করা হয়। কৃত্রিমভাবেও ক্যাফেইন তৈরি করা যায় এবং বিভিন্ন খাবারে যোগ করা হয়। ক্যাফেইনকে ড্রাগ হিসেবেও সংজ্ঞায়িত করা হয় কারণ এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে উদ্দীপিত করে। অল্পমাত্রার ক্যাফেইন মানুষকে অনেক বেশি সতর্ক ও এনার্জেটিক করে তুলতে পারে। কিন্তু বেশি মাত্রার ক্যাফেইন শিশু ও বয়স্ক উভয়ের মাঝেই যে সমস্যাগুলো সৃষ্টি করতে পারে তা হল – নার্ভাসনেস, পেটের অসুখ, মাথাব্যথা, মনোযোগের সমস্যা, ঘুমের সমস্যা, হৃদস্পন্দন বেরে যাওয়া ও রক্তচাপ বৃদ্ধি পাওয়া ইত্যাদি। তাই শিশুদের এই সমস্যাগুলো থেকে মুক্ত রাখতে শিশু-কিশোরদের ক্যাফেইন গ্রহণের মাত্রা সীমিত করুন বা বাদ দিন।    

মজাদার খেজুরের মিল্কশেক

মজাদার খেজুরের মিল্কশেক
সারাদিন রোজা রাখার পর প্রাণ জুড়াতে এক গ্লাস ঠান্ডা শরবতের জুড়ি নেই। শরবতের পরিবর্তে অনেকেই বিভিন্ন ফলের জুস পান  করে থাকেন। প্রতিদিন একইরকম পানীয় পান করতে করতে একঘেয়ামি চলে আসে। তাই পানীয়তে চাই ভিন্ন কিছু, নতুন কিছু। আমের জুস, কলার জুস অথবা কমলার জুস অনেক তো হল, এইবার তৈরি করুন মজাদার খেজুরের মিল্কশেক। মজাদার এই মিল্কশেকটি অল্প কিছু উপাদান দিয়ে তৈরি করা সম্ভব। ইফতারিতে ঝটপট তৈরি করুন খেজুর মিল্কশেক।

উপকরণ:  

১৫ থেকে ২০টি খেজুর

৩ থেকে ৪ কাপ দুধ

৭-৮টি দারুচিনি গুঁড়ো

বরফের টুকরো

প্রণালী:

১। প্রথমে খেজুরের ভিতর থেকে বীচি আলাদা করে নিন। এলাচের খোসা ছাড়িয়ে গুঁড়ো করে নিন।

২। এইবার ব্লেন্ডারে খেজুর, এলাচ গুঁড়ো, দুধ এবং বরফের টুকরো দিয়ে ব্লেন্ড করুন।

৩। খেজুর, দুধ ভাল করে ব্লেন্ড না হওয়া পর্যন্ত ব্লেন্ড করতে থাকুন।

৪। পরিবেশন পাত্রে ঢেলে বাদাম কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন ভিন্ন স্বাদের মজাদার খেজুরের মিল্কশেক।

টিপস:

১। আপনি চাইলে খেজুরের সাথে একটি পাকা কলা, কাঠবাদাম কুচিও যোগ করতে পারেন। এটি মিল্কশেকের স্বাদ বৃদ্ধির সাথে সাথে এর পুষ্টিগুণ করে দেবে দ্বিগুণ।

সোমবার, ২০ জুন, ২০১৬

চায়ের দাগ তোলার ৬ টি সহজ উপায়

ranna banna o beauty tips
চায়ের দাগ তোলার ৬ টি সহজ উপায় 
কম বেশি সবাই চা পান করে থাকেন। পছন্দের পানীয়ের মধ্যে চা অন্যতম। চা পান করতে গিয়ে অনেক সময় অসাবধানতাবশত কাপড়ে চা পড়ে যায়। চায়ের দাগ সাথে সাথে পরিষ্কার করা না গেলে তা কাপড়ে স্থায়ীভাবে বসে। চায়ের এই জেদী দাগ সাধারণ ডিটারজেন্ট দিয়ে দূর করা সম্ভব হয় না। ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই দাগ দূর করা সম্ভব। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক জাদুকরী উপায়গুলো।

১। ভিনেগার

কয়েক কাপ পানিতে এক চা চামচ ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এটি স্প্রে বোতলে ভরে রাখুন। চায়ের দাগের উপর এটি স্প্রে করুন। এরপর কিছক্ষণ ঘষুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন দাগ দূর হয়ে গেছে।

২। গরম পানি 

সূতির কাপড় থেকে চায়ের দাগ উঠানোর খুব সহজ একটি উপায় হল গরম পানির ব্যবহার। চায়ের দাগের ওপর গরম পানি ঢালুন। দাগের জায়গাটুকু কয়েকবার ঘষুন। তারপর ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৩। বেকিং সোডা

চায়ের দাগের ওপর এক চা চামচ বেকিং সোডা দিয়ে দিন। এরপর সেটি ঘষুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৪। গ্লিসারিন

চায়ের দাগ কিছুটা পুরাতন হয়ে গেলে তা দূর করা বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে থাকে। চায়ের দাগে কিছুটা গ্লিসারিন  আঙ্গুল দিয়ে ঘষে লাগান। এভাবে এটি রেখে দিন ১০ ঘন্টা। গরম পানিতে ডিটারজেন্ট মিশিয়ে তাতে কাপড়টি ভিজিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চায়ের দাগ গায়েব হয়ে গেছে।

৫। ডিমের সাদা অংশ

ডিমের সাদা অংশ ফেটে নিন। এরপর সেটি দাগের ওপর লাগান। ১ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ঘষে ঘষে ভাল করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রথম ধোয়ায় দাগ দূর না হলে আরেকবার করুন।

৬। টুথপেষ্ট

দাঁত পরিষ্কার করার পাশাপাশি চায়ের দাগ দূর করতে বেশ কার্যকর টুথপেস্ট। চায়ের দাগের ওপর কিছু পরিমাণে টুথপেষ্ট দিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি কাপড়ের কোন ক্ষতি ছাড়াই দাগ দূর করে দিবে।

ইফতারে মিষ্টিমুখ হোক আম সেমাইয়ে

ranna banna o beauty tips
আম সেমাইয়ে
সারাদিন পার করে ইফতারে একটু মিষ্টি খাবার খেতে ভালোবাসেন সবাই। ফলমূলের পাশাপাশি তাই ডেজার্টের কদরটাও কম নয়। আমের এই মৌসুমে চলুন দেখে নিই আমের স্বাদে দারুণ একটি সেমাইয়ের রেসিপি। খুব কম উপকরণের সহজেই তৈরি হবে এই খাবারটি। যারা সাধারণ দুধ-সেমাই তৈরি করতে পারেন, তারা এটাও তৈরি করতে পারবেন অনায়াসে।

উপকরণ
- ১ কাপ আমের পাল্প
- ১ লিটার দুধ
- পৌনে এক কাপ সেমাই
- ১ টেবিল চামচ ঘি
- পৌনে এক চা চামচ এলাচি গুঁড়ো
- ৬ টেবিল চামচ চিনি
- কাঠবাদাম ও পেস্তাবাদাম কুচি
- গার্নিশ করার জন্য আমের টুকরো

প্রণালী
১) প্যান গরম করে ঘি দিন এতে। ঘি গরম হয়ে এলে এতে সেমাই দিয়ে নেড়েচেড়ে ভেজে নিন। সেমাইয়ের রং পরিবর্তন হয়ে এলে এতে দুধ দিয়ে ফুটিয়ে নিন।
২) দুধ ফুটে গেলে এতে চিনি দিয়ে দিন। চিনি গলে গেলে চুল বন্ধ করে এলাচি গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হয়ে এলে আমের পাল্প দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।
৩) ঠাণ্ডা করে ফ্রিজে রাখুন। পরিবেশন করুন ওপরে বাদাম কুচি এবং আমের টুকরো দিয়ে।

বুধবার, ৮ জুন, ২০১৬

চাইনিজ স্টাইলে ফিশ ফিঙ্গার

ranna banna o beauty tips
চাইনিজ স্টাইলে ফিশ ফিঙ্গার
ফাস্ট ফুড মানে কি শুধুই মাংস? না, মাছ দিয়েও হয় কিছু ফাস্ট ফুড। এদের মাঝে সবচাইতে পরিচিত হলো ফিশ ফিঙ্গার। মাছের কিমা দিয়ে নয়, আজ চলুন দেখে নিই মাছের টুকরো অর্থাৎ ফিলে দিয়ে তৈরি অন্যরকম একটি ফিশ ফিঙ্গারের রেসিপি। চাইনিজ স্বাদের এই ফিশ ফিঙ্গার তৈরি করতে পারবেন কম কাঁটাওয়ালা যেকোনো মাছ দিয়ে। আপনার ঝামেলাটাও হবে কম।

উপকরণ
- মাছের কাঁটা ছাড়া টুকরো লম্বা আঙ্গুলের মতো করে কাটা
- ডিপ ফ্রাই করার জন্য তেল
- ১ টেবিল চামচ রসুন কুচি
- ১/২টা টাটকা লাল মরিচ কুচি
- গোলমরিচ গুঁড়ো স্বাদমতো
- লবণ স্বাদমতো
- ১ চা চামচ সয়াসস
- ২/৩ চা চামচ অয়েস্টার সস
- ৬/৮টা টাটকা তুলসি পাতা/বেসিল পাতা
- ব্রেড ক্রাম্ব পরিমাণমতো
- ১টা ডিম
- গার্নিশ করার জন্য পিঁয়াজপাতা কুচি

প্রণালী
১) ভাজার জন্য প্রয়োজনমত তেল প্যানে গরম হতে দিন।
২) মাছ লম্বা করে কেটে নিন। এগুলোকে একটা বোলে নিয়ে এতে দিন রসুন, মরিচ, গোলমরিচ, লবণ, সয়াসস এবং অয়েস্টার সস। সব উপকরণ ভালো করে মাখিয়ে নিন। এরপর বেসিল পাতা ছিঁড়ে এতে দিয়ে আবার মেশান। ম্যারিনেট হতে দিন কিছুক্ষণ।
৩) ব্রেডক্রাম্বে গড়িয়ে নিন ফিশ ফিঙ্গারগুলোকে।
৪) ডিম ফেটিয়ে নিন এবং এতে ফিশ ফিঙ্গার ডুবিয়ে নিন। এরপর আবার ব্রেডক্রাম্বে গড়িয়ে নিন।
৫) তেল গরম হলে ডিপ ফ্রাই করে নিন ফিশ ফিঙ্গারগুলো। মুচমুচে সোনালি করে ভেজে তুলুন। কিচেন টাওয়েলে তেল ঝরিয়ে নিন।

মজাদার চিকেন ব্রেড পিজ্জা

ranna banna o beauty tips
মজাদার চিকেন ব্রেড পিজ্জা
এই রোজায় ইফতারে কি খাচ্ছেন? সেই সবসময়ের মতো পিঁয়াজু-বেগুনি-আলুর চপ? একটু স্বাদ বদলে চমকপ্রদ কিছু তৈরি করতে চাইলে দেখে নিন আজকের চিকেন ব্রেড পিজ্জার রেসিপিটি। মাংস, পনির এবং ক্যাপসিকামের দারুণ স্বাদে ইফতারে আপনার মনটাই ভালো হয়ে যাবে। পেট ভরাতে সহায়ক এই স্ন্যাক্সটি ইফতার পার্টিতে পরিবেশন করতে পারেন, আবার প্রতিদিনের ইফতারেও রাখতে পারেন। চলুন দেখে নিই সহজ রেসিপিটি।

উপকরণ
- ২টা গ্রিলড চিকেন ব্রেস্ট, শ্রেড করা
- ৮টা পাউরুটির স্লাইস
- পিজ্জা সস প্রয়োজনমতো
- ২ টেবিল চামচ মাখন
- ১ চা চামচ রসুন কুচি
- আধা চা চামচ শুকনো মরিচ
- ৩/৪টা ফ্রেশ বেসিল পাতা
- ১ কাপ বিভিন্ন রঙের ক্যাপসিকামের লম্বা টুকরো
- ২০০ গ্রাম মোজারেলা চিজ, ছোট কিউব করে কাটা
- ফ্রেশ অরিগানো প্রয়োজনমতো

প্রণালী
১) ওভেন ১৮০ ডিগ্রিতে প্রিহিট হতে দিন।
২) একটি পাত্রে মাখন নিন। এতে শুকনো মরিচ ভেঙ্গে নিন। রসুন এবং বেসিল পাতা ছিঁড়ে দিন। ভালো করে মিশিয়ে নিন।
৩) মাখনের মিশ্রণ প্রতিটি রুটির স্লাইসের ওপরে মাখিয়ে নিন এবং একটি বেকিং ট্রেতে রাখুন। এবার প্রিহিটেড ওভেনে দিয়ে ৪-৬ মিনিট বা মুচমুচে হওয়া পর্যন্ত বেক করে নিন।
৪) মুচমুচে এই ব্রেড স্লাইসের ওপরে পিজ্জা সস দিয়ে নিন। এর ওপরে চিকেন, ক্যাপসিকামের টুকরো, মোজারেলার টুকরো এবং কিছু অরিগানো দিয়ে দিন। এবার প্রিহিটেড ওভেনে আবার দিয়ে দিন। চিজ গলে যাওয়া পর্যন্ত বেক করে নিন।


মঙ্গলবার, ৭ জুন, ২০১৬

মেক্সিকান নাচোস

ranna banna o beauty tips
মেক্সিকান নাচোস 
দেখতে যেমন লোভনীয়, খেতেও দারুণ। বলছি নাচোসের কথা। সুদূর মেক্সিকোর মুখরোচক জনপ্রিয় খাবারটি এরই মধ্যে তরূণদের মাঝে বেশ প্রিয় হয়ে উঠেছে। তাইতো যে আড্ডাগুলোর প্রাণ ছিলো সিঙ্গারা-সমোচা, এরপরে চটপটি-ফুচকা, এখন সেখানে দেখা যায় নাচোসের রাজত্ব। 

মুচমুচে চিপসের সঙ্গে ক্রিমি ও চিজি চিকেন কিংবা ফ্রেশ টমেটো সালসা তৈরি হয় ভিন্ন স্বাদের নাচোস। 

আজ আপনাদের জন্য মুচমুচে নাচোসের রেসিপি:  

চিপসের উপকরণ: প্রথমেই চিপস তৈরি করে নিন। ভুট্টার আটা ২ কাপ, ময়দা আধা কাপ, পনির গ্রেট-২০০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ কুচি ১ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, মাখন ২৫ গ্রাম, কুসুম গরম পানি পরিমাণমতো।

 প্রণালী: ভুট্টার আটা, ময়দা, পনির, কাঁচা মরিচ কুচি, লবণ ও মাখন একসঙ্গে মিশিয়ে পানি দিয়ে ভালো করে মেখে আধাঘণ্টা ঢেকে রাখুন। এবার পাতলা রুটি বেলে তিন কোনা করে কেটে ডুবোতেলে অল্প আঁচে হালকা বাদামি রং করে ভেজে তুলুন।

মাংস: মুরগির কিমা ২ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, শুকনা মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, আদা কুচি ১ চা-চামচ, রসুন কুচি ১ চা-চামচ, সয়াসস ২ টেবিল চামচ, ওয়েস্টার সস ২ টেবিল চামচ, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, মাখন ৫০ গ্রাম, টমেটো সালসা আধা কাপ, পনির ২০০ গ্রাম, পেঁয়াজ গোল করে কাটা আধা কাপ, ধনেপাতা কুচি আধা কাপ।

প্রণালী: মুরগির কিমা, সয়াসস, ওয়েস্টার সস দিয়ে মেখে ২০মিনিট রাখুন। এবার ফ্রাই প্যানে মাখন গরম করে আদা-রসুন ভেজে তাতে পেঁয়াজ দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে মাখানো কিমা দিয়ে কষিয়ে নিন। টমেটো সস দিয়ে কিছুক্ষণ পরে লেবুর রস ও ধনেপাতা কুচি দিয়ে নামাতে হবে। 

টমেটো সালসা: লাল ও সবুজ মরিচ পছন্দমতো, ধনেপাতা কুচি আধা কাপ, রসুন কুচি পোয়া কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, লেবুর রস ১ কাপ, লবণ পরিমাণমতো, অলিভ ওয়েল ২ টেবিল চামচ, টমেটো কুচি আধা কাপ। সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে ফ্রিজে রাখুন।

কিমা রেখে ওপরে টমেটো সালসা, পনির, ধনেপাতা কুচি, পেঁয়াজ কুচি দিয়ে সাজিয়ে প্রিহিটেড ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ১৫-২০ মিনিট রাখুন। 
সবশেষে কর্নচিপস, চিকেন, সালসা সঙ্গে গলানো ক্রিমি চিজ, পছন্দমতো ক্রিম, মেয়োনেজ দিয়ে পছন্দের পাত্রে লেয়ার করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। 

রূপচাঁদা শুটকির দোপেঁয়াজা


ranna banna o beauty tips
রূপচাঁদা শুটকির দোপেঁয়াজা
উপকরণ: রূপচাঁদা শুটকি ১টি। তেল পরিমাণ মতো। পেঁয়াজকুচি ২ কাপ। রসুনকুচি আধা কাপ। টমেটোকুচি আধা কাপ। সামান্য আদাবাটা। ধনেগুঁড়া আধা চা-চামচ। মরিচগুঁড়া ৩ চা-চামচ। হলুদগুঁড়া দেড় চা-চামচ। কাঁচামরিচ ৬টি। লবণ স্বাদ মতো।

পদ্ধতি: রূপচাঁদা শুটকি দুই ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। নরম হলে ছোট ছোট টুকরা করে কেটে, ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার প্যানে তেল দিন।

তেল গরম হলে তাতে পেঁয়াজকুচি, রসুনকুচি, সামান্য আদাবাটা, ধনেগুঁড়া, মরিচ, হলুদ, তেল, লবণ, কাঁচামরিচ আর টমেটো-কুচি সব মসলা ভালো করে ভেজে নিন।

পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে তাতে মাছ দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজুন। এবার অল্প পানি দিয়ে ভালো করে কষিয়ে ঢেকে দিন। পানি কমে মাখা মাখা হলে তাতে কাঁচামরিচ দিয়ে নামিয়ে ফেলুন।

গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

স্বাস্থ্যকর রান্নার জন্য ব্যবহার করুন ভিনেগার

ranna banna o beauty tips
স্বাস্থ্যকর রান্নার জন্য ব্যবহার করুন ভিনেগার
রান্নার স্বাদ বাড়ানোর জন্যই ভিনেগার ব্যবহৃত হয় বলে অনেকের ধারণা। তবে এ ধারণাটি মোটেও ঠিক নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটি খাবারের স্বাদ বাড়ানো ছাড়াও খাবারকে স্বাস্থ্যকর করতে সহায়তা করে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। 

ভিনেগারে রয়েছে উচ্চমাত্রায় এসিটিক এসিড। এটি খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করতে ব্যবহৃত হয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসিটিক এসিড পেটের জন্যও উপকারি। ভিনেগার রান্নাঘরে রাখার কিংবা খাবারে ব্যবহার করার প্রচুর উপকারিতা রয়েছে। এ কারণে আপনার রান্নাঘরে যেন এক বোতল ভিনেগার রাখা হয় এবং নিয়মিত তা বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহৃত হয় এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।
 ১. উচ্চমাত্রায় এসিটিক এসিড থাকায় ভিনেগার দেহের জন্য উপকারি। এটি মূলত আপনার দেহের বিভিন্ন খনিজ উপাদান গ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। এতে দেহের পুষ্টি গ্রহণের হার বৃদ্ধি পায়।
 ২. নারীরা ভিনেগার গ্রহণের মাত্রা বাড়িয়ে দেহের খনিজ উপাদানের ঘাটতি রোধ করতে পারে। এছাড়া ভিনেগারের আরও কিছু উপকারিতা রয়েছে। 
৩. বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভিনেগার ভূমিকা রাখে। 
৪. গবেষকরা বলছেন, হৃদরোগের সমস্যাতেও ভিনেগার উপকার করে। বিভিন্ন খাবারে লবণকে প্রতিস্থাপন করে ভিনেগার। 
৫. ভিনেগারে ক্যালরি কম থাকায় এটি সালাদে ব্যবহার করা সুবিধাজনক। 
৬. গবেষণায় দেখা গেছে, খাবার আগে ভিনেগার খেলে পেটে পরিপূর্ণতার অনুভূতি হয়, যা পরবর্তীতে ক্ষুধা কমায় এবং বাড়তি খাওয়ার প্রবণতা রোধ করে।

 

Copyright @ 2013 রান্না-বাণ্ণা ও বিউটি টিপস.