বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৫

স্বাদে ভরা মাছের কাটলেট

ranna banna o beauty tips
মাছের কাটলেট
মাছ খেতে পছন্দ সবার। তবে কাঁটার ভয়ে কেউ কেউ মাছ এড়িয়ে যেতে চান। সেখানে কাঁটা ছাড়া মাছ দিয়ে যদি মজার কোনো খাবার তৈরি করা হয় তবে তা লুফে নেন সবাই। পুরোদমে মুখরোচক মাছের স্বাদ অথচ কাঁটা বেছে নেয়ার কোনো ঝামেলায় নেই। মজার সস দিয়ে নাস্তা, সাদা ভাত বা পোলাওয়ের সঙ্গে মাছের কাটলেটের জুড়ি নেই। পরিবারের সদস্যদের মন ভরাতে আর অতিথির আপ্যায়নে স্বাদের যোগ করতে শিখে নিতে পারেন মাছের কাটলেট। স্বাদের ভূবনে হারিয়ে যেতে চট করে দেখে নেয়া যাক মাছের কাটলেট বানানোর সহজ পদ্ধতি।  

যা যা লাগবে

যেকোনো মাছ ২ কাপ, আদা বাটা আধা চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, রসুন বাটা আধা চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, ধনে পাতা কুচি আধা কাপ, পাউরুটি ২ পিস, আদা মিহি কুচি ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ২ টেবিল চামচ, দুধ আধা কাপ, মুড়ির গুঁড়া ১ কাপ, কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো ও ময়দা আধা কাপ।

যেভাবে করবেন

মাছ আদা ও রসুন বাটা, লবণ, অল্প কাঁচামরিচ এবং পানি দিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। এরপর কাঁটা বেছে নিতে হবে। পাউরুটি দুধে ভিজিয়ে মাছে মেশাতে হবে। সঙ্গে পেঁয়াজ, ধনে পাতা, আদা, কাঁচামরিচ কুচি, কর্নফ্লাওয়ার ও মুড়ির গুঁড়া ২ টেবিল চামচ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। ময়দা ১ কাপ পানিতে গুলিয়ে পেস্ট বানিয়ে রাখতে হবে। এবার মাখানো মাছ কাটলেটের মতো বানিয়ে ময়দার পেস্টে চুবিয়ে টোস্টের গুঁড়ায় গড়িয়ে ১০ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন। এবার নামিয়ে ডিপ ফ্রাই করে গরম গরম পরিবেশন করতে পারেন যেকোনো কিছুর সঙ্গে।

শীতের শুরুতেই পায়ের যত্ন

ranna banna o beauty tips
শীতের শুরুতেই পায়ের যত্ন
খুব বেশি শীত অনুভূত হোক আর না হোক, প্রকৃতি কিন্তু বেশ রুক্ষ্ম হয়ে গেছে। এই রুক্ষ্মতার কবলে সবচেয়ে বেশি কাতর হচ্ছে আমাদের পায়ের সৌন্দর্য। পায়ের ত্বকের মসৃণতা বজায় রাখতে ব্যবহার করতে হচ্ছে ময়েশ্চারাইজার। আর যখনই বাইরে বের হচ্ছি তাতে জড়িয়ে যাচ্ছে রাস্তার ধুলা বালি। ঠিক মতো যত্ন না করলে এতে পায়ের ত্বক আরও বেশি নাজুক হয়ে যাচ্ছে। নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেও গোড়ালি ফেটে যাচ্ছে। ফাটলে জমছে ময়লা। দেখতে যেমন দৃষ্টিকটু অনুভূতিও তেমনি দিশেহারা। পায়ের সৌন্দর্য বজায় রাখতে এখন উপায়? শীতের শুরুতেই নিয়মিত নেয়া যত্নের সঙ্গে সামান্য আরেকটু যত্ন যোগ করতে হবে, তাহলে পেতে পারেন নরম কোমল মসৃণ পা। আর সেজন্য বাড়িতে বসেই সপ্তাহে অন্তত একবার সহজ উপায়ে স্ক্রাব করে নিতে পারেন। স্ক্রাব করতে যা যা লাগবে-

ব্রাউন সুগার ২ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, মধু ১ টেবিল চামচ, অলিভ অয়েল ১ টেবিল চামচ।

যেভাবে করবেন

একটি বাটিতে সব উপাদান একসঙ্গে নিয়ে ভালোভাবে মেশাতে হবে। নরম পেস্ট তৈরি করে রেখে দিন। এবার আপনার পা দুটি একটি বড় গামলায় উষ্ণ গরম পানিতে চুবিয়ে রাখুন ১০ থেকে ২০ মিনিট। এতে পায়ের আলগা ময়লা স্তর নরম হয়ে যাবে। তারপর পায়ে বাটি থেকে পেস্ট নিয়ে লাগান এবং আলতো হাতে ঘষতে থাকুন। কিছু সময় এভাবে পায়ে ম্যাসাজ করতে হবে। তারপর স্ক্রাবার দিয়ে আলতো ঘষে ময়লা পরিষ্কার করে ধুয়ে ফেলুন। সবশেষে পা মুছে ব্যবহার্য ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি আপনার পায়ের মরাকোষ দূর করবে। শক্ত ভাব চলে যাবে নিমিষে আর পা হবে কোমল। এছাড়াও প্রতিদিন গোসল করার সময় স্ক্রাবার দিয়ে সামান্য ঘষে ময়লা দূর করতে হবে। গোসলের পর ক্রিম বা লোশন লাগাতে হবে নিয়মিত।

এই শীতে নিজেই তৈরি করে নিন লিপ বাম

ranna banna o beauty tips
লিপ বাম
শীতে ত্বক রুক্ষ হতে শুরু করেছে সবারই, শুরু হয়েছে ঠোঁট ফাটা। বাজারে পাওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের লিপ বামে অনেকেরই উপকার হয় না। এর চাইতে বাড়িতে নিজেই তৈরি করে ফেলতে পারেন দারুণ কার্যকরী লিপ বাম। ঠোঁটের ফাটাভাব দূর করে সারা শীত আপনার ঠোঁট নরম-কোমল রাখবে এই লিপ বাম। চলুন, দেখে নেই রেসিপিটি।
যা যা লাগবে

-   এক টেবিল চামচ কোকো বাটার

-   দেড় টেবিল চামচ প্রাকৃতিক মোম

-   তিন টেবিল চামচ নারিকেল তেল

-   এক ফোঁটা পিপারমিন্ট এসেনশিয়াল অয়েল (অথবা আপনার পছন্দের অন্য কোনো এসেনশিয়াল অয়েল)

-   লিপ বাম রাখার জন্য ছোট কিছু কৌটা
যা করতে হবে

১) একটা বড় সসপ্যানে পানি ফুটিয়ে নিন। এর ওপরে আরেকটা পাত্র বসিয়ে কোকো বাটার, মোম এবং নারিকেল তেল গলিয়ে নিন। মাইক্রোওয়েভেও গলিয়ে নিতে পারেন।

২) আপনি যদি লিপ বামে রঙ অথবা সুগন্ধি দিতে চান, তাহলে এগুলো গলে গেলে ভেতরে দিতে পারেন কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল এবং এক টুকরো লিপস্টিক।

৩) কৌটায় ঢেলে ঠাণ্ডা হতে দিন। ঠাণ্ডা হলে সেট হয়ে যাবে। ফ্রিজে রেখেও সেট করতে পারেন। এবার ব্যবহার করতে পারেন ইচ্ছেমত।

টিপস

    ইচ্ছে হলে দিতে পারেন এক চা চামচ করে মধু, আমন্ড তেল এবং অলিভ অয়েল
    ভিটামিন ই তেল দিতে পারেন ২০ ফোঁটার মতো

এই শীতে ঠোঁটে লিপ বাম ব্যবহার করতে মেনে চলতে পারেন এই নিয়মগুলো-

-   ঠোঁট ফেটে গেলে বা চামড়া উঠতে থাকলে চামড়া ছিঁড়বেন না বা ঠোঁট কামড়াবেন না, অবস্থা আরও খারাপ হবে

-   ফাটা ঠোঁট এক্সফলিয়েট না করাই ভালো

-   ইউক্যালিপ্টাসের তেল, মেনথল এবং কর্পুরের মতো উপাদানগুলো ব্যবহার কারও কারও ঠোঁটের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, এক্ষেত্রে এগুলো ব্যবহার না করাই ভালো

লেখক
কে এন দেয়া
অ্যাসিস্ট্যান্ট এডিটর, প্রিয় লাইফ
প্রিয়.কম

গাজরের লাড্ডু তৈরি করুন সহজ রেসিপিতে

ranna banna o beauty tips
গাজরের লাড্ডু
গাজরের হালুয়া নিশ্চয়ই ভালোবাসেন খেতে? তাহলে আপনার কাছে ভালো লাগবে গাজরের লাড্ডুও। চলুন তাহলে জেনে নিই আয়েশা সিদ্দিকার গাজরের লাড্ডুর রেসিপি।

উপকরণ
গাজর কুচি ১ কাপ
চিনি ১ কাপ
গুঁড়া দুধ ১/২ কাপ
তেল+ ঘি ১/২ কাপ
কেওড়া জল ১ চা চামচ
দারচিনি ১ টুকরা
এলাচ ২ টি

প্রণালী

    -গাজর, চিনি, গুঁড়া দুধ  একসাথে ব্লেন্ড করে নিন।
    -এবার একটি ননস্টিক প্যানে তেল+ ঘি গরম করে এতে গাজর মিশ্রণ দিয়ে দিন, এতে যোগ করুন দারচিনি আর এলাচ ।
    -ঘন ঘন নাড়তে থাকবেন যাতে প্যানের তলায় না লেগে যায়। মিশ্রণটি ঘন হয়ে আসলে কেওড়া জল দিয়ে দিন ।
    -মিশ্রণটি ঘন হয়ে পাতিলের গা ছেড়ে আসলে চুলা থেকে নামিয়ে কিছুক্ষণ ঠাণ্ডা হতে দিন।
    -কিছুটা ঠাণ্ডা হলে লাড্ডু বানিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার গাজরের লাড্ডু।

ঝাল-মিষ্টি স্বাদে তৈরি করুন মুরগীর অন্যরকম একটি পদ

Ranna Banna o beauty tips
হানি গ্লাজেড চিকেন
সপ্তাহের শেষের দিকে বাড়িতে ফিরে সবাই একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন। ছুটির আমেজে একটু অন্যরকম কিছু খেতে ইচ্ছে করে সবারই। গতানুগতিক খাবারের একঘেয়েমি থেকে বের হয়ে আসতে চাইলে তৈরি করে ফেলতে পারেন হানি গ্লেজড চিকেন। মধুর পাশাপাশি বেশ কিছুটা শুকনো মরিচও এতে ব্যবহার করা হয়। ফলে ঝাল-মিষ্টি দারুণ মুখরোচক খাবারটি পছন্দ করবে বাড়ির সবাই। তৈরি করাটাও খুবই সহজ। 
উপকরণ

    -   ৪০০ গ্রাম হাড়ছাড়া মুরগীর মাংস, এক ইঞ্চি টুকরো করে কাটা
    -   ৪/৫ কোয়া রসুন কুচি করা
    -   লবণ স্বাদমতো
    -   ২ চা চামচ শুকনো মরিচ
    -   ১ চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো
    -   দেড় টেবিল চামচ+ ২ চা চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার
    -   দেড় কাপ চিকেন স্টক
    -   ২ টেবিল চামচ তেল
    -   ডিপ ফ্রাই করার জন্য তেল
    -   ৩ টেবিল চামচ মধু
    -   ২ চা চামচ সয়া সস
    -   ২টা পিঁয়াজকলি কুচানো
    -   ১ টেবিল চামচ সাদা তিল, তাওয়ায় টেলে নেওয়া

প্রণালী

১) মুরগীর মাংস, রসুনের অর্ধেক পরিমাণ, লবণ, অর্ধেক পরিমাণ শুকনো মরিচ, অর্ধেক পরিমাণ গোলমরিচ গুঁড়ো, দেড় টেবিল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার এবং এক টেবিল চামচ চিকেন স্টক নিন একটি বোলে এবং ভালো করে মিশিয়ে নিন। 

২) কড়াইতে ডিপ ফ্রাই করার জন্য তেল গরম করে নিন এবং এতে মুরগীর মাংস ভেজে তুলুন সোনালি করে।

৩) একটা নন স্টিক কড়াইতে বাকি রসুন এবং শুকনো মরিচ দিয়ে সাঁতলে নিন যতক্ষণ না রসুন সোনালি হয়ে আসে। বাকি চিকেন স্টক এতে দিয়ে দিন। এর সাথে দিন মধু, লবণ, বাকি গোলমরিচ গুঁড়ো, সয়া সস এবং মিশিয়ে নিন ভালো করে।

৪) বাকি কর্ন ফ্লাওয়ারটাকে ২ টেবিল চামচ পানিতে মিশিয়ে নিন এবং এটা কড়াইতে সসের সাথে মিশিয়ে নিন।

৫) ভাজা মুরগীর তেল ঝরিয়ে সরাসরি চুলায় রাখা সসে দিয়ে দিন। পিঁয়াজকলি অল্প কিছু রেখে দিন গার্নিশ করার জন্য। বাকিটা দিয়ে দিন সসের সাথে। ভালো করে সবকিছু মেশান যতক্ষণ না মুরগিটা সসে ভালো করে মেখে যায়।

তৈরি হয়ে গেলো দারুণ স্বাদের হানি গ্লেজড চিকেন। এবার ওপরে তিল এবং পিঁয়াজকলি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন গরম গরম।

বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৫

শীতের দিনের নাস্তায় মজাদার তেলের পিঠা

Ranna banna o beauty tips
তেলের পিঠা
চলে এসেছে শীত, এখন কি পিঠা না খেলে চলে? সকালের নাস্তায় হোক বা বিকালের চায়ের সাথে, গরম গরম তেলের পিঠা কিন্তু ছোটবড় সকলেরই ভীষণ পছন্দ। তাহলে চলুন, জেনে নিই সায়মা সুলতানার একটি ঝটপট রেসিপি।

 



যা লাগবে
চালের গুঁড়া ১ কাপ
ময়দা হাফ কাপ
খেজুরের গুড়/চিনি অথবা ব্রাউন সুগার - ৩/৪ কাপ (কম বেশি করা যাবে)
মৌরি আস্ত হাফ চা চামচ ( না দিলেও হবে )
লবন এক চিমটি
তেল ভাজার জন্য

প্রণালি

    -একটি বাটিতে চালের গুঁড়া এবং ময়দা নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন।
    -এবার গুড়, চিনি অথবা ব্রাউন সুগার দিয়ে ভাল করে মাখুন। অল্প পরিমাণে উষ্ণ গরম পানি দিয়ে কেক মিশ্রণ-এর মত মিশ্রণ তৈরি করুন। (মিশ্রণটি ঘন হবে )
    -মিশ্রণটি ২ ঘণ্টা ঢেকে রেখে দিন।
    -কড়াই বা প্যানে তেল গরম করুন। তেল পর্যাপ্ত গরম হলেই মিশ্রণ তেলে ছাড়ুন।
    -একটি বড় গোল চামচ ( আমি ডাল এর চামচ দিয়ে করেছি ) নিয়ে মিশ্রণটি নেড়ে এক চামচ পরিমান মিশ্রণ তেলে ছাড়ুন।
    -কয়েক সেকেন্ড এর মধ্যে পিঠাটি ফুলে উঠবে। ফুলে উঠলে পিঠাটি উল্টে দিয়ে আরও কিছুক্ষণ ভেজে তেল থেকে তুলে ফেলুন।
    -নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন এই পিঠা , আমি পরিবেশন এর সময় হাল্কা ক্যারামেল ছিটিয়ে দিয়েছি । চাইলে মধুও দেয়া যায়।

ঝাল ঝাল মঙ্গোলিয়ান প্রনের রেসিপিটি

Ranna Banna o beauty tips
মঙ্গোলিয়ান প্রনের রেসিপিটি
চিংড়ির নাম শুনলেই জিভে জল চলে আসে সবার। আর এই চিংড়ির রান্নাটি যদি হয় ঝাল ঝাল, একই সাথে মুচমুচে এবং সসে মাখামাখা, তাহলে তো কথাই নেই! ঝাল খেতে যারা ভালোবাসেন, তাদের জন্য রইলো দারুণ মঙ্গোলিয়ান প্রনের রেসিপি। মজাদার স্ন্যাক্স হিসেবে যেমন, তেমনি কোনো অনুষ্ঠানে অতিথিদের চমকে দিতেও দারুণ এই খাবারটি।
উপকরণ

    -   ১৬/১৮টি বড় চিংড়ি, পরিষ্কার করা কিন্তু লেজ সহ
    -   ৩/৪ কোয়া রসুন কুচানো
    -   ২ টেবিল চামচ লাল মরিচ পেস্ট
    -   লবণ স্বাদমতো
    -   আধা চা চামচ সাদা গোলমরিচ গুঁড়ো
    -   ডিপ ফ্রাই করার জন্য যথেষ্ট তেল
    -   ১ ইঞ্চি পরিমাণ আদা, কুচানো
    -   ২ টেবিল চামচ টমেটো কেচাপ
    -   ২ চা চামচ পাতলা সয়া সস
    -   ১ টেবিল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার
    -   ১ চা চামচ চিনি
    -   ১ চা চামচ মল্ট ভিনেগার
    -   দুটো পিঁয়াজকলি কুচানো

প্রণালী

১) চিংড়িগুলোকে একটা বোলে নিয়ে এতে যোগ করুন অর্ধেক পরিমাণ রসুন, এক টেবিল চামচ মরিচ পেস্ট, লবণ এবং সাদা গোলমরিচের গুঁড়োর অর্ধেক। ভালো করে মিশিয়ে ম্যারিনেট হতে রেখে দিন ১০ থেকে ১৫ মিনিট।

২) এই সময়ের পর এতে কর্ন ফ্লাওয়ার মিশিয়ে নিন।

৩) কড়াইতে ডিপ ফ্রাই করার জন্য তেল গরম করে নিন। চিংড়িগুলোকে মুচমুচে সোনালি করে ভেজে তুলুন।

৪) সস তৈরির জন্য নন স্টিক কড়াইতে অল্প করে তেল গরম করে নিন। এতে বাকি আদা-রসুন দিয়ে দিন এবং রসুন সোনালি হয়ে যাওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এতে বাকি মরিচের পেস্ট দিয়ে সাঁতলে নিন। এরপর টমেটো কেচাপ দিন। এতে যোগ করুন সয়া সস এবং ভাজা চিংড়িগুলো। টস করে মিশিয়ে নিন। স্বাদমতো লবণ, বাকি গোলমরিচ গুঁড়ো, চিনি এবং মল্ট ভিনেগার দিয়ে আবারও টস করে নিন।

ঘরেই তৈরি করে ফেলুন বাজারের সুস্বাদু পিজ্জা সস

Ranna Banna o beauty tips
পিজ্জা সস
পিজ্জা নাম শুনলেই জিবে পানি চলে আসে। রেস্টুরেন্ট তো বটেই, অনেকে বাসায়ও তৈরি করে থাকেন পিজ্জা। পিজ্জা তৈরির অন্যতম একটি উপাদান হল পিজ্জা সস যা বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। পিজ্জাটা যখন ঘরে তৈরি করছেন, তখন পিজ্জা সসটিও ঘরেই তৈরি করে ফেলুন। কীভাবে তৈরি করবেন? জেনে নিন পিজ্জা সস তৈরির সহজ রেসিপিটি।

উপকরণ:

৬টি বড় টমেটো

১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল

১ চা চামচ রসুন কুচি

১/২ কাপ পেঁয়াজ কুচি

১/২ চা চামচ অরিগেনো

১ চা চামচ লাল শুকানো মরিচ

২ টেবিল চামচ টমেটো কেচাপ

১ চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়ো

লবণ স্বাদমত

১/২ চা চামচ চিনি



প্রণালী:

১। টমেটোগুলো মুখ কেটে পানিতে ২-৩ মিনিট সিদ্ধ করতে দিন। সিদ্ধ হয়ে গেলে টমেটোর খোসা ছাড়িয়ে ফেলুন।

২। টমেটোগুলো কেটে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন।

৩। এবার প্যান গরম হয়ে এলে এতে অলিভ অয়েল দিন।

৪। অলিভ অয়েল গরম হয়ে আসলে এতে রসুন কুচি দিয়ে দিন।

৫। রসুন লাল হয়ে গেলে এতে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ১-২ মিনিট ভাজুন।

৬। তারপর এতে টমেটোর পেস্ট, ওরিগেনো, শুকনো মরিচ, টমেটো কেচাপ, লাল মরিচ গুঁড়ো, লবণ দিয়ে ২-৩ মিনিট রান্না করুন।

৭। চিনি দিয়ে মাঝারি আঁচে ১-২ মিনিট রান্না করুন।

৮। ঠান্ডা হয়ে গেলে এয়ার টাইট কনটেইনারে সংরক্ষন করুন।

৯। পিজ্জা তৈরির সময় ব্যবহার করুন পিজ্জা সস।

সহজেই তৈরী করুন পাঞ্জাবী মুঠি কাবাব

Ranna banna o beauty tips
মুঠি কাবাব
 "মুঠি কাবাব" এসেছে পাঞ্জাবী "মুঠঠি কাবাব" থেকে। এটা প্রধানত পাঞ্জাবী একটি খাবার। খাবারটি কিছুটা জালি কাবাব ধরণের হলেও এর আকৃতি এবং কিছু উপাদান ভিন্ন। হাতের মুঠোয় চাপ দিয়ে আকৃতি দেয়া হয় বলে এর নাম হয়েছে মুঠি বা মুঠো কাবাব।

খাবার টেবিলে যে কোনো ধরণের কাবাব থাকলেই পরিবারের সবাই খুশি। আর খুশি হবে নাই বা কেনো? কাবাবের স্বাদ ও ঘ্রাণে সবারই লোভ লেগে যায়। আসুন তাহলে দেখে নেয়া যাক মুঠি কাবাবের সহজ রেসিপি।

পুষ্টিগুণঃ

একটি মাঝারী আকৃতির মুঠো কাবাবে আছে ১৬০ ক্যালোরি, ৪ গ্রাম ফ্যাট, ১০৫ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল, ৩২০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট ও ২৬ গ্রাম প্রোটিন।

উপকরণঃ

- ১/২ কেজি গরুর/খাসির কিমা
- ১ টেবিল চামচ গরম মসলা গুঁড়ো
- পেঁয়াজ কিমা আধা কাপ,
- ১ টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচি
- ১ টেবিল চামচ কাঁচামরিচ কুচি
- ১ চা চামচ আদা বাটা
- ১ চা চামচ রসুন বাটা
- ১/২ চা চামচ চিনি
- ১ টেবিল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার/ময়দা
- তেল ভাজার জন্য
- সরিষার তেল মাখানোর জন্য
- লবণ স্বাদ অনুযায়ী

প্রস্তুত প্রণালীঃ

- কিমা করা মাংসকে পাটায় আরেকবার ছেঁচে নিন। না নিলেও সমস্যা নেই, তবে নিলে ভালো।

- কিমা ভালো করে ধুয়ে পানি ছেঁকে নিন।

- কিমায় গরম মশলা, আদা বাটা, রসুন বাটা, সরিষার তেল, চিনি, লবণ, পেঁয়াজ, কর্ন ফ্লাওয়ার, ধনেপাতা ও কাঁচামরিচ কুচি মাখিয়ে অন্তত ৩০ মিনিট রাখুন।

- মাঝারী আঁচে চুলায় ফ্রাই প্যান দিয়ে মাঝারি আঁচে তেল গরম করুন।

- এবার হাতে একটু তেল মাখিয়ে নিয়ে কিছুটা মিশ্রন হাতের মুঠোয় নিন।

- মুঠোয় চেপে চেপে আকার দিয়ে গরম ডুবো তেলে ছেড়ে দিন।

- কাবাব লাল করে ভেজে তুলে কিচেন টিস্যুতে তুলে নিন।

- পরোটা, সস কিংবা সালাদের সাথে পরিবেশন করুন গরম গরম মুঠি কাবাব।

মসলা মাখা " আলুর দম "

ranna banna o beauty tips
মসলা মাখা " আলুর দম "
রেল গাড়ি ঝমাঝম, পা পিছলে আলুর দম’ এই পঙতিটি তো সবাই শুনেছেন। কিন্তু এই আলুর দম বা দম আলু জিনিসটা খেয়েছেন কখনো? লুচি/পরোটা দিয়ে বা ভাতের সাথে দম আলু খেতে কিন্তু বেশ ভালো লাগে। একটু ঝাল আর মুখরোচক স্বাদের দম আলু খাবারে নিয়ে আসে ভিন্নতা। যারা মাছ মাংস ছাড়া খেতেই পারেন না, তাঁদের মুখেও কিন্তু বেশ লাগবে এর স্বাদ। সহজেই তৈরি করা যায় দম আলু। খুব বেশি সময়ও লাগে না বানাতে। আসুন দেখে নেয়া যাক মজাদার দম আলুর রেসিপি।

পুষ্টিগুণঃ

এক কাপ দম আলুতে আছে ৩৭৭ ক্যালরী, ২১.৭ গ্রাম ফ্যাট, ১০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল, ৮৫ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ৫২০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ৩৮ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১০.৯ প্রোটিন।

উপকরণঃ

- আলু আধা কেজি (ছোট গোল আলু অথবা চারকোনা করে কাটা আলু)
- আদাবাটা ১ চা-চামচ
- জিরা গুঁড়ো ১ চা-চামচ
- হলুদ গুঁড়ো ১ চা-চামচ
- মরিচের গুঁড়ো ১ চা-চামচ
- তেজপাতা ১/২টি
- দারচিনি মাঝারী আকৃতির ৩/৪টি
- এলাচি ২টি
- টমেটো পিউরী ৪ টেবিল চামচ
- কাঁচা মরিচ ৩/৪ টি ফালি করা
- আস্ত জিরা আধা চা চামচ
- চিনি সামান্য
- তেল পরিমাণ মত
- লবণ পরিমাণ মত
- কিশমিশ- ইচ্ছা

প্রণালীঃ

- আলু হালকা সেদ্ধ করে নিন।

- কড়াইয়ে তেল গরম করে সেদ্ধ আলু হালকা ভেজে তুলে নিন।

- এবার আরেকটা কড়াইতে অল্প তেলে গোটা জিরা, এলাচি, দারচিনি একটু ভেজে নিন।

- তারপর তেজপাতা, আদাবাটা, মরিচ গুড়া, জিরা গুড়া, হলুদ গুড়া ও লবণ দিয়ে সামান্য পানি দিয়ে কষিয়ে নিন।

- মসলা কষে উপরে তেল উঠে এলে ভাজা আলু দিয়ে দিন।

- এবার কড়াইয়ে সামান্য পানি, অল্প চিনি, টমেটো পিউরি ও কিশমিশ দিয়ে আরেকটু কষিয়ে নিন।

- এবার কাঁচা মরিচ ফালি দিন।

- খেয়াল রাখুন আলু গলে না যায়। এবার মাখা মাখা ঝোল করে নামিয়ে নিন।

- উপর ধনিয়া পাতা কুচি ছিটিয়ে বিকেলের পরিবেশন করুন মজাদার আলুর দম।

ঘরেই তৈরি করুন সুস্বাদু আচারি মুরগী

ranna banna o beauty tips
সুস্বাদু আচারি মুরগী
 সেই নিয়মিত মুরগী ভুনা খেয়ে যারা বিরক্ত, তাঁদের জন্য আজকের এই ভিন্ন স্বাদের রেসিপি। আচারি মুরগী অত্যন্ত সহজ এবং সুস্বাদু। যারা ছুটির দিনে মুরগী রান্নার কথা ভাবছেন, তারা অবশ্যই আচারি মুরগী রেঁধে খেয়ে দেখুন একবার। আসুন দেখে নেয়া যাক কিভাবে রাঁধবেন আচারি মুরগী।

পুষ্টিগুণঃ

প্রতি ১০০ গ্রাম মুরগীতে ১১০ ক্যালরি আছে। এতে আছে প্রোটিন, ফ্যাট, কোলেস্টেরল, সোডিয়াম ও পটাশিয়াম।

উপকরণঃ

- মুরগীর মাংস দেড় কেজি
- আম বা জলপাইয়ের আচার ৩ টেবিল চামচ
- পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ
- আদা বাটা ২ টেবিল চামচ
- রসুন বাটা ২ চা চামচ
- জিরা বাটা ১ চা চামচ
- সরিষা বাটা ১ টেবিল চামচ
- মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ
- হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ
- লবণ পরিমাণমতো
- দারচিনি ৪ টুকরা
- এলাচ ৪টি
- তেজপাতা ৪টি
- মেথি আধা চা চামচ
- তেল ১ কাপ
- কাঁচামরিচ ৫-৬টি
- টকদই আধা কাপ
- চিনি ১ চা চামচ

প্রণালীঃ

- মুরগীর মাংস ধুয়ে সব বাটা মশলা, গুঁড়া মসলা, টকদই ও লবণ দিয়ে মাখিয়ে ১ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে।

- তেল গরম করে মেথি ফোড়ন দিয়ে তেল ছেঁকে তুলে ফেলতে হবে।

- পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে নিতে হবে।

- মসলা মাখানো মাংস দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে।

- পরিমাণমতো গরম পানি দিয়ে রান্না করতে হবে।

- পানি শুকিয়ে গেলে কাঁচামরিচ, চিনি, আচার দিয়ে মাংস ভুনা ভুনা করে নামাতে হবে।

- রেসিপি জেনে নিলেন। এবার তাহলে বানিয়ে ফেলুন মজাদার আচারি মাংস। ভাত, পোলাও, বিরিয়ানি অথবা পরোটার সাথে পরিবেশন করুন গরম গরম আচারি মাংস।

বারাহি স্বাদের নিরামিষ

মাংসে অরুচি! নিরামিষের স্বাদ নিন তাহলে। তাতেও বৈচিত্র্যের অভাব নেই। শুভাগতা দেবাশীষ দিয়েছেন নানারকম সবজির রেসিপি। 

ranna banna o beauty tips
বরবটি ঘন্ট
ranna banna o beauty tips
নবরত্ন তরকারিঃ
বরবটি ঘন্ট
উপকরণ: বরবটি ১ কেজি, বড় আলু ২টি, আদা বাটা ২ চা-চামচ, জিরা বাটা ১ চা-চামচ, তেজপাতা ২টি, শুকনো মরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, চিনি ১ চা-চামচ, ঘি ২ টেবিল চামচ, তেল ৩ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ৬-৭টি, গরমমসলা বাটা ১ চা-চামচ ও শুকনো মরিচ ২টি।
প্রণালি: বরবটি সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। তেলে আলু ভাজতে হবে এবং আলুর রং বাদামি হলে উঠিয়ে রাখতে হবে। ওই তেলের মধ্যে আস্ত জিরা, তেজপাতা ও শুকনো মরিচ দিয়ে ফোড়ন দিতে হবে। তারপর নেড়েচেড়ে ব্লেন্ড করা বরবটি দিয়ে ভালো করে নাড়তে হবে। পানি শুকিয়ে এলে লবণ, আদা বাটা, জিরাবাটা, শুকনো মরিচের গুঁড়া ও হলুদের গুঁড়া দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে। ২৫ মিনিট আস্তে আস্তে নাড়তে হবে যেন নিচে লেগে না যায়। তারপর ভেজে রাখা আলুগুলো দিতে হবে। আস্ত কাঁচা মরিচ দিতে হবে। আলু দেওয়ার পর ২-৩ মিনিট নেড়ে ঘি, গরমমসলা ও চিনি দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।
ranna banna o beauty tips
নারকেল দুধে পটোলের দম

নবরত্ন তরকারিঃ 
ranna banna o beauty tips
নারকেল দিয়ে ছোলার ডাল
ranna banna o beauty tips
আমড়ার চাটনি
উপকরণ: বরবটি ২৫০ গ্রাম, আলু ও গাজর ২৫০ গ্রাম, ফুলকপি ২টি, ক্যাপসিকাম বড় ১টি, টমেটো ২টি, পেঁয়াজবাটা ১ কাপ, কাজু বাদামবাটা ২ টেবিল চামচ, এলাচি ৫-৬টি, দারুচিনি ৩টি, তেজপাতা ২টি, ধনেপাতা পরিমাণ মতো, পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ, পেঁয়াজ ৪ টুকরা করে নিতে হবে আধা কাপ, মাখন ৫০ গ্রাম, রসুন কুচি ১ চা-চামচ, সাদা তেল ৩ টেবিল চামচ, হলুদ-মরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, আস্ত কাঁচা মরিচ ৩-৪টি, লবণ ও চিনি স্বাদ অনুসারে, আদা ও রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ এবং ফ্রেশ ক্রিম ১ কৌটা।
প্রণালি: সবজিগুলো চৌকা করে কেটে আধা সেদ্ধ করে ঠান্ডা পানিতে রাখতে হবে কিছুক্ষণ। তেলের মধ্যে এলাচি ও দারুচিনি ফোড়ন দিতে হবে। ফোড়ন থেকে সুগন্ধ বেরোলে পেঁয়াজবাটা কষাতে হবে। তারপর একে একে আদা, রসুন, হলুদ এবং মরিচের গুঁড়া দিয়ে আরও কিছুক্ষণ কষাতে হবে। কাজু বাদামবাটা দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ মৃদু আঁচে নাড়তে হবে। অনবরত নাড়তে হবে যেন লেগে না যায়। তেল ছাড়লে নামিয়ে ফেলতে হবে। কড়াইতে মাখন দিয়ে রসুন কুচি ফোড়ন দিতে হবে। রসুন বাদামি রং হলে সেদ্ধ করে রাখা সবজিগুলো দিয়ে ভালো করে নাড়তে হবে।
এরপর প্রস্তুতকৃত মসলা সেদ্ধ সবজিতে দিতে হবে। টুকরা করে কাটা টমেটো, ক্যাপসিকাম ও পেঁয়াজ দিতে হবে এবং নাড়াচাড়া করতে হবে। সবজি দেখে লবণ দিয়ে তারপর কাঁচা মরিচ ও চিনি দিতে হবে। ফ্রেশ ক্রিম দিয়ে ধনেপাতা কুচি আর পেঁয়াজ বেরেস্তা দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

নারকেল দুধে পটোলের দম
পনিরের তরকারি
আলু পোস্ত
উপকরণ: পটোল আদা কেজি (ছিলে সেদ্ধ করে নেওয়া), পেঁয়াজবাটা ১ টেবিল চামচ, আদাবাটা ১ চা–চামচ, ছোট এলাচি ৩/৪ টি, ঘি ও সরষের তেল একসঙ্গে ৪ টেবিল চামচ, নারকেলের দুধ দেড় কাপ, হলুদ আধা চা–চামচ, শুকনো মরিচের গুঁড়া আদা চা–চামচ, চিনি সিকি চা–চামচ, কাঁচা মরিচ ৭/৮টি ও লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি: কড়াইতে তেল ও ঘি একসঙ্গে দিতে হবে। এলাচি থেঁতো করে ফোড়ন দিতে হবে। পেঁয়াজবাটা দিয়ে নাড়াচাড়া করতে হবে। পেঁয়াজ বাদামি রং হলে হলুদ ও শুকনো মরিচের গুঁড়া দিয়ে কষাতে হবে। তেল ছাড়লে পটোলগুলো দিয়ে আরও কিছুক্ষণ কষাতে হবে। তারপরে নারকেলের দুধ দিয়ে মৃদু আঁচে ঢেকে রাখতে হবে। পটোল সেদ্ধ হয়ে মাখা মাখা হলে কাঁচা মরিচ দিতে হবে। সবশেষে ঘি এবং চিনি দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

নারকেল দিয়ে ছোলার ডাল
উপকরণ: ছোলার ডাল আধা কেজি, আদা বাটা ১ চা-চামচ, নারকেল কোরানো ১ কাপ, তেজপাতা ২-৩টি, ঘি ২ টেবিল চামচ, আস্ত জিরা ১ চা-চামচ, শুকনো মরিচ ৩-৪টি, সাদা তেল ১ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া সিকি চা-চামচ, দারুচিনি ৩-৪টি, এলাচি ৫-৬টি, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি: ডালের মধ্যে আদা বাটা, তেজপাতা, লবণ ও হলুদ দিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। যেন গলে না যায়। অন্য কড়াইয়ে তেলে আস্ত জিরা, শুকনো মরিচ ও তেজপাতা ফোড়ন দিয়ে সুগন্ধ বেরোলে ডাল দিতে হবে। তারপর ঘিয়ে ভাজা নারকেল দিতে হবে। সবশেষে ঘি দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

আমড়ার চাটনি
উপকরণ: আমড়া ১ কেজি, চিনি ১ কাপ, শুকনোর মরিচ ২-৩টি, মরিচের গুঁড়া সিকি চা-চামচ, হলুদের গুঁড়া আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, আনারসের টুকরা ২ কাপ, সরিষার তেল ৩ টেবিল চামচ, আস্ত সরিষা আধা চামচের কম ও টেলে রাখা মৌরি গুঁড়া আধা চা-চামচ।
প্রণালি: লবণ ও হলুদের গুঁড়া দিয়ে আমড়াগুলো ভালোমতো সেদ্ধ করে নিতে হবে। তারপর হাত দিয়ে চটকিয়ে নিতে হবে। সরিষার তেলে সরিষা ও শুকনো মরিচ ফোড়ন দিয়ে তাতে চটকিয়ে রাখা আমড়া দিতে হবে। হলুদ ও মরিচের গুঁড়া দিয়ে মৃদু আঁচে আস্তে আস্তে নাড়তে হবে। মাখা মাখা হয়ে গেলে চিনি দিতে হবে। ভালো করে নাড়াচাড়া করে নামানোর আগে ঘি দিয়ে ভেজে রাখা আনারসের টুকরাগুলো দিতে হবে। ওপরে মৌরি গুঁড়া ছড়িয়ে নামিয়ে নিতে হবে।

পনিরের তরকারি
উপকরণ: ২ কেজি দুধের ছানা, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ২ চা-চামচ, টমেটো পিউরি ২ টেবিল চামচ, কাজু বাদামবাটা ২ টেবিল চামচ, ফ্রেশ ক্রিম আধা কৌটা, হলুদ ও মরিচের গুঁড়া ২ চা-চামচ, মাখন ৫০ গ্রাম, রসুন কুচি ১ চা-চামচ, এলাচি, দারুচিনি ও লবঙ্গ পরিমাণ মতো এবং লবণ ও চিনি স্বাদমতো।
প্রণালি: তেলে এলাচি, দারুচিনি ও লবঙ্গ দিয়ে ফোড়ন দিতে হবে। এরপর পেঁয়াজবাটা দিতে হবে এবং তা বাদামি রং ধারণ করলে আদা বাটা, রসুন বাটা ও টমেটো পিউরি দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে। কাজুবাদাম দিয়ে ভালো করে অনেকক্ষণ কষিয়ে নিতে হবে। ছানাগুলো চৌকা করে কেটে নিতে হবে। অন্য কড়াইতে মাখন দিয়ে তার মধ্যে রসুন কুচি দিতে হবে। তারপর কষানো মসলা দিয়ে আরও একটু পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে তখন কেটে রাখা পনিরগুলো দিতে হবে। পরিমাণমতো লবণ ও চিনি দিতে হবে এবং সবশেষে ফ্রেশ ক্রিম দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

আলু পোস্ত
উপকরণ: আলু চাক করে কাটা ১ কাপ, আদা বাটা ২ চা-চামচ, জিরাবাটা ১ চা-চামচ, তেজপাতা ২টি, শুকনো মরিচ ২-৩টি, হলুদ আধা চা-চামচের একটু কম, পোস্ত বাটা ৩০০ গ্রাম, লবণ স্বাদ অনুসারে, চিনি ১ চা-চামচ, ঘি ৩ টেবিল চামচ, তেল ৩ টেবিল চামচ, শুকনো মরিচের গুঁড়া সিকি চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ৫-৬টি ও আস্ত জিরা সিকি চা-চামচ।
প্রণালি: পোস্ত আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে পানি ঝরিয়ে বেটে নিতে হবে। কড়াইতে তেল ও ঘি একসঙ্গে দিয়ে জিরা, তেজপাতা ও শুকনো মরিচ দিয়ে নাড়াচাড়া করতে হবে। এরপর একে একে আদা বাটা, জিরাবাটা, শুকনো মরিচের গুঁড়া ও সামান্য হলুদের গুঁড়া দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে। মসলা থেকে তেল ছাড়লে আলুগুলো দিতে হবে। এরপর পাঁচ মিনিট কষাতে হবে। তারপর পোস্ত বাটা দিয়ে অল্প আঁচে ২৫ থেকে ৩০ মিনিট নাড়তে হবে। এরপর চিনি দিতে হবে। শেষে ঘি দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

পছন্দের পোলাও-বিরিয়ানি

আবহাওয়া ঠান্ডার দিকে। বাড়িতে অতিথি আপ্যায়ন বা আড্ডার আয়োজন তো চলবেই। নিমন্ত্রণে পরিবেশনের জন্য পোলাও-বিরিয়ানির কিছু রেসিপি দিয়েছেন কল্পনা রহমান। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। 
ranna banna o beauty tips
কারিপাতা রাইস

কারিপাতা রাইসঃ
 উপকরণ: পোলাওয়ের চাল আধা কেজি, হলুদ গুঁড়া ১ চিমটি, নারিকেল কোরানো ১ কাপ, কারিপাতা ১ মুঠ, গোটা সরিষা ১ টেবিল চামচ, লবণ ১ চা-চামচ ও তেল আধা কাপ।
প্রণালি: পোলাওয়ের চাল লবণ দিয়ে ঝরঝরে করে সেদ্ধ করে নিন। প্যানে তেল গরম করে তাতে সরিষা কারিপাতার ফোড়ন দিয়ে হলুদ দিন। এবার তাতে সেদ্ধ করা ভাত ও নারিকেল কোরা দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে মেশান। এবার নামিয়ে গরম-গরম পরিবেশন করুন।
ranna banna o beauty tips
মুরগির বিরিয়ানি

মুরগির বিরিয়ানি
মুরগির বিরিয়ানিউপকরণ: দেশি মুরগি ৪ টি, পোলাওয়ের চাল ১ কেজি, আদার রস সিকি কাপ, রসুনের রস ১ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, টক দই আধা কাপ, মিষ্টি দই আধা কাপ, চিনি ১ চা-চামচ, কেওড়া জল ৪ টেবিল চামচ, পোস্তদানা বাটা ১ টেবিল চামচ, বাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা দেড় কাপ, গুঁড়া দুধ ৪ টেবিল চামচ, ঘি ১ কাপ, তেল আধা কাপ, টমেটো সস সিকি কাপ, জয়ফল-জয়ত্রী-এলাচ-দারুচিনি ৪টি করে, জর্দার রং সামান্য, জাফরান ১ চিমটি, আলু বোখারা ৭/৮ টি, মাওয়া আধা কাপ, গোটা শাহি জিরা ১ চা-চামচ, আলু আধা কেজি, লবণ পরিমাণমতো ও আটা আধা কেজি।
প্রণালি: 
মুরগি ৪ টুকরা করে কেটে ধুয়ে ২ টেবিল চামচ লবণ, আধা কাপ টক দই ও ১ কাপ পানি দিয়ে ভিজিয়ে রেখে দিন ১৫ মিনিট। এরপর দইয়ের মিশ্রণ থেকে তুলে নিন। ওই মাংসে আধা কাপ মিষ্টি দই, মরিচ গুঁড়া, আদা-রসুনের রস, গুঁড়া দুধ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া, কেওড়া জল, টমেটো সস, পোস্তদানা বাটা, বাদাম বাটা ও প্রয়োজনমতো লবণ দিয়ে মেখে ৩০ মিনিট ঢেকে রেখে দিন।

চাল ১০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে পানি ঝরিয়ে নিন। হাঁড়িতে চালের ৪ গুণ পানি দিয়ে ফুটিয়ে ভেজানো চাল ও প্রয়োজনমতো লবণ দিয়ে দিন। সঙ্গে আধা চা-চামচ শাহি জিরা ও এলাচ দারুচিনি
৪টি করে দিয়ে দিন। চাল প্রায় সেদ্ধ হয়ে এলে ছেঁকে ফ্যানের নিচে ছড়িয়ে দিন। চাল পুরোপুরি সেদ্ধ হবে না।
আলুগুলো আধা কাপ তেলে পরিমাণমতো লবণ দিয়ে ভেজে নিন। একটু পর ২ টেবিল চামচ বেরেস্তা ও ১ চা-চামচ চিনি দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন। যে পাত্রে বিরিয়ানি রাঁধবেন সেই পাত্রে প্রথমে মেরিনেট করা মাংস দিন। তার ওপর ভাজা আলু ও তেল দিন। মাওয়া ও বেরেস্তা ১ টেবিল চামচ চিনি দিয়ে ভেঙে আলুর ওপর ছড়িয়ে দিতে হবে। মাংসের ওপর রান্না চালগুলো বিছিয়ে দিয়ে তার ওপর ঘি ছড়িয়ে দিন। চালের মাঝে মাঝে আলু বোখারা গুঁজে দিন। বাকি আধা চা-চামচ, শাহি জিরা ও কেওড়া জল ছড়িয়ে দিন।
আধা কাপ দুধে কেশর ভিজিয়ে চালে ছড়িয়ে দিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন। আটা গুলিয়ে কাই বানিয়ে পাতিলের মুখ বন্ধ করে দিন। তবে একটি চায়ের চামচ দিয়ে ২টি জায়গায় ছোট ফাঁকা রাখুন। চুলায় তাওয়া বসিয়ে তার ওপর পাতিল বসিয়ে দিন। প্রথম ১০ মিনিট বেশি জ্বালে তারপর মৃদু আঁচে ১ ঘণ্টা চুলায় রেখে আঁচ বন্ধ করে দিন। এভাবে আরও ১৫ মিনিট চুলার ওপর রেখে নামিয়ে গরম-গরম পরিবেশন করুন।
ranna banna o beauty tips
কোর্মা বিরিয়ানি

কোর্মা বিরিয়ানি
উপকরণ: খাসির মাংস ছোট করে কাটা ১ কেজি, বাসমতি চাল আধা কেজি, টক দই আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ ধনে গুঁড়া ১ চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, ভাজা জিরা গুঁড়া ১ চা-চামচ, ছোট এলাচ ৪ টি, কিশমিশ সিকি কাপ, আলুবোখারা ৭/৮ টি, পুদিনা পাতা ২ টেবিল চামচ, ধনে পাতা ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ৫/৬ টি, শাহি জিরা আধা চা-চামচ, জর্দার রং সামান্য, সিরকা ১ টেবিল চামচ, ঘি-তেল দেড় কাপ, কেওড়া জল ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো। কোর্মার মসলা (ছোট এলাচ ৬ টি, বড় এলাচ ৩ টির বিচি, লবঙ্গ ৪ টি, সাদা গোলমরিচ ৬টি ও দারুচিনি ৪/৫টা। এই মসলাগুলো চুলার পাশে রেখে মচমচে করে গুঁড়া করে
নিতে হবে)।
প্রণালি: দই, আদা-রসুন বাটা, ধনে গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া ভাজা, জিরা, লবণ, সিকি কাপ তেল, ২ টেবিল চামচ ঘি,১ টেবিল চামচ কেওড়াজল ও কোর্মার মসলা অর্ধেক দিয়ে মাংস মেখে রাখুন। পাত্রের ১ কাপ তেল ও ঘি দিয়ে বেরেস্তা করে অর্ধেক তুলে নিন। বাকি অর্ধেক বেরেস্তার মধ্যে মাংস দিয়ে কোর্মার মতো রান্না করুন। নামানোর আগে বাকি অর্ধেক মসলা দিয়ে দিন।
চাল ২০ মিনিট ভিজিয়ে পানি ছেঁকে নিন। অন্য পাত্রে চালের ৪ গুণ গরম পানি করে তাতে কাঁচামরিচ ৫/৬ টি, এলাচ ৪/৫ টি, পুদিনাপাতা ২ টেবিল চামচ, ধনে পাতা ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, দারুচিনি ২/৩ টুকরা ও শাহি জিরা আধা চা-চামচ দিন। পানি ফুটে গেল ভেজানো চাল দিন। চাল আধা সেদ্ধ হলে নামিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
এবার বিরিয়ানি রান্নার পাত্রে ১ টেবিল চামচ ঘি ছড়িয়ে দিন। এবার কিছুটা আধা সেদ্ধ চাল ছড়িয়ে অর্ধেক পরিমাণ মাংস ঢেলে দিন। এর ওপর বেরেস্তা ও কিশমিশ ছড়িয়ে দিন। মাংসের ওপর আবার একইভাবে রান্না করা ভাত ও মাংসের স্তর সাজান। ওপরে আবার চাল দিন। এখানে ভাতের স্তর হবে তিনটি এবং মাংসের স্তর হবে দুটি। সবার ওপরে বাকি ঘি এবং দুধে ভেজানো কেওড়া ছড়িয়ে দিয়ে আলু বোখারা গুজে দিন। এবার ঢাকনা দিয়ে ২০ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

সাধারণ মুরগীর মাংসের ভিন্ন স্বাদ "চিকেন মিটবল কারি"

ranna banna o beauty tips
"চিকেন মিটবল কারি"
সেই একঘেয়ে মুরগীর কারি বা কোরমা কতক্ষণ আর ভালো লাগে? স্বাদ বদল চাইলে চলুন আজ জেনে নিই সুমনা সুমির একটি দারুণ রেসিপি। কেবল ভাত নয়, পোলাও বা যে কোন রুটি-পরোটার সাথেও পরিবেশন করতে পারবেন এই কারি। উৎসবের আয়োজনেও মানিয়ে যাবে চমৎকার।


মিটবল তৈরি

মুরগির কিমা ২কাপ
ডিমের সাদা অংশ ২টি
টমেটো সস ১ টেবিল চামচ
লেবুর রস ১টেবিল চামচ
লবণ ১চা চামচ
কর্নফ্লাওয়ার ১টেবিল চামচ
বিস্কুটের গুঁড়ো ১/৪কাপ (প্যানে ১ টেবিলচামচ তেল দিয়ে বিস্কুটের গুঁড়ো একটু ভেজে নিন)
পেঁয়াজ বেরেস্তা ১/৪কাপ
গরম মসলা গুঁড়ো ১চা চামচ
গোলমরিচ বাটা ১চা চামচ
মরিচ গুঁড়ো ১চা চামচ
আদা রসুন বাটা ১চা চামচ করে

    -বিটার দিয়ে কিমা, ডিম,লেবুর রস, সস ও কর্নফ্লাওয়ার ভাল করে ফেটে নিন।
    বাকি সব উপকরণ একসাথে ভাল করে মিশিয়ে নিন। হাতে তেল মেখে নিয়ে আঙ্গুল দিয়ে চেপে চেপে গোল করে বল বানিয়ে নিন।ফ্রিজে ১ঘন্টা রেখে দিন।

গ্রেভী তৈরি

তেল ১/২কাপ
পেঁয়াজ কুচি ১কাপ
লবণ ১চা চা
টকদই ১ টেবিল চামচ
এলাচ ৩টি, দারুচিনি ২টি, তেজ়পাতা ২টি
মরিচ, বাটা ১চা চামচ
গরম মসলা গুঁড়ো ১ চা চামচ
হলুদ বাটা ১চা চামচ
ধনে বাটা ১চা চামচ
কাচামরিচ ৩টি
আদা বাটা ১চা চামচ
রসুন বাটা ১চা চামচ
ভাজা জ়িরা, গুঁড়ো ১চা চামচ
ঘি ২ টেবিল চামচ
চিনি ১ চা চামচ

প্রণালি

    -কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ দিয়ে নরম করে ভেজে চুলা বন্ধ করে দিন। ব্লেন্ডারে নরম পেয়াজের সাথে ১/৪কাপ পানি দিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন।
    -এই মিশ্রনটি আবার কড়াইতে ঢেলে সব বাটা ও গুঁড়ো মসলা ,এলাচ, দারচিনি এবং তেজ়পাতা দিয়ে কষিয়ে নিন।
        -ফ্রিজ থেকে নামিয়ে মিটবল দিয়ে মসলার সাথে মিশিয়ে নিয়ে ১ মিনিট ঢেকে রান্না করুন।
        -মিটবলে ১কাপ পানি দিয়ে মিশিয়ে অল্প আছে ঢেকে ১৫ মিনিট রান্না করুন। বেশি নাড়া যাবেনা। কড়াই হাত দিয়ে ধরে নেড়ে দিন।
        -তেলের উপর উঠলে কাঁচা মরিচ,ঘি, চিনি ও ভাজা জিরা গুঁড়ো দিয়ে ২ মিনিট দমে রাখতে হবে।
        -চুলা বন্ধ করে ভাত, পোলাও বা রুটির সাথে পরিবেশন করুন।

রাইস কুকারে ভাপা কাচকি

ranna banna o beauty tips
রাইস কুকারে ভাপা কাচকি
এই শীতের মৌসুমে কিন্তু নতুন সবজি আর ধনেপাতা দিয়ে মাছ খেতে বেশ লাগে। গরম ভাতের সাথে কাচকি মাছের চচ্চড়ি, রসনা বিলাসে আর কিছু চাই কি? না, আজ কাচকির চচ্চড়ি নয়। বরং তৈরি হবে ভাপা কাচকি, তাও আবার রাইস কুকারে! চলুন, জেনে নিই বীথি জগলুলের রেসিপি।

যা প্রয়োজন

কাচকি মাছ- দেড় কাপ
পিয়াজ কুচি- ১/২ কাপ
কাঁচামরিচ ফালি- ১০-১২টি
আলু মিহি কুচি- ১টি বড়ো
হলুদ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
জিরা/মরিচ গুঁড়া- ১ চা চামচ করে
ধনেপাতা কুচি- ইচ্ছামতো
বাধাকপির পাতা- ৮-১০টি
সরিষার তেল- পরিমাণমতো
লবণ-স্বাদমতো

যেভাবে করবেন

    -মাছ বেছে ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। আলু খুব মিহি করে কুচি করে নিন, নয়তো গ্রেটারে গ্রেট করে নিন। বাধাকপির পাতা ফুটন্ত গরম পানিতে ভাপ দিয়ে নিন।
    -এবার একটি বাটিতে মাছ ও পাতা ছাড়া সব উপকরণ হাত দিয়ে খুব ভালোভাবে মাখিয়ে নিন। মাখানো হলে এরসাথে আলতো হাতে মাছ মিশিয়ে নিন যেন মাছ ভেঙে না যায়। মাছের এই মিশ্রণটি ৮-১০ ভাগে ভাগ করে পাতা দিয়ে মুড়িয়ে নিন। এবার একটি হাফ প্লেটে পাতায় মোড়ানো মাছের মিশ্রণ সাজিয়ে রাখুন।
    -রাইস কুকারের বাটিতে অল্প পানি দিয়ে ফুটতে নিন। পানি ফুটে উঠলে রাইস কুকারের ছিদ্রওয়ালা বাটির ওপর হাফ প্লেট বসিয়ে দিন। ১০ মিনিট হাই পাওয়ারে রাইস কুকার চালু রাখুন। ১০ মিনিট পর কুকার অফ করে দিন, কিন্তু ঢাকনা খুলবেন না। ১০ মিনিট পর ঢাকনা খুলে হাফ প্লেট বের করে নিন।
    -গরম সাদা ভাতের সাথে পরিবেশন করুন মজাদার ভাপা কাচকি।

মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৫

নাশতার আয়োজনে

ranna banna o beauty tips
কিমা কর্ন ফ্লেকস রোল
কিমা কর্ন ফ্লেকস রোল
উপকরণ: মাংসের কিমা ১ কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, লবণ ১ চা-চামচ, পাউরুটির গুঁড়া ও কর্ন ফ্লেকস পরিমাণমতো। গোলার জন্য ময়দা আধা কাপ, ডিম ১টা, লবণ স্বাদমতো, পানি পরিমাণমতো, শুকনা মরিচ আধা চা-চামচ।
প্রণালি: রোলের সব উপকরণ পরিমাণমতো পানি দিয়ে গোলা বানিয়ে নিন। কর্ন ফ্লেকস বাদে কিমার সঙ্গে বাকি সব উপকরণ মেখে নিন। হাত দিয়ে লম্বা লম্বা রোল বানিয়ে নিন। কর্ন ফ্লেকস হাত দিয়ে ভেঙে নিন। কিমার রোল গোলায় ডুবিয়ে কর্ন ফ্লেকসে গড়িয়ে নিন। ডুবোতেলে সোনালি করে ভেজে নিন। এবার হট সস দিয়ে গরম-গরম পরিবেশন করুন।

ranna banna o beauty tips
স্প্রিং বিফ
স্প্রিং বিফহান্টার বিফ
স্প্রিং বিফ
স্প্রিং বিফহান্টার বিফ
উপকরণ (ক): গরুর মাংস আধা কেজি গোটা টুকরা, সিরকা ৩ টেবিল চামচ, লেবুর রস ৩ টেবিল চামচ, ক্যারামেল (চুলায় পাত্রে চিনি ও পানি দিয়ে, পোড়া পোড়া করে ক্যারামেল বানিয়ে নিন) ১ টেবিল চামচ, খাওয়ার সোডা আধা চা-চামচ, লবণ ৩ টেবিল চামচ, বেকিং পাউডার আধা চা-চামচ।
প্রণালি: মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন, তারপর কাপড় দিয়ে মুছে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। একটি পাত্রে সিরকা, লেবুর রস, গুড় ও ক্যারামেল মিশিয়ে নিন। মাংসের টুকরার এপিঠ-ওপিঠ কাঁটাচামচ দিয়ে কেঁচে নিন। এবার মাংসে সিরকার মিশ্রণ মিশিয়ে ২৪ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখুন। মাংস যেন মিশ্রণে ডুবে থাকে। এবার ভালো করে ধুয়ে ডুবো পানিতে প্রায় ১ ঘণ্টা সেদ্ধ করুন। মাংস সেদ্ধ হলে নামিয়ে পানি ঝরিয়ে খোলা বাতাসে রেখে ঠান্ডা করে নিন। পাতলা শিটের মতো কেটে নিন।
উপকরণ (খ): হান্টার বিফ পাতলা টুকরা ১০-১২টি, ময়দা আধা কাপ, বেসন সিকি কাপ, বেকিং পাউডার ১ চা-চামচ, ডিম ১টি, গোলমরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, ঘি পরিমাণমতো, লবণ পরিমাণমতো, আলুভাজা পরিমাণমতো।
প্রণালি: ময়দা, বেসন, বেকিং পাউডার, ডিম, গোলমরিচ গুঁড়া ও লবণ সামান্য পানি দিয়ে মিশিয়ে ব্যাটার তৈরি করে নিন। মিশ্রণটা একটু ঘন হবে। এবার ফ্রাইপ্যানে ঘি দিন। গরম হলে মাংসের টুকরা ব্যাটারে ডুবিয়ে বাদামি করে ভেজে নিন। আলুভাজা দিয়ে পরিবেশন করুন।
ranna banna o beauty tips
পাঁচমিশালি নুডলস

পাঁচমিশালি নুডলস
উপকরণ: নুডলস ২ কাপ, চিংড়ি কুচি আধা কাপ, ডিম ২টি, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, পনির আধা কাপ, তেল ৬ টেবিল চামচ, ধনেপাতা পরিমাণমতো, লবণ পরিমাণমতো, সয়া সস ১ চা-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, নানা রকম সবজি হালকা
সেদ্ধ ১ কাপ।
প্রণালি: নুডলস সেদ্ধ করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন, খেয়াল রাখবেন যেন না ভাঙে। ডিম ওমলেট করে কুচি করে নিন। চুলায় পাত্রে তেল দিয়ে, পেঁয়াজ কুচি দিয়ে একটু নেড়ে নিন। এতে চিংড়ি কুচি দিয়ে কাঁচা মরিচ কুচি, সয়া সস ও লবণ দিন। ডিমের কুচি অর্ধেকটা দিন। এবার নুডলস দিয়ে নেড়েচেড়ে ধনেপাতা দিন। সবশেষে সবজি ও বাকি ডিমের কুচি দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন।
ranna banna o beauty tips
সবজির প্যানকেক

সবজির প্যানকেক
 উপকরণ: ময়দা ১ কাপ, ডিম ১টা, দুধ দেড় কাপ, ঝিঙে ১ কাপ (পাতলা কুচি), ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, বিচি ফেলা কাঁচা মরিচ কুচি পরিমাণমতো।
প্রণালি: বাটিতে দুধ ও ডিম বিট করে নিন। এরপর ময়দা, লবণ ও কাঁচা মরিচ দিয়ে বিট করে মসৃণ ডো বানিয়ে নিন। এতে ঝিঙে ও ধনেপাতা কুচি মিলিয়ে ঢেকে রেখে দিন। ১৫ মিনিট পরে ফ্রাইপ্যান চুলায় দিন। নরম কাপড়ে তেল একটু মেখে ফ্রাইপ্যানে বুলিয়ে নিন। প্যানকেক বানাতে বেশি তেল লাগবে না। এতে প্যানকেক একটা করে দিয়ে সেঁকে নিন। সব বানানো হয়ে গেলে ওপরে মুরগির টপিং দিয়ে পরিবেশন করুন।

মুরগির টপিং:
উপকরণ: সেদ্ধ মুরগির মাংসের কুচি ১ কাপ, চিনি আধা চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ২টা (বিচি বাদ দিয়ে কুচি করা), মেয়োনেজ আধা কাপ, লেবুর রস ২ চা-চামচ, লবণ আধা চা-চামচ। সব উপকরণ একসঙ্গে চামচ দিয়ে নেড়ে মিশিয়ে স্বাদ দেখে প্যানকেকের ওপরে দিয়ে পরিবেশন করুন।

সংগ্রহ ঃ প্রথম আলো


৭টি কৌশলে হয়ে উঠুন পারফেক্ট গৃহিণী

ranna banna o beauty tips
৭টি কৌশলে হয়ে উঠুন পারফেক্ট গৃহিণী
অনেকের ধারণা গৃহিণী হওয়া অনেক সহজ কাজ। যে কেউই ভাল গৃহিণী হতে পারেন। কিন্তু এটি আসলে ভীষণ ভুল ধারণা। একজন গৃহিণীকে অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয়, অনেক কিছু একসাথেই সামাল দিতে হয়।  একজন সুগৃহিণী সব সময় চাইবেন সঠিকভাবে তার পরিবার ও ঘর সামলাতে। কিন্তু নানা ঝামেলার কারণে ইচ্ছা থাকার সত্ত্বেও সব সময় সব কাজ করা ঠিকমত হয়ে উঠে না। যদি পারফেক্ট গৃহিণী হওয়ার কোন ফর্মুলা থাকতো তাহলে দারুন হতো, তাই না? ঠিক ফর্মুলা না হলেও কিছু কৌশলের কথা জানিয়েছে myshaadi, youngwifesguide. এবং virtuedigest থেকে।

১। মনস্থির করুন

“সবকিছুর আগে পরিবার তারপর আপনার অন্য কাজ”- এই কথাটি মনে গেঁথে নিন। তারপর আপনার সারাদিনের পরিকল্পনাগুলো করুন।

২। একটি লিস্ট তৈরি করুন 

প্রতিদিনকার কাজের লিস্ট তৈরি করে নিন। রান্না করা, পরিস্কার করা, কেনাকাটা এমনকি বাচ্চাদের ঘুরতে নিয়ে  যাওয়াসহ সকল কাজের  একটি লিস্ট তৈরি করে নিন। আপনার যদি নতুন বিয়ে হয়ে থাকে তবে, কী কী কাজ করতে হবে এবং কী কী কাজ আপনি শিখতে আগ্রহী তার একটি লিস্ট তৈরি করে নিতে পারেন। এটি আপনাকে কাজের  কথা মনে করিয়ে দেওয়ার সাথে সাথে আপনার কাজকে সুন্দরভাবে সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করবে। কাজের সময় নির্দিষ্ট করে নিতে পারেন। যেমন আপনি ঠিক করে রাখতে পারেন ১৫ মিনিটে শোবার ঘরটি গোছাবেন। এতে কাজ করা সহজ হবে সাথে সময় ম্যানেজ করা হয়ে যাবে।

৩। ঘর গোছানো

ঘর প্রতিনিয়ত আগোছালো হয়ে থাকে। বিশেষ করে যদি ঘরে বাচ্চা থাকে তবে তো কোন কথা নেই! বাচ্চা হোক বড় ঘর অনেক বেশি আগোছালো থাকে। আপনাকে ঘর কোন জিনিসটি কোথায় রাখবেন তা আগে পরিকল্পনা করে রাখুন। এছাড়া ঘর আগোছালো হলে দ্রুত গোছানোর চেষ্টা করুন। পরে করব বলে রেখে দিলে দেখা যাবে ঘরটি আর গোছানো হয়ে উঠছে না। 

৪। ঘর পরিষ্কার রাখা

ঘর সবসময় পরিষ্কার রাখুন। একজন মানুষের পক্ষে একা ঘর পরিস্কার করা কঠিন। তাই ঘর পরিষ্কার করতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাহায্য নিন। বয়স অনুযায়ী ঘরের সদস্যদের মধ্যে কাজ ভাগ করে দিন। ঘর পরিষ্কার করার সাথে সাথে ঘর সাজানোর দিকে লক্ষ্য রাখবেন। তবে খেয়াল রাখবেন ঘর যেন অতিরিক্ত সাজানো না হয়ে যায়।

৫। নিজেকে সময় দিন

সংসারের কাজ করতে করতে নিজের কথা ভুলে গেলে চলবে না। একজন পারফেক্ট গৃহিণী ঘরে সব কাজ করে নিজের জন্য কিছু সময় বের করে রাখেন। দিনে কিছুটা সময় নিজেকে দিন। ত্বকের যত্ন করুন বা চুলের যত্ন। সম্ভব হলে কোন পার্লারে গিয়ে ফেসিয়াল করে আসতে পারেন। মনে রাখবেন আপনি যদি সুস্থ সুন্দর থাকেন, তবে আপনার পরিবারও সুস্থ সুন্দর থাকবে। তারা আপনার উপর নির্ভরশীল।

৬। ইতিবাচক থাকুন

আপনি সব সময় ইতিবাচক মত পোষণ করুন। কারণ আপনার কাছ থেকে অন্যরা অনুপ্রাণিত হবে। তাই আপনাকে নেতিবাচক মনোভাব দূর করতে হবে।

৭। মজার কিছু রান্না জানুন

কথিত আছে ছেলেদের হৃদয়ের রাস্তা পেট দিয়ে যায়। এই কথাটি আপনার বর এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য। নতুন কিছু খাবারের রেসিপি শিখে নিন। এই খাবারগুলো তৈরি করে চমকে দিন প্রিয় মানুষদেরকে।

 একজন পারফেক্ট গৃহিণী হওয়া খুব কঠিন কিছু নয়। এর জন্য প্রয়োজন শুধু ইচ্ছা, পরিবারের প্রতি ভালোবাসা আর মমতা।

লম্বা ছুটিতে বেড়াতে যাওয়ার আগে যে ৯টি বিষয় লক্ষ্য করা প্রয়োজন

ranna banna o beauty tips
দীর্ঘ ছুটিতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে বেড়াতে যাওয়ার মজাই আলাদা। এই দিনটার জন্যই হয়তো অপেক্ষা করছেন অনেক দিন। কিন্তু বেড়াতে যাওয়ার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি হয়ে যাওয়ার পরও বাসার এমন কিছু বিষয় থাকে যা আবার চেক করে নেয়া উচিৎ। নাহলে বেড়ানোর আনন্দটাই মাটি হয়ে যেতে পারে যখন বাসায় ফিরে দেখবেন যে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটে গেছে। তাই আসুন কিছু টিপস জেনে নিই যেগুলো অনুসরণ করলে বেড়াতে যাওয়ার পরও আপনার বাড়ির সুরক্ষা নিশ্চিত থাকবে।

১। আপনার রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রা খুব বেশি বা খুব কম যেন না হয়। নষ্ট হয়ে যাওয়ার মত কোন দুধ জাতীয় খাবার থাকলে তা কাউকে দিয়ে দিন।

২। বাসার সব পানির কল গুলো ভালোভাবে বন্ধ করুন। যদি কোনটা ভুলে খোলা থাকে তাহলে বাসার জিনিসপত্র পানিতে ভেসে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৩। সমস্ত ইলেক্ট্রনিক্সের সুইচ বন্ধ করুন বা স্ট্যান্ড বাই মোডে রাখুন। টিভি ও  ডিভিডি প্লাগটি খুলে রাখুন।

৪। বাসার ঘড়িতে অ্যালার্ম দেয়া থাকলে সেটি বন্ধ করুন, নাহলে প্রতিবেশীদের সমস্যা হবে।

৫। আপনি ফিরে আসার আগেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে এমন কোন জিনিস থাকলে তা কাউকে দিয়ে দিন।

৬। পত্রিকার হকারকে তার বিল দিয়ে দিন এবং কিছুদিন পত্রিকা দিতে নিষেধ করুন অথবা প্রতিবেশীকে আপনার পত্রিকাটি রাখার কথা বলুন।

৭। আপনার আত্মীয়, প্রতিবেশী ও বন্ধুদের জানিয়ে যান এবং তাদের কাউকে বলুন আপনার বাসাটিকে দেখে রাখার জন্য।

৮। বাসার ভিতরে টাইমার সেট করে কম আলোর একটি ভাল্ব জালিয়ে রাখতে পারেন।

৯। সব বারান্দার দরজা ভালো করে বন্ধ করুন। বেরিয়ে যাওয়ার সময় বাহিরের দরজা ভালো ভালো বন্ধ করে তালা লাগান এবং চেক করুন ঠিক মত লেগেছে কিনা।

ওভেন ছাড়া ঘরে বসেই তৈরি করুন "সুস্বাদু চকলেট বাদাম বিস্কুট"

ranna banna o beauty tips
"সুস্বাদু চকলেট বাদাম বিস্কুট" 
উপকরণ:

১/২ কাপ মাখন

১/২ কাপ গুঁড়ো চিনি

১ চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স

২ টেবিল চামচ তরল দুধ

১/২ কাপ বা ৫-৬ টেবিল চামচ কাজুবাদাম কুচি

১ এবং ১/৪ কাপ ময়দা ( দেড় কাপ থেকে কিছুটা বেশি)

৩ টেবিল চামচ কোক পাউডার

১/২ চা চামচ বেকিং পাউডার

প্রণালী:

১। প্রথমে মাখন এবং চিনি ভাল করে মিশিয়ে নিন। যতক্ষন পর্যন্ত না ক্রিমি হচ্ছে, ততক্ষণ মিশিয়ে নিন।

২। তারপর এতে ভ্যানিলা এসেন্স এবং দুধ দিয়ে ভাল করে মিশান।

৩। এরপর এতে কাজুবাদাম কুচি দিয়ে দিন।

৪। এবার ময়দা, বেকিং পাউডার এবং কোক পাউডার ছাঁকনি দিয়ে চেলে চেলে মিশ্রণের সাথে মিশিয়ে নিন।

৫। খুব ভাল করে হাত দিয়ে ডো তৈরি করে নিন।

৬। ডোটি পাতলা সুতির কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে ৩০ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন। 

৭। এবার প্রেসার কুকারে দুই কাপ লবণ দিন।

৭। লবণের উপর এবার কুকারের প্লেটটি বা ওয়্যার স্ট্যান্ড দিয়ে ১০ মিনিট গরম করতে দিন। মনে রাখবেন প্রেশার কুকারের হুইসেলটা যেন খোলা থাকে। আপনি যদি ওভেনে বিস্কুট তৈরি করতে চান তবে ১৬০ সেন্ট্রিগ্রেডে ১০ মিনিট ওভেন গরম করতে দিন। 

৮। এবার ডোটি মোটা করে প্রায় ১/২ ইঞ্চি মোটা করে বেলে নিন।

৯। কাটার দিয়ে পছন্দ মত শেপের বিস্কুট কেটে নিন।

১০। বিস্কুটের উপর কাজুবাদাম কুচি ছিটিয়ে দিন। হালকা চাপ দিয়ে বাদাম কুচি বিস্কুটের উপর বসিয়ে দিন।

১১। এবার একটি ট্রে বা অ্যালুমিনিয়ামের প্লেটে কাগজ দিয়ে তার ওপর বিস্কুটগুলো দিন।

১২। এবার ট্রেটি মাঝারি আঁচে ১৫-১৮ মিনিটের জন্য প্রেসার কুকারে দিয়ে দিন।

১৩। ওভেনে ১৬০ সেণ্ট্রিগ্রেড সেলসিয়াসে ২০ মিনিটের জন্য বেক করতে হবে।

১৪। ব্যস তৈরি হয়ে গেল বেকারির মত চকো বাদাম বিস্কুট।

শীতের ফুলকপি দিয়ে অসাধারণ সুস্বাদু "ফুলকপির রোস্ট"

ranna banna o beauty tips
"ফুলকপির রোস্ট"
উপকরণ :
ফুলকপি বড় বড় টুকরো করে কাটা ১ টি
মটরশুটি ১ কাপ
নারকেল বাটা ৩ টে চামচ
কাজু বাটা ২ টে চামচ
টক দই ৫ টে চামচ
আদা বাটা ১ টে চামচ
দারুচিনি ১ টুকরা
এলাচ ৪ টি
তেজপাতা ১ টি
গরম মশলা গুঁড়ো ১/৪ চা চামচ
তেল ১/৪ কাপ
ঘি ৬ টে চামচ
মরিচ গুঁড়ো ১/২ চা চামচ
কাঁচা মরিচ ৪-৫ টি
চিনি ১ চা চামচ
লবণ পরিমান মত

প্রণালী :

    - ফুলকপি কেটে ধুয়ে তেলে হালকা করে ভেজে নিন। চাইলে গোটা ফুলকপির রোস্ট করতে পারেন।
    -এবার ওই তেলে ঘি দিয়ে দারুচিনি ,এলাচ ,তেজপাতা ফোড়ন দিয়ে গরম মশলা গুঁড়ো বাদে বাকি সব মশলা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন।
    -কষানো হলে ১ কাপ মত পানি দিন। পানি ফুটে উঠতেই ফুলকপি ও মটরশুটি দিয়ে তাপ কমিয়ে দিন।
    -ফুলকপি সেদ্ধ হয়ে মশলা গা মাখা হলে গরম মশলা গুঁড়ো ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।
    লুচি , পোলাও , ভাত , পরোটা সবকিছুর সাথেই ভীষণ ভালো লাগবে এই ফুলকপির রোস্ট।

সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৫

সম্পূর্ণ ভিন্নস্বাদের একটি রেসিপি "ফুলকপির টিক্কা মাসালা"

ranna banna o beauty tips
"ফুলকপির টিক্কা মাসালা"
বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পোলাওয়ের সাথে সবজি রাখা হয়। আজকাল বিয়ের অনুষ্ঠানেও পোলাও বিরিয়ানির সাথে সবজি রাখাটা রেওয়াজ হয়ে গেছে। অনুষ্ঠানের জন্য রান্না করা সবজিটি একটু ভিন্ন হয়ে থাকে। ঘরোয়া অনুষ্ঠানে পোলাওয়ের সাথে পরিবেশন করতে পারবেন এমন একটি সবজি হল ফুলকপি টিক্কা মাসালা। ফুলকপি দিয়ে তৈরি এই খাবারটি ভাত, পোলাও বা পরোটা সবকিছুর সাথে দারুন লাগে খেতে।

উপকরণ:

৩ কাপ ফুলকপি

২/৩ কাপ ক্যাপসিকাম

১/২ কাপ পেঁয়াজ কুচি

১ কাপ টকদই

১/২ চা চামচ গরম মশলা

১/২ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো

১/২ চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়ো

১ টেবিল চামচ কসরী মেথি পাতা (ইচ্ছা)

১ টেবিল চামচ লেবুর রস

লবণ

গ্রেভির জন্য

১ চা চামচ জিরা

১/২ চা চামচ মৌরি

১টি ছোট এলাচ

১টি বড় এলাচ

২-৩ টি দারুচিনি

২-৩ টি লং

১ টেবিল চামচ আদাকুচি

১ কাপ টমেটো পিউরি

১/২ চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়ো

২ চা চামচা ধনিয়া গুঁড়ো

১ চা চামচ জিরা গুঁড়ো

১ চা চামচ টমেটো কেচাপ

২ চা চামচ মধু

১ চা চামচ কর্ণ ফ্লাওয়ার

১/৪ কাপ ফ্রেশ ক্রিম

তেল

লবণ

১/৪ কাপ পানি

প্রণালী:

১। প্রথমে ফুলকপিগুলো ছোট ছোট টুকরা, ক্যাপসিকাম এবং পেঁয়াজ চারকোণা করে কেটে নিন।

২। এবার টকদই, গরম মশলা, হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, মেথি পাতা, লেবুর রস এবং লবণ দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন।

৩। এবার ফুলকপি, ক্যাপসিকাম, পেঁয়াজ পেস্টের সাথে ভাল করে মিশিয়ে ৩-৪ ঘণ্টা ফ্রিজে মেরিনেট জন্য রেখে দিন। 

৪। ৪ ঘণ্টার পর মেরিনেট করা সবজিগুলো বের করে নিন।

৫। এবার তেল গরম করে সবজিগুলো ভাজুন।

৬। প্যানে ঢাকনা দিয়ে কয়েক মিনিট রান্না করুন। বাদামী রং হয়ে এলে সবজিগুলো নামিয়ে ফেলুন।

৭। আরেকটি প্যানে তেল দিয়ে জিরা, মৌরি, ছোট এলাচ, বড় এলাচ, লং, দারুচিনি দিয়ে ভাজুন।

৮। তারপর এতে আদা কুচি দিয়ে ভাজুন। এরপর এতে টমেটো পিউরি দিয়ে রান্না করুন।

৯। টমেটো পিউরির পানি শুকিয়ে গেলে এতে মরিচ গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, ধনিয়া গুঁড়ো দিয়ে নাড়ুন।

১০। কিছুক্ষণ নাড়ার পর এতে টমেটো কেচাপ, মধু, কর্ণ ফ্লাওয়ার দিয়ে আবার কিছুক্ষণ রান্না করুন।

১১। গ্রেভি শুকিয়ে গেলে এতে পানি দিয়ে দিন।

১২। পানি শুকিয়ে তেল উঠে আসলে এতে লবণ দিয়ে আবার কিছুক্ষণ রান্না করুন।

১৩। এরপর এতে ক্রিম দিয়ে দিন।

১৪। বলক আসলে এতে সবজিগুলো দিয়ে দিন। সবজিগুলো ঢাকনা দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন। খুব বেশি সময় রান্না করবেন না।

১৫। ৫ মিনিট নামিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার ফুলকপি টিক্কা মশলা।

সুস্বাদু বিফ কালিয়া তৈরির একটি দারুণ রেসিপি

ranna banna o beauty tips
সুস্বাদু বিফ কালিয়া
গরুর মাংস নিঃসন্দেহে আমাদের দেশে ভীষণ জনপ্রিয়। আর তাই এই মাংস দিয়ে তৈরি হরেক রকম খাবারের রেসিপির জন্য আগ্রহী রাঁধুনিরাও। চলুন, আজ বীথি জগলুলের হেঁশেল থেকে জেনে নিই একটি ক্লাসিক রেসিপি "বিফ কালিয়া"।

যা প্রয়োজন
বীফ- ২ কেজি
টকদই- ১ কাপ
পিঁয়াজ কুচি- ১ কাপ
আদা বাটা- ২ টে চামচ
রসুন বাটা- ১ টে চামচ
মরিচ গুঁড়ো- ২ চা চামচ
ধনে গুঁড়ো- ৩ চা চামচ
হলুদ গুঁড়ো- ১ চা চামচ
গরম মশলা গুঁড়ো- ২ চা চামচ
জায়ফল/জয়ত্রি গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ
মৌরি বাটা- ২ টে চামচ
টমাটো পিউরি- ১/২ কাপ (টমাটো কুচি করে বেটে নেয়া)
আস্ত জিরা- ১ চা চামচ
আস্ত গরম মসলা- ইচ্ছা
তেজপাতা- ২টি
কেওড়া জল- ১/২ চা চামচ
ধনেপাতা- সাজানোর জন্যে
লবণ- স্বাদমতো
তেল- দেড় কাপ

যেভাবে করবেন

    -হাড় ছাড়া মাংস একটু বড়ো-বড়ো করে পিস করে পরিষ্কার করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। -টকদই, পিঁয়াজ কুচি, হলুদ-মরিচ-ধনে-জিরা গুঁড়ো, আদা-রসুন বাটা ও অর্ধেক তেল দিয়ে মাংস মাখিয়ে কমপক্ষে আধা ঘন্টার জন্যে রেখে দিন।
    -হাঁড়িতে বাকি তেল গরম করে আস্ত জিরা ও তেজপাতা ফোঁড়ন দিয়ে মাংস ঢেলে দিন। -লবণ মিশিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। মাঝে মাঝে নেড়ে দিন।
    -মাংস থেকে যে পানি বের হবে, তা প্রায় শুকিয়ে আসলে ঢাকনা খুলে টমাটো পিউরি ও মৌরি বাটা দিয়ে কষাতে থাকুন। কষাতে কষাতেই মাংস সেদ্ধ হয়ে যাবে।
    -আর যদি সেদ্ধ না হয় তবে পরিমাণমতো পানি দিন। আঁচ কমিয়ে দিন। মাংস কালো হয়ে তেল ছেড়ে আসলে কেওড়া জল, জায়ফল-জয়ত্রি গুঁড়া ও গরমমসলা গুঁড়া মিশিয়ে কিছুক্ষন দমে রেখে নামিয়ে ফেলুন।
    -সারভিং ডিশে বেড়ে ধনেপাতা দিয়ে সাজিয়ে নিন।

টিপস
আপনি যদি আলু দিতে চান, তাহলে ডুমো করে আলু কেটে আলাদা করে তেলে ভেজে তারপর দেবেন, টমাটো পিউরি দেয়ার পর। আলু দিলে একটু ঝোল ঝোল থাকতেই নামিয়ে ফেলতে হবে, কারণ ঠান্ডা হলে আলু পানি শোষন করে নেয়।

সকালের নাস্তায় মাত্র ১৫ মিনিটে মজাদার চাপটি পিঠা

ranna banna o beauty tips
সকালের নাস্তায় মাত্র ১৫ মিনিটে মজাদার চাপটি পিঠা
রুটি-ভাজি বা অন্য কোন কিছু তৈরির সময় নেই, এদিকে খেতে ইচ্ছা করছে সুস্বাদু কিছু? তাহলে এই শীতের সকালে হয়ে যাক সুস্বাদু একটি পিঠা। স্বাদে ঝাল, তৈরি করতে ভীষণ সহজ, আর গরম চায়ের সাথে অসাধারণ লাগে খেতে। চলুন, জানি সায়মা সুলতানার সহজ রেসিপিটি।

যা লাগবে
চাল বাটা বা চালের গুঁড়ি ১ কাপ
পেঁয়াজ কুচি ৪ টেবল চামচ
মরিচ কুচি ১ চা চামচ
ধনে পাতা কুচি ২ টেবল চামচ
আদা মিহি কুচি ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া হাফ চা চামচ
লবন স্বাদমত
পানি প্রয়োজনমত

প্রণালি

    -উপরের সব উপকরণ অল্প পানি দিয়ে এক সাথে মেখে নিয়ে গোলা তৈরি করুন। গোলাটা ঘন হবে কিন্তু, খুব বেশি পাতলা হবে না।
    -এখন তাওয়াতে হাল্কা তেল মাখিয়ে গরম তাওয়াতে মাখিয়ে রাখা গোলা দিয়ে পাতলা করে ছড়িয়ে দিন এবং ঢাকনা লাগিয়ে ঢেকে রাখুন কিছুক্ষণ ।
    -এবার ঢাকনা তুলে চাপটি উল্টে দিন, রাখুন আরও কিছুক্ষন । লাল লাল হয়ে আসলে নামিয়ে নিন ।

সকালে নাস্তায় কিনবা বিকেলে চা এর সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন ঝাল চাপটি পিঠা ।

বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৫

শীতে আর চুলের আগা ফাটা নয়

ranna banna o beauty tips
শীতে আর চুলের আগা ফাটা নয়
শীতের শুষ্ক হাওয়ায় ত্বকের সঙ্গে চুলও রুক্ষ্ম হয়ে যায়। ঝলমলে মসৃণ চুলগুলো হয়ে ওঠে নিষ্প্রাণ। কিছুদিন পর দেখা দেয় চুলের আগা ফাটার সমস্যা। বছরের অন্যান্য সময় এই সমস্যা একটু কমই দেখা দেয়। সেজন্য শীতের শুরুতেই চুলের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা জরুরি। আগেভাগেই নিতে পারেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।

- একটি ডিমের সঙ্গে এক চা চামচ মধু আর কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি চুলে লাগান। বিশেষ করে চুলের আগায় বেশি করে লাগাতে হবে। এবার ২০ মিনিট রেখে কোনো মাইল্ড শাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

- চুলে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। এক ঘণ্টা রেখে ধুয়ে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

- দুটি এভোক্যাডো নিন। এরপর ভালো করে মেশান। অল্প মধু নিন। আর পেস্ট বানিয়ে নিন। চুলে লাগান, বিশেষ করে চুলের আগায়। ২০ মিনিট পরে ধুয়ে নিন।

- শীতের শুরুতে একবার চুল ছাঁটতে পারেন। নিজের পছন্দমতো আকারে হালকা করেও চুল ছেটে নিলে আর ফাটার ভয় থাকে না।

- চুলের আগা ফাটা রোধ করার পাশাপাশি চুলের কোমলতা ধরে রাখতে সাহায্য করে হট টাওয়েল পদ্ধতি। প্রথমে চুলে ভালো করে তেল লাগান। গরমপানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে চিপে নিতে হবে। এবার এই তোয়ালে গরম থাকা অবস্থায় পুরো মাথায় জড়িয়ে ফেলুন। দশ মিনিট পর খুলে ফেলুন। এভাবে তিন থেকে চারবার করুন। এরপর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।

- অলিভ অয়েল চুলের জন্য খুবই উপকারী। চুলের গোড়ার সঙ্গে চুলের আগাতেও অলিভ অয়েল লাগিয়ে নিন। চুলের আগা ফাটার পরিমাণ কমে যাবে।

- চায়ের ঠাণ্ডা লিকার কন্ডিশনার হিসেবে খুবই ভালো। চুলের আগা ফাটা প্রতিরোধ করতেও এর জুড়ি নেই। একটি পাত্রে চায়ের লিকার নিয়ে চুলের আগা তাতে ডুবিয়ে রাখুন দশ মিনিট। এরপর চুল ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত চায়ের লিকার ব্যবহারে চুলের আগা ফাটা প্রতিরোধ হবে।

ভাপ ওঠা ভাতে বাহারি ভর্তা

শীতকাল মানেই ভাপ ওঠা সাদা ভাতে বাহারি ভর্তার সখ্য। সকালে রুটি খাওয়ার অভ্যাস থাকলেও শীতের সকালে অনেকেই ভর্তা দিয়ে ভাত খেতে পছন্দ করেন। এসময় বাজারে পাওয়া যায় হরেক রকম তাজা সবজি। ধনেপাতা, পুদিনাপাতাও থাকে তরতাজা। এসব উপকরণের মিশেলে তৈরি ভর্তাগুলো জিভে জল আনবে যে কারো। রঙ বেরঙের শীতকালীন সবজিগুলো যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিকর। তাই আজ শিখে নেয়া যাক তেমনি কিছু মজার ভর্তা বানানোর পদ্ধতি।
ranna banna o beauty tips
ভাপ ওঠা ভাতে বাহারি ভর্তা


আলু ডিম ভর্তা
ডিম ২ টা, ১ টা মাঝারি সাইজের আলু, ১ টা কাঁচামরিচ কুচি, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুচি ১ চা চামচ, লবণ পরিমানমতো।

যেভাবে করবেন
আলু ও ডিম সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে আলাদা ভাবে চটকে নিন। এবার পেঁয়াজকুচি, কাচামরিচ কুচি, আধা চা চামচ সরিষার তেল ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিতে হবে। তারপর সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে নিলেই তৈরি মজাদার আলু ডিম ভর্তা।

শিম-আলু-বেগুন ভর্তা
শিম ৮ থেকে ১০টি, মাঝারি আকারের বেগুন ১টা, মাঝারি আকারের আলু ৪টা, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ ৩ থেকে ৪ টা, সরিষার তেল ১ চা চামচ, ধনেপাতা কুচি ১ চা চামচ ও পরিমানমতো লবণ।

যেভাবে করবেন
শিম ও বেগুন একসঙ্গে ও আলু আলাদা সেদ্ধ করুন। আলু ও বেগুনের খোসা ছাড়িয়ে শিমসহ চটকে নিন। পেঁয়াজ কুচি ও শুকনা মরিচ অল্প তেলে ভেজে নিতে হবে। এবার সব উপকরণ একসঙ্গে করে ভালভাবে পাটায় পিষে মিশিয়ে নিন। হয়ে গেল শিম-আলু-বেগুন ভর্তা।

লাউপাতার ভর্তা
কচি লাউপাতা ১৫ থেকে ২০টি, পেঁয়াজ বাটা আধা কাপ, কাঁচামরিচ বাটা ২ চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, জিরা বাটা ২ চা চামচ, সরিষা বাটা ২ চা চামচ, সরিষার তেল সামান্য, হলুদ গুঁড়া সিকি চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি সিকি কাপ, লবণ পরিমাণমতো, কাঁচামরিচ কুচি সামান্য।

যেভাবে করবেন
লাউপাতা ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। কয়েকটি পাতা বিছিয়ে রাখতে হবে। এবার ওপরের সব মসলা একটি বাটিতে মেখে বিছানো পাতাগুলোর মধ্যে রাখতে হবে এবং পাতা মুড়ে দিতে হবে। এর সঙ্গে বাকি পাতা দিয়ে মুড়ে সুতা দিয়ে বেঁধে দিতে হবে, যাতে মসলা বের না হয়। এবার বসা ভাতের মধ্যে মসলা মোড়ানো লাউপাতা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ভাত হয়ে গেলে ভাত থেকে মসলা মোড়ানো পাতা বের করে নিতে হবে। এবার পাটায় বেটে বা হাত দিয়ে চটকে নিযে কাঁচা সরিষার তেল দিয়ে ভর্তা তৈরি করতে হবে। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন সুস্বাদু লাউপাতা ভর্তা।

টমেটো ভর্তা

টমেটো আধা কেজি, কাঁচামরিচ ৫ থেকে ৬টি, লবণ পরিমাণমতো, পিঁয়াজ কুচি সিকি কাপ, ধনেপাতা কুচি সিকি কাপ।

যেভাবে করবেন
টমেটো ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে নিন। চুলায় ফ্রাই প্যানে টমেটোগুলো দিয়ে ঢেকে দিন অল্প আঁচে। ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর উঠিয়ে দিন। টমেটো সেদ্ধ হয়ে গেলে ফ্রাই প্যান থেকে নামিয়ে নিন। এবার টমেটোগুলোর খোসা ছাড়িয়ে নিন। পাত্রে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, ধনেপাতা কুচি দিন। হাতে মেখে টমেটোগুলো তার সঙ্গে মিশিয়ে ভর্তা করে নিন। তৈরি হয়ে গেল চমৎকার টমেটো ভর্তা।

বাঁধাকপির মচমচে রোল

শীতের আগমনে বাজারে এসেছে নানা রকম তরতাজা সবজি। সবজি হিসেবে রান্না করে খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিকর। তাইতো এগুলো নানা ভাবে খাওয়ার বাহানা চলে। শীতের সময়টা আসলে সবজি দিয়ে তৈরি হয় মুখরোচক অনেক খাবার। বাড়ির সদস্যদের নতুন কিছুর স্বাদ দিতে রাধুনীরা তৈরি করে নেন নতুন সব রেসিপি। ঠিক তেমনি তৈরি হতে পারে বাঁধাকপির মচমচে রোল। আসুন তবে একনজরে দেখে নেয়া যাক।
ranna banna o beauty tips
বাঁধাকপির মচমচে রোল


যা যা লাগবে

বাঁধাকপির বড় পাতা ৮ থেকে ১০টি (ভাপ দেওয়া), রান্না করা কিমা ১ কাপ, ময়দা ১ কাপ, ডিম ১টি, ভাজার জন্য তেল।

কিমার উপকরণ

কিমা ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ কুচি ১ চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, হলুদ সামান্য, তেল ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, এলাচ ১টি, দারুচিনি ২ টুকরো।

যেভাবে করতে হবে

এবার কড়াইয়ে তেল দিয়ে পেঁয়াজ একটু ভেজে কিমা দিয়ে ভেজে সব মসলা দিয়ে কষাতে হবে। সামান্য পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নামানোর আগে ১ চা চামচ টমেটো সস দিয়ে নামিয়ে নিন। ময়দা, ডিম, একটু পানি ও লবণ দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে রাখুন আলাদা একটি বাটিতে। কপির একটি পাতা নিয়ে তার মধ্যে কিমার পুর ভরে রোল করুন। এবার ময়দার মিশ্রণে চুবিয়ে ডুবতেলে মচমচে করে ভেজে সস দিয়ে পরিবেশন। ব্যস হয়ে গেল বাঁধাকপির মচমচে রোল।

জলপাইয়ের বল আচার

চলছে টক স্বাদের জলপাইয়ের ভরা মৌসুম। ঠিক এই সময়টাতে প্রত্যেক আচার প্রেমী ব্যস্ত থাকেন নানা স্বাদের আর নানা ঢং এর আচার বানাতে। পাশাপাশি থাকা মা-চাচীদের মাঝে সুস্বাদু এসব আচার বানানোর মাঝে মৃদু প্রতিযোগিতাও চলে। কে কত প্রকার এবং কত মজার আচার বানাতে পারে তার পরখ হয়ে যায় অবসর সময়ে। তারপর খাওয়া চলে ভাজি, ভর্তা বা খিচুড়ির সঙ্গে। আপনি কেন পিছিয়ে থাকবেন জলপাইয়ের বল আচারের মজার স্বাদ নেয়া থেকে? তাই আজই শিখে নিন খুব সহজে জলপাইয়ের বল আচার বানানোর পদ্ধতি।  
ranna banna o beauty tips
জলপাইয়ের বল আচার


যা যা লাগবে

জলপাই ১ কেজি, সরিষা বাঁটা ৩ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, পাঁচ ফোড়ন ৩ টেবিল চামচ, সরিষার তেল আধা কেজি, গুড় বা চিনি ১ কাপ, রসুন বাটা আধা কাপ, ভিনেগার কোয়ার্টার কাপ, লবণ পরিমাণ মতো।

যেভাবে করবেন

প্রথমে জলপাইগুলো ধুয়ে তিন ফালি করে কেটে সেদ্ধ করে নিতে হবে। এবার কড়াইয়ে তেল গরম করে রসুন দিয়ে হালকা ভেজে সব মসলা দিয়ে দিন। তারপর গুড় বা চিনি দিয়ে ভালো করে নেড়ে জলপাইগুলো দিতে হবে। আঠালো হওয়া পর্যন্ত মাঝারি আঁচে জ্বালাতে হবে। তারপর ভিনেগার দিয়ে নেড়েচেড়ে নামিয়ে নিন। এবার হাতের তালুতে নিয়ে বিচিগুলো মাঝখানে দিয়ে গোল গোল করে বল বানিয়ে বোতলের ভেতর তেলে ডুবিয়ে রাখুন। ব্যাস হয়ে গেল জলপাইয়ের বল আচার। কেউ কেউ বাড়তি ঘ্রাণের জন্য ধনে পাতাও দিয়ে থাকেন।

মচমচে মজাদার মুরালি

স্কুল-কলেজ বা রাস্তার ধারে ভ্যানে এবং বাজারে কিনতে পাওয়া যায় মচমচে মুরালি। ছোট বাচ্চাদের এগুলো খুবই পছন্দের। বড়রাও বেশ মজা করে খান মুখরোচক মুরালি। খেতে মজাদার বলে বাজারে খোলামেলা বিক্রি মুরালিতে ধুলাবালির কথা চিন্তাই করি না। নিজেরা খাচ্ছি আবার বাচ্চাদেরও তা কিনে দিচ্ছি। অথচ আপনিও পারেন স্বাস্থ্যকর উপায়ে মুখরোচক মুরালি তৈরি করতে। তাতে থাকবে না কোনো রকম স্বাস্থ্য ঝুঁকি। তাই চটপট শিখে নিতে পারেন মুরালি তৈরির সহজ রেসিপি।
Ranna Banna o beauty tips
মচমচে মজাদার মুরালি


যা যা লাগবে

ময়দা ২৫০ গ্রাম, মসুরের ডাল মিহি করে বাটা ১০০ গ্রাম, লবণ সামান্য, চিনি ও পানি পরিমাণমতো এবং ভাজার জন্য তেল।


যেভাবে করবেন

একটি পাত্রে ময়দা, লবণ এবং দুই টেবিল চামচ তেল দিন। এতে বাটা মসুর ডাল দিয়ে আবার ভালো করে মেখে একটি শক্ত ডো তৈরি করুন। পরিমাণমতো পানি ও চিনি দিয়ে সিরা তৈরি করে রাখতে হাবে আলাদা একটি পাত্রে। মেখে রাখা আটা থেকে রুটির মতো বেলে লম্বা লম্বা করে কেটে নিন। এরপর ডুবো তেলে মচমচে করে ভেজে সিরায় দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে নামিয়ে আনতে হবে। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে পরিবেশন করুন মচমচে মুরালি।

বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৫

বসনিয়ান পরোটা

ranna banna o beauty tips
বসনিয়ান পরোটা
উপকরণ :
১. ২ কাপ ময়দা/ আটা,
২. ২ চা চামচ তেল,
৩. ১ চা চামচ চিনি,
৪. আধা কাপ দই,
৫. লবণ স্বাদমতো,
৬. ৩/৪ চা চামচ বেকিং পাউডার,
৭. তেল ভাজার জন্য।
 প্রণালি :
> প্রথমে ময়দা/আটা, বেকিং পাউডার, বেকিং সোডা, চিনি এবং লবণ একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর তেল দিয়ে একটু হাত দিয়ে ঝুর ঝুর করে মাখিয়ে নিন ময়দা।

> এরপর ময়দার মাঝে গর্ত করে এতে দই দিন এবং হাতে মেখে ডো তৈরি করে নিন ভালো করে। রুটি বেলার মতো করে নরম ডো তৈরি করবেন। যদি প্রয়োজন মনে করেন তাহলে আরও খানিকটা ময়দা নিতে পারেন কিংবা প্রয়োজনে সামান্য দুধ ব্যবহার করতে পারেন। পানি ব্যবহার করবেন না।

> এরপর ডো তৈরি করে একটি তেল মাখানো পাত্রে বা বক্সে ঢাকনা লাগিয়ে গরম স্থানে ২ ঘণ্টা রেখে দিন।

> ২ ঘণ্টা পর ডো থেকে অল্প করে নিয়ে গোল বল তৈরি করে রুটি বেলার মতো করে বেলে নিন। তবে সাধারণ রুটির চাইতে একটু মোটা করে বেলে নেবেন।

> ব্যস, এবারে পরোটা যেভাবে হালকা তেলে ভাজেন সেভাবেই ভেজে নিন প্রতিটি পরোটা। এবং মাংসের সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন সুস্বাদু এই বসনিয়ান পরোটা।

রেসিপি : প্রিয়.কম

সোমবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৫

সুস্বাদু "ঢাকাই ভেলপুরি"

ranna banna o beauty tips
সুস্বাদু "ঢাকাই ভেলপুরি"
রাস্তাঘাটে সস্তা দরের ভেলপুরি আমরা সকলেই খেয়েছি। হোক অস্বাস্থ্যকর, কিন্তু এর স্বাদের কাছে হার মানে সবাই।  তবে একটু চেষ্টা করলেই কিন্তু মজাদার এই খাবারটি বাড়িতেই তৈরি করে ফেলতে পারবেন খুব সহজে। চলুন, আজ তাহলে জেনে নিই আতিয়া আমজাদের "ঢাকাই ভেলপুরি" তৈরির একটি পারফেক্ট রেসিপি।

পুরি তৈরির উপকরণ
সুজি ১ কাপ
ময়দা/আটা ১ কাপ
লবণ আধা চা চামচ বা স্বাদ মতো
পানি ১ কাপ বা পরিমাণ মতো
কালো জিরা ১ চিমটি (ইচ্ছা)
তেল ১ কাপ (ভাজার জন্য)

প্রণালি

    -ময়দা/আটা, সুজি , কালো জিরা ও লবণ মিশিয়ে একটু একটু করে পানি ঢেলে রুটি বানানোর মতো করে কাই বানাতে হবে এবং পাতলা ভেজা নরম কাপর দিয়ে কাইটা ৩০ মিনিট ঢেকে রাখুন।
    -এরপর আধা ইন্চি পুরু করে রুটি বানাতে হবে বড় করে। এবার বিস্কিট কাটার বা ছোট কোনো স্টিলের গ্লাসের সাহায্যে গোল গোল করে পুরি কেটে নিতে হবে অথবা সরাসরি পিরিতে পছন্দসই সাইজ মতো বেলেও নিতে পারেন।
    -কাঁটা চামচের সাহায্যে পুরিগুলো কয়েকটা ছিদ্র করে ফ্যানের নিচে ৩০ মিনিট শুকাতে দিন।
    -তেল গরম করে সোনালি করে ডুবে তেলে ভেজে নিন পুরিগুলো। তেল ঝরিয়ে টিস্যু পেপারের ওপর রাখুন এতে বাড়তি তেল সরে যাবে।

পুর তৈরীর উপকরণ
ডাবলী বুট  ১কাপ (সিদ্ধ করে নিতে হবে)
আলু ২/৩ টি(সিদ্ধ করে নিতে হবে)
লবণ আধা চা চামচ
বিট লবন আধা চা চামচ বা পরিমান মতো
কাঁচা মরিচ কুচি ১ টে চামচ
শুকনা মরিচ টেলে হাতে গুঁড়ো করে নিতে হবে ১-২ টি
ভাজা জিরা গুঁড়ো আধা চা চামচ
শশা কুচি আধা কাপ
পিঁয়াজ কুচি ২-৩ টে চামচ
ধনে পাতা কুচি ২ টে চামচ
লেবুর রস বা তেতুল গোলা পানি ১ চা চামচ

প্রণালি

    -আগে ডাল ও আলু ভালো করে মাখিয়ে পরে বাকি উপাদান মিশিয়ে নিন।
    -এবার পুরির উপর একটু একটু করে পুর সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

শীতের আমেজ নিয়ে ভিন্ন স্বাদের "ক্রিম অফ টমেটো স্যুপ"

ranna banna o beauty tips
"ক্রিম অফ টমেটো স্যুপ"
সোয়েটার পরার মতো শীত এখনো আসেনি বটে, কিন্তু সন্ধ্যার দিকটায় হিমেল হাওয়ায় শরীরে কাঁটা দেয় বৈ কি। তখন কাঁপুনি দূর করতে চা-কফির কাপটাই সম্বল। কেমন হয় যদি এ সময়ে খাওয়া যায় আরও মজাদার কিছু? জেনে নিন এমন হালকা শীতের জন্য চমৎকার একটি স্যুপের রেসিপি। মাখন আর ক্রিমে ভরপুর এই স্যুপ ভেতর থেকে চাঙ্গা করে তুলবে আপনাকে। আধা ঘন্টা থেকে ৪০ মিনিটের মাঝে তৈরি হয়ে যাবে এই স্যুপ।
উপকরণ (২ জনকে পরিবেশনের জন্য)

    -   চার কাপ কুচি করা টমেটো
    -   একটা তেজপাতা
    -   তিনটি গোলমরিচ
    -   দেড় টেবিল চামচ মাখন
    -   এক টেবিল চামচ ময়দা
    -   সিকি কাপ টমেটো কেচাপ
    -   দুই চা চামচ চিনি
    -   লবণ ও গোলমরিচ গুঁড়ো স্বাদমতো
    -   দেড় টেবিল চামচ ফ্রেশ ক্রিম
    -   গার্নিশের জন্য দুই চা চামচ ফ্রেশ ক্রিম (ইচ্ছে হলে দিতে পারেন)
    -   সিকি কাপ ব্রেড ক্রুটন (ইচ্ছে হলে দিতে পারেন)

প্রণালী

১) একটা বড় পাত্রে পানি নিয়ে তাতে টমেটো কুচি দিন। এতে তেজপাতা এবং গোলমরিচ দিয়ে সেদ্ধ হতে দিন। মাঝে মাঝে নেড়ে দিন। ৮-১০ মিনিটে সেদ্ধ হয়ে আসবে টমেটো।

২) তেজপাতা ফেলে দিন। টমেটো ঠাণ্ডা হয়ে গেলে মিহি করে ব্লেন্ড করে নিন। এটাকে ছেঁকে নিয়ে আলাদা করে রাখুন।

৩) একটা নন স্টিক সসপ্যানে মাখন গলিয়ে নিন। এতে ময়দাটা দিয়ে মাঝারি আঁচে নেড়েচেড়ে সাঁতলে নিন এক মিনিট।

৪) এতে টমেটোর মিশ্রণ, এক কাপ পানি, টমেটো সস দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে রান্না করুন এক মিনিট।

৫) চিনি, লবণ, গোলমরিচ গুঁড়ো এবং ফ্রেশ ক্রিম মিশিয়ে রান্না করুন ২ মিনিট। মাঝে মাঝে নাড়ুন। সবকিছু ভালোভাবে মিশে গেলে নামিয়ে নিন।

তৈরি হয়ে গেলো দারুণ ক্রিমি, মুখরোচক স্যুপটি। এবার একে পরিবেশন করতে পারেন ওপরে ফ্রেশ ক্রিম এবং ব্রেড ক্রুটন দিয়ে। টোস্ট করা পাউরুটি দিয়েও পরিবেশন করতে পারেন।

দোসার জন্য মজাদার "পুর" তৈরি করার দারুণ সহজ রেসিপি

ranna banna o beauty tips
দোসার জন্য মজাদার "পুর" তৈরি করার দারুণ সহজ রেসিপি
রেস্টুরেন্টে দোসা খেতে গিয়ে খেয়াল করে থাকবেন বোধহয়, সুন্দর করে রোল করা দোসার ভেতর থেকে উঁকি দিচ্ছে আলুর একটা তরকারি। এই খাবারটা দোসার সাথে খেতে দারুণ লাগে। আর এটা তৈরি করার কাজটা দোসা তৈরির মতো কঠিন নয় মোটেও! জেনে নিন খুব সহজে আলু দিয়ে দোসার এই পুর তৈরি করার রেসিপিটি। সাথে ভিডিও তো রইলোই।
উপকরণ

    -   ৫টা মাঝারি মাপের আলু, সেদ্ধ করে চামড়া ছাড়ানো
    -   ২ টেবিল চামচ তেল
    -   ১ চা চামচ সরিষা
    -   এক চা চামচ জিরা
    -   এক চিমটি হিং
    -   এক চা চামচ মাষকলাই ডাল
    -   ৪/৬টা কারি পাতা
    -   ৩টা কাঁচামরিচ, মাঝখানে ফাঁড়া
    -   ৩টা মাঝারি পিঁয়াজ, ফালি করা
    -   লবন স্বাদমতো
    -   ১ চা চামচ চিনি
    -   আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
    -   ২ টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচানো

প্রণালী

১) নন-স্টিক প্যানে তেল গরম করে নিন। এতে সরিষা দানা এবং জিরা দিয়ে দিন। সরিষাগুলো ফুটতে শুরু করলে এতে হিং এবং মাষকলাই দিয়ে দিন। মাষকলাইয়ের রঙ বাদামি হয়ে এলে এতে কারি পাতা, কাঁচামরিচ এবং পিঁয়াজ দিয়ে দিন। এর সাথে দিয়ে দিন এক চিমটি লবন এবং চিনি। ভালো করে মিশিয়ে ভাজুন যতক্ষণ না পিঁয়াজে সোনালি রঙ ধরে।

২) এই ফাঁকে আলুগুলোকে হালকা ভর্তা করে রাখুন।

৩) পিঁয়াজ সোনালি হয়ে এলে এতে আলু, হলুদ গুঁড়ো এবং ধনেপাতার অর্ধেকটা দিয়ে দিন। ভালো করে মেশান।

৪) ওপরে একটু পানি ছিটিয়ে মিশিয়ে ফেলুন। জ্বাল কমিয়ে ঢেকে রান্না করুন দুই থেকে তিন মিনিট।

তৈরি হয়ে গেলো দোসার সাথে পরিবেশনের জন্য আলুর পুর। ওপরে বাকি ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দোসার সাথে পরিবেশন করে ফেলুন গরম গরম।

খুব সহজে ঘরে তৈরি করে ফেলুন দারুণ "পনির"

ranna banna o beauty tips
খুব সহজে ঘরে তৈরি করে ফেলুন দারুণ "পনির"
পনির বিভিন্ন খাবারে ব্যবহার করা হয়। পনির সমুচা, পনির টিক্কা, পালং পনির আরও কত মজাদার খাবারই না তৈরি করা যায় পনির দিয়ে। বাজার থেকে কেনা পনির স্বাস্থ্যকর নয়। আবার সব সময় বাজার থেকে পনির কিনে আনাও সম্ভব হয় না। তাই বাসায় তৈরি করে ফেলতে পারেন দোকানের মত পনির। খুব সহজে অল্প উপাদান দিয়ে বাসায় পনির তৈরি করে নিন।

উপকরণ:

৮ কাপ দুধ

১/৪ কাপ লেবুর রস

একটি পাতলা সুতির কাপড়

প্রণালী:

১। প্রথমে একটি প্যানে দুধ জ্বাল হতে দিন।

২। দুধ বলক আসলে চামচ দিয়ে দুধ নাড়তে থাকুন। যাতে দুধ প্যানের নিচে না লাগে।

৩। দুধ ঘন হয়ে আসলে এতে লেবুর রস দিয়ে দিন।

৪। লেবুর রস দিয়ে দুধ নাড়তে থাকুন।

৫। দুধ ছানা হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন।

৬। এবার একটি পাতলা কাপড়ে দুধ ছেঁকে পানি আর ছানা আলাদা করে ফেলুন।

৭। এমনভাবে পানি ছেঁকে ফেলবেন যাতে ছানাতে একটুও পানি না থাকে।

৮। ছানা পানি শূন্য করার জন্য পনিরের কাপড়টির ওপর একটি পানি ভর্তি বাটি দিয়ে ৩০ মিনিট চাপা দিয়ে রাখুন।

৯। ৩০ মিনিট পর কাপড়টি খুলে পনিরটি বের করে নিন।

১০। এবার পনিরগুলো কেটে আপনার পছন্দ মত আকৃতি করে নিন।

টিপস

লেবুর রসের পরিবর্তে ভিনেগার ব্যবহার করতে পারেন।

রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৫

ব্ল্যাক ফরেস্ট কেক উইথ চকলেট মিরর গ্লেজ

ব্ল্যাক ফরেস্ট কেক উইথ চকলেট মিরর গ্লেজ
ব্ল্যাক ফরেস্ট কেকের উপকরণ :
১. ডিম ৩ টি,
২. চিনি ৬ টেবল চামচ (একটু ব্লেন্ড করে নিন),
৩. ময়দা ১/২ কাপ,
৪. বেকিং পাউডার ১ চা চামচ,
৫. কোকো পাউডার ২ টেবল চামচ,
৬. চেরী সিরাপ ১/২ কাপ (ব্রাশ করার জন্য)।

প্রণালি :
> ময়দা, বেকিং পাউডার ও কোকো পাউডার একসাথে চেলে পাশে রাখুন।

> এবার একটি বোলে ডিমের সাদা ভালোভাবে বিট করে ফোম করুন। ফোম হলে অল্প অল্প করে চিনি মেশান। সব চিনি মেশানো হলে ডিমের কুসুম একটি একটি করে মেশান।

> এবার বিটার বাদ দিয়ে রাবারের চামচ দিয়ে ময়দার মিশ্রণ এক টেবল চামচ করে করে হালকা হাতে মেশান।

> এখন এক পাউন্ডের কেকের প্যান মাখন বা তেল ব্রাশ করে উপরে ময়দা বা কোকো পাউডার ছিটিয়ে ১৫০ ডিগ্রী প্রিহিট ওভেনে ৪০ মিনিট বেক করুন, কেকের ভেতর কাঠি ঢুকিয়ে দেখে নিন কাঠিটি পরিষ্কার বের হয়ে আসে কি না।

> কেক হয়ে গেলে ঠান্ডা করে ফ্রিজে রাখুন চার -পাঁচ ঘন্টা. এরপর বের করে ধারালো ছুরি দিয়ে মাঝ বরাবর অথবা আড়াআড়ি তিন ভাগ করে কেটে নিন।

> আলাদা আলাদা প্লেটে রেখে চেরী সিরাপ দিয়ে ব্রাশ করে প্রতি লেয়ারে হুইপড ক্রিম অথবা বাটারক্রিম লাগিয়ে (ব্ল্যাক ফরেস্টে সাধারণত হুইপ ক্রিম লাগায়) একটির উপর একটি বসিয়ে দিন. এবার কেকের উপর চকলেট মিরর গ্লেজ ঢেলে পাশ থেকে চকলেট কুচি লাগিয়ে পরিবেশন করুন।

চকলেট মিরর গ্লেজ তৈরির উপকরণ :
১. জিলেটিন ১০ গ্রাম,
২. চিনি ৩/৪ কাপ ও এক টেবল চামচ,
৩. পানি আধা কাপের সামান্য কম,
৪. কোকো পাউডার উঁচু উঁচু আধা কাপ,
৫. হেভি ক্রিম ৬৫ গ্রাম,
৬. ডার্ক চকলেট ৫০ গ্রাম।

প্রণালি :
> একটি ছোট পাত্রে ১/৪ কাপ পানিতে জিলেটিন দশ মিনিট বা ব্যবহার করার আগ পর্যন্ত ভিজিয়ে রাখুন।

> পানি ও চিনি একসাথে মিলিয়ে জ্বাল দিন। এক থেকে দুই বলক উঠলে নামিয়ে দিন।

> এবার চকলেট (কুচি কুচি করে কেটে রাখুন প্রথমেই) গরম শিরার মধ্যে দিয়ে অনবরত নাড়তে থাকুন। গলে গেলে থামুন।

> এখন কোকো পাউডার ও ক্রিম দিয়ে নাড়তে থাকুন।

> এবার ভেজানো জিলেটিন দিয়ে নেড়ে ভালোভাবে মেশান।

> হ্যান্ড কফি ব্লেন্ডার বা সাধরণ ব্লেন্ডার দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে পরিষ্কার ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে আবার ব্লেন্ড করে আবার ছেঁকে নিন।

> এটা রুম টেম্পারেচারে এনে কেকের উপরে ঢেলে দিয়ে ফ্রিজে সারারাত রাখুন, পরিবেশনের আগ পর্যন্ত।

* টিপস :
> বাজারে যে হুইপ ক্রিম পাওয়া যায় সেগুলো প্যাকেটের নির্দেশ অনুযায়ী একবারে সব দুধ মেশাবেন না, অল্প অল্প করে মেশাবেন।


রেসিপি : সাদিয়া খান চৌধুরী, প্রিয়.কম

 

Copyright @ 2013 রান্না-বাণ্ণা ও বিউটি টিপস.