সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৫

সম্পূর্ণ ভিন্নস্বাদের একটি রেসিপি "ফুলকপির টিক্কা মাসালা"

ranna banna o beauty tips
"ফুলকপির টিক্কা মাসালা"
বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পোলাওয়ের সাথে সবজি রাখা হয়। আজকাল বিয়ের অনুষ্ঠানেও পোলাও বিরিয়ানির সাথে সবজি রাখাটা রেওয়াজ হয়ে গেছে। অনুষ্ঠানের জন্য রান্না করা সবজিটি একটু ভিন্ন হয়ে থাকে। ঘরোয়া অনুষ্ঠানে পোলাওয়ের সাথে পরিবেশন করতে পারবেন এমন একটি সবজি হল ফুলকপি টিক্কা মাসালা। ফুলকপি দিয়ে তৈরি এই খাবারটি ভাত, পোলাও বা পরোটা সবকিছুর সাথে দারুন লাগে খেতে।

উপকরণ:

৩ কাপ ফুলকপি

২/৩ কাপ ক্যাপসিকাম

১/২ কাপ পেঁয়াজ কুচি

১ কাপ টকদই

১/২ চা চামচ গরম মশলা

১/২ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো

১/২ চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়ো

১ টেবিল চামচ কসরী মেথি পাতা (ইচ্ছা)

১ টেবিল চামচ লেবুর রস

লবণ

গ্রেভির জন্য

১ চা চামচ জিরা

১/২ চা চামচ মৌরি

১টি ছোট এলাচ

১টি বড় এলাচ

২-৩ টি দারুচিনি

২-৩ টি লং

১ টেবিল চামচ আদাকুচি

১ কাপ টমেটো পিউরি

১/২ চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়ো

২ চা চামচা ধনিয়া গুঁড়ো

১ চা চামচ জিরা গুঁড়ো

১ চা চামচ টমেটো কেচাপ

২ চা চামচ মধু

১ চা চামচ কর্ণ ফ্লাওয়ার

১/৪ কাপ ফ্রেশ ক্রিম

তেল

লবণ

১/৪ কাপ পানি

প্রণালী:

১। প্রথমে ফুলকপিগুলো ছোট ছোট টুকরা, ক্যাপসিকাম এবং পেঁয়াজ চারকোণা করে কেটে নিন।

২। এবার টকদই, গরম মশলা, হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, মেথি পাতা, লেবুর রস এবং লবণ দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন।

৩। এবার ফুলকপি, ক্যাপসিকাম, পেঁয়াজ পেস্টের সাথে ভাল করে মিশিয়ে ৩-৪ ঘণ্টা ফ্রিজে মেরিনেট জন্য রেখে দিন। 

৪। ৪ ঘণ্টার পর মেরিনেট করা সবজিগুলো বের করে নিন।

৫। এবার তেল গরম করে সবজিগুলো ভাজুন।

৬। প্যানে ঢাকনা দিয়ে কয়েক মিনিট রান্না করুন। বাদামী রং হয়ে এলে সবজিগুলো নামিয়ে ফেলুন।

৭। আরেকটি প্যানে তেল দিয়ে জিরা, মৌরি, ছোট এলাচ, বড় এলাচ, লং, দারুচিনি দিয়ে ভাজুন।

৮। তারপর এতে আদা কুচি দিয়ে ভাজুন। এরপর এতে টমেটো পিউরি দিয়ে রান্না করুন।

৯। টমেটো পিউরির পানি শুকিয়ে গেলে এতে মরিচ গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, ধনিয়া গুঁড়ো দিয়ে নাড়ুন।

১০। কিছুক্ষণ নাড়ার পর এতে টমেটো কেচাপ, মধু, কর্ণ ফ্লাওয়ার দিয়ে আবার কিছুক্ষণ রান্না করুন।

১১। গ্রেভি শুকিয়ে গেলে এতে পানি দিয়ে দিন।

১২। পানি শুকিয়ে তেল উঠে আসলে এতে লবণ দিয়ে আবার কিছুক্ষণ রান্না করুন।

১৩। এরপর এতে ক্রিম দিয়ে দিন।

১৪। বলক আসলে এতে সবজিগুলো দিয়ে দিন। সবজিগুলো ঢাকনা দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন। খুব বেশি সময় রান্না করবেন না।

১৫। ৫ মিনিট নামিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার ফুলকপি টিক্কা মশলা।

সুস্বাদু বিফ কালিয়া তৈরির একটি দারুণ রেসিপি

ranna banna o beauty tips
সুস্বাদু বিফ কালিয়া
গরুর মাংস নিঃসন্দেহে আমাদের দেশে ভীষণ জনপ্রিয়। আর তাই এই মাংস দিয়ে তৈরি হরেক রকম খাবারের রেসিপির জন্য আগ্রহী রাঁধুনিরাও। চলুন, আজ বীথি জগলুলের হেঁশেল থেকে জেনে নিই একটি ক্লাসিক রেসিপি "বিফ কালিয়া"।

যা প্রয়োজন
বীফ- ২ কেজি
টকদই- ১ কাপ
পিঁয়াজ কুচি- ১ কাপ
আদা বাটা- ২ টে চামচ
রসুন বাটা- ১ টে চামচ
মরিচ গুঁড়ো- ২ চা চামচ
ধনে গুঁড়ো- ৩ চা চামচ
হলুদ গুঁড়ো- ১ চা চামচ
গরম মশলা গুঁড়ো- ২ চা চামচ
জায়ফল/জয়ত্রি গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ
মৌরি বাটা- ২ টে চামচ
টমাটো পিউরি- ১/২ কাপ (টমাটো কুচি করে বেটে নেয়া)
আস্ত জিরা- ১ চা চামচ
আস্ত গরম মসলা- ইচ্ছা
তেজপাতা- ২টি
কেওড়া জল- ১/২ চা চামচ
ধনেপাতা- সাজানোর জন্যে
লবণ- স্বাদমতো
তেল- দেড় কাপ

যেভাবে করবেন

    -হাড় ছাড়া মাংস একটু বড়ো-বড়ো করে পিস করে পরিষ্কার করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। -টকদই, পিঁয়াজ কুচি, হলুদ-মরিচ-ধনে-জিরা গুঁড়ো, আদা-রসুন বাটা ও অর্ধেক তেল দিয়ে মাংস মাখিয়ে কমপক্ষে আধা ঘন্টার জন্যে রেখে দিন।
    -হাঁড়িতে বাকি তেল গরম করে আস্ত জিরা ও তেজপাতা ফোঁড়ন দিয়ে মাংস ঢেলে দিন। -লবণ মিশিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। মাঝে মাঝে নেড়ে দিন।
    -মাংস থেকে যে পানি বের হবে, তা প্রায় শুকিয়ে আসলে ঢাকনা খুলে টমাটো পিউরি ও মৌরি বাটা দিয়ে কষাতে থাকুন। কষাতে কষাতেই মাংস সেদ্ধ হয়ে যাবে।
    -আর যদি সেদ্ধ না হয় তবে পরিমাণমতো পানি দিন। আঁচ কমিয়ে দিন। মাংস কালো হয়ে তেল ছেড়ে আসলে কেওড়া জল, জায়ফল-জয়ত্রি গুঁড়া ও গরমমসলা গুঁড়া মিশিয়ে কিছুক্ষন দমে রেখে নামিয়ে ফেলুন।
    -সারভিং ডিশে বেড়ে ধনেপাতা দিয়ে সাজিয়ে নিন।

টিপস
আপনি যদি আলু দিতে চান, তাহলে ডুমো করে আলু কেটে আলাদা করে তেলে ভেজে তারপর দেবেন, টমাটো পিউরি দেয়ার পর। আলু দিলে একটু ঝোল ঝোল থাকতেই নামিয়ে ফেলতে হবে, কারণ ঠান্ডা হলে আলু পানি শোষন করে নেয়।

সকালের নাস্তায় মাত্র ১৫ মিনিটে মজাদার চাপটি পিঠা

ranna banna o beauty tips
সকালের নাস্তায় মাত্র ১৫ মিনিটে মজাদার চাপটি পিঠা
রুটি-ভাজি বা অন্য কোন কিছু তৈরির সময় নেই, এদিকে খেতে ইচ্ছা করছে সুস্বাদু কিছু? তাহলে এই শীতের সকালে হয়ে যাক সুস্বাদু একটি পিঠা। স্বাদে ঝাল, তৈরি করতে ভীষণ সহজ, আর গরম চায়ের সাথে অসাধারণ লাগে খেতে। চলুন, জানি সায়মা সুলতানার সহজ রেসিপিটি।

যা লাগবে
চাল বাটা বা চালের গুঁড়ি ১ কাপ
পেঁয়াজ কুচি ৪ টেবল চামচ
মরিচ কুচি ১ চা চামচ
ধনে পাতা কুচি ২ টেবল চামচ
আদা মিহি কুচি ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া হাফ চা চামচ
লবন স্বাদমত
পানি প্রয়োজনমত

প্রণালি

    -উপরের সব উপকরণ অল্প পানি দিয়ে এক সাথে মেখে নিয়ে গোলা তৈরি করুন। গোলাটা ঘন হবে কিন্তু, খুব বেশি পাতলা হবে না।
    -এখন তাওয়াতে হাল্কা তেল মাখিয়ে গরম তাওয়াতে মাখিয়ে রাখা গোলা দিয়ে পাতলা করে ছড়িয়ে দিন এবং ঢাকনা লাগিয়ে ঢেকে রাখুন কিছুক্ষণ ।
    -এবার ঢাকনা তুলে চাপটি উল্টে দিন, রাখুন আরও কিছুক্ষন । লাল লাল হয়ে আসলে নামিয়ে নিন ।

সকালে নাস্তায় কিনবা বিকেলে চা এর সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন ঝাল চাপটি পিঠা ।

বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৫

শীতে আর চুলের আগা ফাটা নয়

ranna banna o beauty tips
শীতে আর চুলের আগা ফাটা নয়
শীতের শুষ্ক হাওয়ায় ত্বকের সঙ্গে চুলও রুক্ষ্ম হয়ে যায়। ঝলমলে মসৃণ চুলগুলো হয়ে ওঠে নিষ্প্রাণ। কিছুদিন পর দেখা দেয় চুলের আগা ফাটার সমস্যা। বছরের অন্যান্য সময় এই সমস্যা একটু কমই দেখা দেয়। সেজন্য শীতের শুরুতেই চুলের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা জরুরি। আগেভাগেই নিতে পারেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।

- একটি ডিমের সঙ্গে এক চা চামচ মধু আর কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি চুলে লাগান। বিশেষ করে চুলের আগায় বেশি করে লাগাতে হবে। এবার ২০ মিনিট রেখে কোনো মাইল্ড শাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

- চুলে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। এক ঘণ্টা রেখে ধুয়ে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

- দুটি এভোক্যাডো নিন। এরপর ভালো করে মেশান। অল্প মধু নিন। আর পেস্ট বানিয়ে নিন। চুলে লাগান, বিশেষ করে চুলের আগায়। ২০ মিনিট পরে ধুয়ে নিন।

- শীতের শুরুতে একবার চুল ছাঁটতে পারেন। নিজের পছন্দমতো আকারে হালকা করেও চুল ছেটে নিলে আর ফাটার ভয় থাকে না।

- চুলের আগা ফাটা রোধ করার পাশাপাশি চুলের কোমলতা ধরে রাখতে সাহায্য করে হট টাওয়েল পদ্ধতি। প্রথমে চুলে ভালো করে তেল লাগান। গরমপানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে চিপে নিতে হবে। এবার এই তোয়ালে গরম থাকা অবস্থায় পুরো মাথায় জড়িয়ে ফেলুন। দশ মিনিট পর খুলে ফেলুন। এভাবে তিন থেকে চারবার করুন। এরপর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।

- অলিভ অয়েল চুলের জন্য খুবই উপকারী। চুলের গোড়ার সঙ্গে চুলের আগাতেও অলিভ অয়েল লাগিয়ে নিন। চুলের আগা ফাটার পরিমাণ কমে যাবে।

- চায়ের ঠাণ্ডা লিকার কন্ডিশনার হিসেবে খুবই ভালো। চুলের আগা ফাটা প্রতিরোধ করতেও এর জুড়ি নেই। একটি পাত্রে চায়ের লিকার নিয়ে চুলের আগা তাতে ডুবিয়ে রাখুন দশ মিনিট। এরপর চুল ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত চায়ের লিকার ব্যবহারে চুলের আগা ফাটা প্রতিরোধ হবে।

ভাপ ওঠা ভাতে বাহারি ভর্তা

শীতকাল মানেই ভাপ ওঠা সাদা ভাতে বাহারি ভর্তার সখ্য। সকালে রুটি খাওয়ার অভ্যাস থাকলেও শীতের সকালে অনেকেই ভর্তা দিয়ে ভাত খেতে পছন্দ করেন। এসময় বাজারে পাওয়া যায় হরেক রকম তাজা সবজি। ধনেপাতা, পুদিনাপাতাও থাকে তরতাজা। এসব উপকরণের মিশেলে তৈরি ভর্তাগুলো জিভে জল আনবে যে কারো। রঙ বেরঙের শীতকালীন সবজিগুলো যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিকর। তাই আজ শিখে নেয়া যাক তেমনি কিছু মজার ভর্তা বানানোর পদ্ধতি।
ranna banna o beauty tips
ভাপ ওঠা ভাতে বাহারি ভর্তা


আলু ডিম ভর্তা
ডিম ২ টা, ১ টা মাঝারি সাইজের আলু, ১ টা কাঁচামরিচ কুচি, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুচি ১ চা চামচ, লবণ পরিমানমতো।

যেভাবে করবেন
আলু ও ডিম সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে আলাদা ভাবে চটকে নিন। এবার পেঁয়াজকুচি, কাচামরিচ কুচি, আধা চা চামচ সরিষার তেল ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিতে হবে। তারপর সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে নিলেই তৈরি মজাদার আলু ডিম ভর্তা।

শিম-আলু-বেগুন ভর্তা
শিম ৮ থেকে ১০টি, মাঝারি আকারের বেগুন ১টা, মাঝারি আকারের আলু ৪টা, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ ৩ থেকে ৪ টা, সরিষার তেল ১ চা চামচ, ধনেপাতা কুচি ১ চা চামচ ও পরিমানমতো লবণ।

যেভাবে করবেন
শিম ও বেগুন একসঙ্গে ও আলু আলাদা সেদ্ধ করুন। আলু ও বেগুনের খোসা ছাড়িয়ে শিমসহ চটকে নিন। পেঁয়াজ কুচি ও শুকনা মরিচ অল্প তেলে ভেজে নিতে হবে। এবার সব উপকরণ একসঙ্গে করে ভালভাবে পাটায় পিষে মিশিয়ে নিন। হয়ে গেল শিম-আলু-বেগুন ভর্তা।

লাউপাতার ভর্তা
কচি লাউপাতা ১৫ থেকে ২০টি, পেঁয়াজ বাটা আধা কাপ, কাঁচামরিচ বাটা ২ চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, জিরা বাটা ২ চা চামচ, সরিষা বাটা ২ চা চামচ, সরিষার তেল সামান্য, হলুদ গুঁড়া সিকি চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি সিকি কাপ, লবণ পরিমাণমতো, কাঁচামরিচ কুচি সামান্য।

যেভাবে করবেন
লাউপাতা ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। কয়েকটি পাতা বিছিয়ে রাখতে হবে। এবার ওপরের সব মসলা একটি বাটিতে মেখে বিছানো পাতাগুলোর মধ্যে রাখতে হবে এবং পাতা মুড়ে দিতে হবে। এর সঙ্গে বাকি পাতা দিয়ে মুড়ে সুতা দিয়ে বেঁধে দিতে হবে, যাতে মসলা বের না হয়। এবার বসা ভাতের মধ্যে মসলা মোড়ানো লাউপাতা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ভাত হয়ে গেলে ভাত থেকে মসলা মোড়ানো পাতা বের করে নিতে হবে। এবার পাটায় বেটে বা হাত দিয়ে চটকে নিযে কাঁচা সরিষার তেল দিয়ে ভর্তা তৈরি করতে হবে। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন সুস্বাদু লাউপাতা ভর্তা।

টমেটো ভর্তা

টমেটো আধা কেজি, কাঁচামরিচ ৫ থেকে ৬টি, লবণ পরিমাণমতো, পিঁয়াজ কুচি সিকি কাপ, ধনেপাতা কুচি সিকি কাপ।

যেভাবে করবেন
টমেটো ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে নিন। চুলায় ফ্রাই প্যানে টমেটোগুলো দিয়ে ঢেকে দিন অল্প আঁচে। ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর উঠিয়ে দিন। টমেটো সেদ্ধ হয়ে গেলে ফ্রাই প্যান থেকে নামিয়ে নিন। এবার টমেটোগুলোর খোসা ছাড়িয়ে নিন। পাত্রে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, ধনেপাতা কুচি দিন। হাতে মেখে টমেটোগুলো তার সঙ্গে মিশিয়ে ভর্তা করে নিন। তৈরি হয়ে গেল চমৎকার টমেটো ভর্তা।

বাঁধাকপির মচমচে রোল

শীতের আগমনে বাজারে এসেছে নানা রকম তরতাজা সবজি। সবজি হিসেবে রান্না করে খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিকর। তাইতো এগুলো নানা ভাবে খাওয়ার বাহানা চলে। শীতের সময়টা আসলে সবজি দিয়ে তৈরি হয় মুখরোচক অনেক খাবার। বাড়ির সদস্যদের নতুন কিছুর স্বাদ দিতে রাধুনীরা তৈরি করে নেন নতুন সব রেসিপি। ঠিক তেমনি তৈরি হতে পারে বাঁধাকপির মচমচে রোল। আসুন তবে একনজরে দেখে নেয়া যাক।
ranna banna o beauty tips
বাঁধাকপির মচমচে রোল


যা যা লাগবে

বাঁধাকপির বড় পাতা ৮ থেকে ১০টি (ভাপ দেওয়া), রান্না করা কিমা ১ কাপ, ময়দা ১ কাপ, ডিম ১টি, ভাজার জন্য তেল।

কিমার উপকরণ

কিমা ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ কুচি ১ চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, হলুদ সামান্য, তেল ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, এলাচ ১টি, দারুচিনি ২ টুকরো।

যেভাবে করতে হবে

এবার কড়াইয়ে তেল দিয়ে পেঁয়াজ একটু ভেজে কিমা দিয়ে ভেজে সব মসলা দিয়ে কষাতে হবে। সামান্য পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নামানোর আগে ১ চা চামচ টমেটো সস দিয়ে নামিয়ে নিন। ময়দা, ডিম, একটু পানি ও লবণ দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে রাখুন আলাদা একটি বাটিতে। কপির একটি পাতা নিয়ে তার মধ্যে কিমার পুর ভরে রোল করুন। এবার ময়দার মিশ্রণে চুবিয়ে ডুবতেলে মচমচে করে ভেজে সস দিয়ে পরিবেশন। ব্যস হয়ে গেল বাঁধাকপির মচমচে রোল।

জলপাইয়ের বল আচার

চলছে টক স্বাদের জলপাইয়ের ভরা মৌসুম। ঠিক এই সময়টাতে প্রত্যেক আচার প্রেমী ব্যস্ত থাকেন নানা স্বাদের আর নানা ঢং এর আচার বানাতে। পাশাপাশি থাকা মা-চাচীদের মাঝে সুস্বাদু এসব আচার বানানোর মাঝে মৃদু প্রতিযোগিতাও চলে। কে কত প্রকার এবং কত মজার আচার বানাতে পারে তার পরখ হয়ে যায় অবসর সময়ে। তারপর খাওয়া চলে ভাজি, ভর্তা বা খিচুড়ির সঙ্গে। আপনি কেন পিছিয়ে থাকবেন জলপাইয়ের বল আচারের মজার স্বাদ নেয়া থেকে? তাই আজই শিখে নিন খুব সহজে জলপাইয়ের বল আচার বানানোর পদ্ধতি।  
ranna banna o beauty tips
জলপাইয়ের বল আচার


যা যা লাগবে

জলপাই ১ কেজি, সরিষা বাঁটা ৩ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, পাঁচ ফোড়ন ৩ টেবিল চামচ, সরিষার তেল আধা কেজি, গুড় বা চিনি ১ কাপ, রসুন বাটা আধা কাপ, ভিনেগার কোয়ার্টার কাপ, লবণ পরিমাণ মতো।

যেভাবে করবেন

প্রথমে জলপাইগুলো ধুয়ে তিন ফালি করে কেটে সেদ্ধ করে নিতে হবে। এবার কড়াইয়ে তেল গরম করে রসুন দিয়ে হালকা ভেজে সব মসলা দিয়ে দিন। তারপর গুড় বা চিনি দিয়ে ভালো করে নেড়ে জলপাইগুলো দিতে হবে। আঠালো হওয়া পর্যন্ত মাঝারি আঁচে জ্বালাতে হবে। তারপর ভিনেগার দিয়ে নেড়েচেড়ে নামিয়ে নিন। এবার হাতের তালুতে নিয়ে বিচিগুলো মাঝখানে দিয়ে গোল গোল করে বল বানিয়ে বোতলের ভেতর তেলে ডুবিয়ে রাখুন। ব্যাস হয়ে গেল জলপাইয়ের বল আচার। কেউ কেউ বাড়তি ঘ্রাণের জন্য ধনে পাতাও দিয়ে থাকেন।

মচমচে মজাদার মুরালি

স্কুল-কলেজ বা রাস্তার ধারে ভ্যানে এবং বাজারে কিনতে পাওয়া যায় মচমচে মুরালি। ছোট বাচ্চাদের এগুলো খুবই পছন্দের। বড়রাও বেশ মজা করে খান মুখরোচক মুরালি। খেতে মজাদার বলে বাজারে খোলামেলা বিক্রি মুরালিতে ধুলাবালির কথা চিন্তাই করি না। নিজেরা খাচ্ছি আবার বাচ্চাদেরও তা কিনে দিচ্ছি। অথচ আপনিও পারেন স্বাস্থ্যকর উপায়ে মুখরোচক মুরালি তৈরি করতে। তাতে থাকবে না কোনো রকম স্বাস্থ্য ঝুঁকি। তাই চটপট শিখে নিতে পারেন মুরালি তৈরির সহজ রেসিপি।
Ranna Banna o beauty tips
মচমচে মজাদার মুরালি


যা যা লাগবে

ময়দা ২৫০ গ্রাম, মসুরের ডাল মিহি করে বাটা ১০০ গ্রাম, লবণ সামান্য, চিনি ও পানি পরিমাণমতো এবং ভাজার জন্য তেল।


যেভাবে করবেন

একটি পাত্রে ময়দা, লবণ এবং দুই টেবিল চামচ তেল দিন। এতে বাটা মসুর ডাল দিয়ে আবার ভালো করে মেখে একটি শক্ত ডো তৈরি করুন। পরিমাণমতো পানি ও চিনি দিয়ে সিরা তৈরি করে রাখতে হাবে আলাদা একটি পাত্রে। মেখে রাখা আটা থেকে রুটির মতো বেলে লম্বা লম্বা করে কেটে নিন। এরপর ডুবো তেলে মচমচে করে ভেজে সিরায় দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে নামিয়ে আনতে হবে। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে পরিবেশন করুন মচমচে মুরালি।

বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৫

বসনিয়ান পরোটা

ranna banna o beauty tips
বসনিয়ান পরোটা
উপকরণ :
১. ২ কাপ ময়দা/ আটা,
২. ২ চা চামচ তেল,
৩. ১ চা চামচ চিনি,
৪. আধা কাপ দই,
৫. লবণ স্বাদমতো,
৬. ৩/৪ চা চামচ বেকিং পাউডার,
৭. তেল ভাজার জন্য।
 প্রণালি :
> প্রথমে ময়দা/আটা, বেকিং পাউডার, বেকিং সোডা, চিনি এবং লবণ একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর তেল দিয়ে একটু হাত দিয়ে ঝুর ঝুর করে মাখিয়ে নিন ময়দা।

> এরপর ময়দার মাঝে গর্ত করে এতে দই দিন এবং হাতে মেখে ডো তৈরি করে নিন ভালো করে। রুটি বেলার মতো করে নরম ডো তৈরি করবেন। যদি প্রয়োজন মনে করেন তাহলে আরও খানিকটা ময়দা নিতে পারেন কিংবা প্রয়োজনে সামান্য দুধ ব্যবহার করতে পারেন। পানি ব্যবহার করবেন না।

> এরপর ডো তৈরি করে একটি তেল মাখানো পাত্রে বা বক্সে ঢাকনা লাগিয়ে গরম স্থানে ২ ঘণ্টা রেখে দিন।

> ২ ঘণ্টা পর ডো থেকে অল্প করে নিয়ে গোল বল তৈরি করে রুটি বেলার মতো করে বেলে নিন। তবে সাধারণ রুটির চাইতে একটু মোটা করে বেলে নেবেন।

> ব্যস, এবারে পরোটা যেভাবে হালকা তেলে ভাজেন সেভাবেই ভেজে নিন প্রতিটি পরোটা। এবং মাংসের সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন সুস্বাদু এই বসনিয়ান পরোটা।

রেসিপি : প্রিয়.কম

সোমবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৫

সুস্বাদু "ঢাকাই ভেলপুরি"

ranna banna o beauty tips
সুস্বাদু "ঢাকাই ভেলপুরি"
রাস্তাঘাটে সস্তা দরের ভেলপুরি আমরা সকলেই খেয়েছি। হোক অস্বাস্থ্যকর, কিন্তু এর স্বাদের কাছে হার মানে সবাই।  তবে একটু চেষ্টা করলেই কিন্তু মজাদার এই খাবারটি বাড়িতেই তৈরি করে ফেলতে পারবেন খুব সহজে। চলুন, আজ তাহলে জেনে নিই আতিয়া আমজাদের "ঢাকাই ভেলপুরি" তৈরির একটি পারফেক্ট রেসিপি।

পুরি তৈরির উপকরণ
সুজি ১ কাপ
ময়দা/আটা ১ কাপ
লবণ আধা চা চামচ বা স্বাদ মতো
পানি ১ কাপ বা পরিমাণ মতো
কালো জিরা ১ চিমটি (ইচ্ছা)
তেল ১ কাপ (ভাজার জন্য)

প্রণালি

    -ময়দা/আটা, সুজি , কালো জিরা ও লবণ মিশিয়ে একটু একটু করে পানি ঢেলে রুটি বানানোর মতো করে কাই বানাতে হবে এবং পাতলা ভেজা নরম কাপর দিয়ে কাইটা ৩০ মিনিট ঢেকে রাখুন।
    -এরপর আধা ইন্চি পুরু করে রুটি বানাতে হবে বড় করে। এবার বিস্কিট কাটার বা ছোট কোনো স্টিলের গ্লাসের সাহায্যে গোল গোল করে পুরি কেটে নিতে হবে অথবা সরাসরি পিরিতে পছন্দসই সাইজ মতো বেলেও নিতে পারেন।
    -কাঁটা চামচের সাহায্যে পুরিগুলো কয়েকটা ছিদ্র করে ফ্যানের নিচে ৩০ মিনিট শুকাতে দিন।
    -তেল গরম করে সোনালি করে ডুবে তেলে ভেজে নিন পুরিগুলো। তেল ঝরিয়ে টিস্যু পেপারের ওপর রাখুন এতে বাড়তি তেল সরে যাবে।

পুর তৈরীর উপকরণ
ডাবলী বুট  ১কাপ (সিদ্ধ করে নিতে হবে)
আলু ২/৩ টি(সিদ্ধ করে নিতে হবে)
লবণ আধা চা চামচ
বিট লবন আধা চা চামচ বা পরিমান মতো
কাঁচা মরিচ কুচি ১ টে চামচ
শুকনা মরিচ টেলে হাতে গুঁড়ো করে নিতে হবে ১-২ টি
ভাজা জিরা গুঁড়ো আধা চা চামচ
শশা কুচি আধা কাপ
পিঁয়াজ কুচি ২-৩ টে চামচ
ধনে পাতা কুচি ২ টে চামচ
লেবুর রস বা তেতুল গোলা পানি ১ চা চামচ

প্রণালি

    -আগে ডাল ও আলু ভালো করে মাখিয়ে পরে বাকি উপাদান মিশিয়ে নিন।
    -এবার পুরির উপর একটু একটু করে পুর সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

শীতের আমেজ নিয়ে ভিন্ন স্বাদের "ক্রিম অফ টমেটো স্যুপ"

ranna banna o beauty tips
"ক্রিম অফ টমেটো স্যুপ"
সোয়েটার পরার মতো শীত এখনো আসেনি বটে, কিন্তু সন্ধ্যার দিকটায় হিমেল হাওয়ায় শরীরে কাঁটা দেয় বৈ কি। তখন কাঁপুনি দূর করতে চা-কফির কাপটাই সম্বল। কেমন হয় যদি এ সময়ে খাওয়া যায় আরও মজাদার কিছু? জেনে নিন এমন হালকা শীতের জন্য চমৎকার একটি স্যুপের রেসিপি। মাখন আর ক্রিমে ভরপুর এই স্যুপ ভেতর থেকে চাঙ্গা করে তুলবে আপনাকে। আধা ঘন্টা থেকে ৪০ মিনিটের মাঝে তৈরি হয়ে যাবে এই স্যুপ।
উপকরণ (২ জনকে পরিবেশনের জন্য)

    -   চার কাপ কুচি করা টমেটো
    -   একটা তেজপাতা
    -   তিনটি গোলমরিচ
    -   দেড় টেবিল চামচ মাখন
    -   এক টেবিল চামচ ময়দা
    -   সিকি কাপ টমেটো কেচাপ
    -   দুই চা চামচ চিনি
    -   লবণ ও গোলমরিচ গুঁড়ো স্বাদমতো
    -   দেড় টেবিল চামচ ফ্রেশ ক্রিম
    -   গার্নিশের জন্য দুই চা চামচ ফ্রেশ ক্রিম (ইচ্ছে হলে দিতে পারেন)
    -   সিকি কাপ ব্রেড ক্রুটন (ইচ্ছে হলে দিতে পারেন)

প্রণালী

১) একটা বড় পাত্রে পানি নিয়ে তাতে টমেটো কুচি দিন। এতে তেজপাতা এবং গোলমরিচ দিয়ে সেদ্ধ হতে দিন। মাঝে মাঝে নেড়ে দিন। ৮-১০ মিনিটে সেদ্ধ হয়ে আসবে টমেটো।

২) তেজপাতা ফেলে দিন। টমেটো ঠাণ্ডা হয়ে গেলে মিহি করে ব্লেন্ড করে নিন। এটাকে ছেঁকে নিয়ে আলাদা করে রাখুন।

৩) একটা নন স্টিক সসপ্যানে মাখন গলিয়ে নিন। এতে ময়দাটা দিয়ে মাঝারি আঁচে নেড়েচেড়ে সাঁতলে নিন এক মিনিট।

৪) এতে টমেটোর মিশ্রণ, এক কাপ পানি, টমেটো সস দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে রান্না করুন এক মিনিট।

৫) চিনি, লবণ, গোলমরিচ গুঁড়ো এবং ফ্রেশ ক্রিম মিশিয়ে রান্না করুন ২ মিনিট। মাঝে মাঝে নাড়ুন। সবকিছু ভালোভাবে মিশে গেলে নামিয়ে নিন।

তৈরি হয়ে গেলো দারুণ ক্রিমি, মুখরোচক স্যুপটি। এবার একে পরিবেশন করতে পারেন ওপরে ফ্রেশ ক্রিম এবং ব্রেড ক্রুটন দিয়ে। টোস্ট করা পাউরুটি দিয়েও পরিবেশন করতে পারেন।

দোসার জন্য মজাদার "পুর" তৈরি করার দারুণ সহজ রেসিপি

ranna banna o beauty tips
দোসার জন্য মজাদার "পুর" তৈরি করার দারুণ সহজ রেসিপি
রেস্টুরেন্টে দোসা খেতে গিয়ে খেয়াল করে থাকবেন বোধহয়, সুন্দর করে রোল করা দোসার ভেতর থেকে উঁকি দিচ্ছে আলুর একটা তরকারি। এই খাবারটা দোসার সাথে খেতে দারুণ লাগে। আর এটা তৈরি করার কাজটা দোসা তৈরির মতো কঠিন নয় মোটেও! জেনে নিন খুব সহজে আলু দিয়ে দোসার এই পুর তৈরি করার রেসিপিটি। সাথে ভিডিও তো রইলোই।
উপকরণ

    -   ৫টা মাঝারি মাপের আলু, সেদ্ধ করে চামড়া ছাড়ানো
    -   ২ টেবিল চামচ তেল
    -   ১ চা চামচ সরিষা
    -   এক চা চামচ জিরা
    -   এক চিমটি হিং
    -   এক চা চামচ মাষকলাই ডাল
    -   ৪/৬টা কারি পাতা
    -   ৩টা কাঁচামরিচ, মাঝখানে ফাঁড়া
    -   ৩টা মাঝারি পিঁয়াজ, ফালি করা
    -   লবন স্বাদমতো
    -   ১ চা চামচ চিনি
    -   আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
    -   ২ টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচানো

প্রণালী

১) নন-স্টিক প্যানে তেল গরম করে নিন। এতে সরিষা দানা এবং জিরা দিয়ে দিন। সরিষাগুলো ফুটতে শুরু করলে এতে হিং এবং মাষকলাই দিয়ে দিন। মাষকলাইয়ের রঙ বাদামি হয়ে এলে এতে কারি পাতা, কাঁচামরিচ এবং পিঁয়াজ দিয়ে দিন। এর সাথে দিয়ে দিন এক চিমটি লবন এবং চিনি। ভালো করে মিশিয়ে ভাজুন যতক্ষণ না পিঁয়াজে সোনালি রঙ ধরে।

২) এই ফাঁকে আলুগুলোকে হালকা ভর্তা করে রাখুন।

৩) পিঁয়াজ সোনালি হয়ে এলে এতে আলু, হলুদ গুঁড়ো এবং ধনেপাতার অর্ধেকটা দিয়ে দিন। ভালো করে মেশান।

৪) ওপরে একটু পানি ছিটিয়ে মিশিয়ে ফেলুন। জ্বাল কমিয়ে ঢেকে রান্না করুন দুই থেকে তিন মিনিট।

তৈরি হয়ে গেলো দোসার সাথে পরিবেশনের জন্য আলুর পুর। ওপরে বাকি ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দোসার সাথে পরিবেশন করে ফেলুন গরম গরম।

খুব সহজে ঘরে তৈরি করে ফেলুন দারুণ "পনির"

ranna banna o beauty tips
খুব সহজে ঘরে তৈরি করে ফেলুন দারুণ "পনির"
পনির বিভিন্ন খাবারে ব্যবহার করা হয়। পনির সমুচা, পনির টিক্কা, পালং পনির আরও কত মজাদার খাবারই না তৈরি করা যায় পনির দিয়ে। বাজার থেকে কেনা পনির স্বাস্থ্যকর নয়। আবার সব সময় বাজার থেকে পনির কিনে আনাও সম্ভব হয় না। তাই বাসায় তৈরি করে ফেলতে পারেন দোকানের মত পনির। খুব সহজে অল্প উপাদান দিয়ে বাসায় পনির তৈরি করে নিন।

উপকরণ:

৮ কাপ দুধ

১/৪ কাপ লেবুর রস

একটি পাতলা সুতির কাপড়

প্রণালী:

১। প্রথমে একটি প্যানে দুধ জ্বাল হতে দিন।

২। দুধ বলক আসলে চামচ দিয়ে দুধ নাড়তে থাকুন। যাতে দুধ প্যানের নিচে না লাগে।

৩। দুধ ঘন হয়ে আসলে এতে লেবুর রস দিয়ে দিন।

৪। লেবুর রস দিয়ে দুধ নাড়তে থাকুন।

৫। দুধ ছানা হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন।

৬। এবার একটি পাতলা কাপড়ে দুধ ছেঁকে পানি আর ছানা আলাদা করে ফেলুন।

৭। এমনভাবে পানি ছেঁকে ফেলবেন যাতে ছানাতে একটুও পানি না থাকে।

৮। ছানা পানি শূন্য করার জন্য পনিরের কাপড়টির ওপর একটি পানি ভর্তি বাটি দিয়ে ৩০ মিনিট চাপা দিয়ে রাখুন।

৯। ৩০ মিনিট পর কাপড়টি খুলে পনিরটি বের করে নিন।

১০। এবার পনিরগুলো কেটে আপনার পছন্দ মত আকৃতি করে নিন।

টিপস

লেবুর রসের পরিবর্তে ভিনেগার ব্যবহার করতে পারেন।

রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৫

ব্ল্যাক ফরেস্ট কেক উইথ চকলেট মিরর গ্লেজ

ব্ল্যাক ফরেস্ট কেক উইথ চকলেট মিরর গ্লেজ
ব্ল্যাক ফরেস্ট কেকের উপকরণ :
১. ডিম ৩ টি,
২. চিনি ৬ টেবল চামচ (একটু ব্লেন্ড করে নিন),
৩. ময়দা ১/২ কাপ,
৪. বেকিং পাউডার ১ চা চামচ,
৫. কোকো পাউডার ২ টেবল চামচ,
৬. চেরী সিরাপ ১/২ কাপ (ব্রাশ করার জন্য)।

প্রণালি :
> ময়দা, বেকিং পাউডার ও কোকো পাউডার একসাথে চেলে পাশে রাখুন।

> এবার একটি বোলে ডিমের সাদা ভালোভাবে বিট করে ফোম করুন। ফোম হলে অল্প অল্প করে চিনি মেশান। সব চিনি মেশানো হলে ডিমের কুসুম একটি একটি করে মেশান।

> এবার বিটার বাদ দিয়ে রাবারের চামচ দিয়ে ময়দার মিশ্রণ এক টেবল চামচ করে করে হালকা হাতে মেশান।

> এখন এক পাউন্ডের কেকের প্যান মাখন বা তেল ব্রাশ করে উপরে ময়দা বা কোকো পাউডার ছিটিয়ে ১৫০ ডিগ্রী প্রিহিট ওভেনে ৪০ মিনিট বেক করুন, কেকের ভেতর কাঠি ঢুকিয়ে দেখে নিন কাঠিটি পরিষ্কার বের হয়ে আসে কি না।

> কেক হয়ে গেলে ঠান্ডা করে ফ্রিজে রাখুন চার -পাঁচ ঘন্টা. এরপর বের করে ধারালো ছুরি দিয়ে মাঝ বরাবর অথবা আড়াআড়ি তিন ভাগ করে কেটে নিন।

> আলাদা আলাদা প্লেটে রেখে চেরী সিরাপ দিয়ে ব্রাশ করে প্রতি লেয়ারে হুইপড ক্রিম অথবা বাটারক্রিম লাগিয়ে (ব্ল্যাক ফরেস্টে সাধারণত হুইপ ক্রিম লাগায়) একটির উপর একটি বসিয়ে দিন. এবার কেকের উপর চকলেট মিরর গ্লেজ ঢেলে পাশ থেকে চকলেট কুচি লাগিয়ে পরিবেশন করুন।

চকলেট মিরর গ্লেজ তৈরির উপকরণ :
১. জিলেটিন ১০ গ্রাম,
২. চিনি ৩/৪ কাপ ও এক টেবল চামচ,
৩. পানি আধা কাপের সামান্য কম,
৪. কোকো পাউডার উঁচু উঁচু আধা কাপ,
৫. হেভি ক্রিম ৬৫ গ্রাম,
৬. ডার্ক চকলেট ৫০ গ্রাম।

প্রণালি :
> একটি ছোট পাত্রে ১/৪ কাপ পানিতে জিলেটিন দশ মিনিট বা ব্যবহার করার আগ পর্যন্ত ভিজিয়ে রাখুন।

> পানি ও চিনি একসাথে মিলিয়ে জ্বাল দিন। এক থেকে দুই বলক উঠলে নামিয়ে দিন।

> এবার চকলেট (কুচি কুচি করে কেটে রাখুন প্রথমেই) গরম শিরার মধ্যে দিয়ে অনবরত নাড়তে থাকুন। গলে গেলে থামুন।

> এখন কোকো পাউডার ও ক্রিম দিয়ে নাড়তে থাকুন।

> এবার ভেজানো জিলেটিন দিয়ে নেড়ে ভালোভাবে মেশান।

> হ্যান্ড কফি ব্লেন্ডার বা সাধরণ ব্লেন্ডার দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে পরিষ্কার ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে আবার ব্লেন্ড করে আবার ছেঁকে নিন।

> এটা রুম টেম্পারেচারে এনে কেকের উপরে ঢেলে দিয়ে ফ্রিজে সারারাত রাখুন, পরিবেশনের আগ পর্যন্ত।

* টিপস :
> বাজারে যে হুইপ ক্রিম পাওয়া যায় সেগুলো প্যাকেটের নির্দেশ অনুযায়ী একবারে সব দুধ মেশাবেন না, অল্প অল্প করে মেশাবেন।


রেসিপি : সাদিয়া খান চৌধুরী, প্রিয়.কম

চিকেন পিক্কাটা

চিকেন পিক্কাটা
উপকরণ :
১. হাড়ছাড়া মুরগির মাংস পাতলা স্লাইস করে কাটা ছয় টুকরা,
২. ধনিয়াপাতা কুচি এক টেবিল চামচ,
৩. পাপরিকা এক চা চামচ,
৪. লেবুর রস দুই চা চামচ,
৫. ডিম একটি,
৬. ব্রেডকাম আধা কাপ,
৭. তেল ভাজার জন্য,
৮. লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি :
> প্রথমে পাতলা করে কাটা মুরগির মাংস লবণ ও লেবুর রস দিয়ে মাখিয়ে মেরিনেটের জন্য ১০ মিনিট রেখে দিন। এবার এতে ধনিয়াপাতা কুচি, পাপরিকা, ডিম ও ব্রেডকাম দিয়ে মাখিয়ে মেরিনেটের জন্য আরো কিছুক্ষণ রেখে দিন। এর পর গরম ডুবো তেলে মুরগির মাংসগুলো ভাজতে থাকুন। বাদামি হয়ে গেলে প্লেটে তুলে সসের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন স্পাইসি চিকেন পিক্কাটা।

রেসিপি : এনটিভি, ছবি : সংগৃহীত

চিকেন ফ্রাই (ভিন্ন স্বাদে)

চিকেন ফ্রাই (ভিন্ন স্বাদে)
উপকরণ :
১. মুরগি - ১টি (৪ টুকরো করে কাটা),
২. হলুদ- ১/২ চা চামচ,
৩. মরিচ গুঁড়ো- ১ চা চামচ,
৪. লবণ- ১/২ চা চামচ (পরিমাণমত),
৫. ময়দা- ২ টেবিল চামচ,
৬. ফুড কালার (রেড অরেঞ্জ)- খুব সামান্য, এক চিমটি থেকেও কম,
৭. লেবুর রস - ২ টেবিল চামচ,
৮. তেল-ভাজা করার জন্য।

প্রণালি :
> মুরগি ৪ টুকরা কেটে পরিষ্কার করে নিন।

> ছুরি দিয়ে একটু কেটে দিন বা কাঁটা চামচ দিয়ে ছিদ্র করে দিন যেন রক্ত বের হয়ে যায়।

> একটি পাত্রে চিকেন, হলুদ, মরিচ, লবণ লেবুর রস মিক্স করুন প্রথমে।

> ফুড কালার একটু পানিতে মিক্স করে তারপর চিকেনে মিক্স করুন।

> শেষে ময়দা দিয়ে ভালো করে মিক্স করে নিন, একটু পানি লাগলে দিতে পারেন।

> ১০ /২০ মিনিট এর জন্য ফ্রিজে রেখে দিন।

> ডুবো তেলে ভাজা করুন মাঝারি আঁচে।

> রঙ বেশী হলে পরে চিকেন লাল হয়ে যাবে তাড়াতাড়ি, কিন্তু ভেতরে রান্না হবে না। তাই রঙ দেবেন একেবারেই সামান্য।



রেসিপি : সাইদুল ইসলাম সাঈদ, প্রিয়.কম

চিকেন স্টাফড ক্যাবিজ রোল

চিকেন স্টাফড ক্যাবিজ রোল
উপকরণ :
১. অর্ধেক মুরগির মাংস,
২. বাঁধাকপির পাতা ৭,৮টি,
৩. আলু সিদ্ধ ১টি (বড়),
৪. গোলমরিচের গুঁড়া স্বাদ মতো,
৫. মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ,
৬. সয়া সস ২,৩ টেবিল-চামচ,
৭. ফিস সস ২,৩ টেবিল-চামচ,
৮. আদা ও রসুন বাটা ২ চা-চামচ করে,
৯. টেম্পুরা পাউডার আধা কাপ,
১০. তেল ভাজার জন্য যতটুকু প্রয়োজন।

প্রণালি :
> আলু সিদ্ধ করে একদম পানি শুকিয়ে ফেলে চটকিয়ে রাখুন। মরুগির সঙ্গে আদা ও রসুন বাটা, গোলমরিচের গুঁড়া, মরিচগুঁড়া,

> সয়া সস ও ফিস সস দিয়ে সিদ্ধ করে নিন।

> মাংস ঠাণ্ডা হলে হাড় থেকে ছাড়িয়ে নিন। তারপর ছিঁড়ে ছিঁড়ে রাখুন।

> ফুটন্ত গরম পানিতে আস্ত বাঁধাকপির পাতা ভাপ দিয়ে কিচেন টাওয়েলের উপর উঠিয়ে রাখুন।

> মাংসের সঙ্গে আলু সিদ্ধ মাখিয়ে সাত থেকে আট ভাগ করে নিন। একেকটি ভাগে একেকটি পাতায় মুড়িয়ে রোল তৈরি করুন।

> পরিমাণ মতো পানি দিয়ে টেম্পুরার ঘন মণ্ড বানিয়ে নিন।

> মাঝারি আঁচে প্যানে তেল গরম করে, রোলগুলি একটা একটা করে টেম্পুরার মণ্ডতে মাখিয়ে ডুবো তেলে সময় নিয়ে সোনালি করে ভেজে তুলুন। পেপার টাওয়েলের উপর রাখুন বাড়তি তেল শোষন করে নেওয়ার জন্যে।

> সস দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন বিকেলের নাস্তায়।

* নোট :
> টেম্পুরা পাউডার না থাকলে বেসন ও চালের গুঁড়ার মিশ্রণ দিয়ে মণ্ড তৈরি করে নিতে পারেন।


রেসিপি দিয়েছেন বীথি জগলুল
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

চার পদের চিতই পিঠা

উপকরণ
১. আতপ চাল আধা কাপ,
২. সিদ্ধ চাল ১ কাপ,
৩. লবণ সামান্য,
৪. ১ চা-চামচ বেইকিং পাউডার,
৫. ১টি ডিমের সাদা অংশ,
৬. ১ টেবিল-চামচ ময়দা,
৭. কুড়ানো নারিকেল আধা কাপ,
৮. পরিমাণ মতো হালকা গরম পানি এটা দিয়ে চাল ব্লেন্ড করতে হবে,
৯. তাই ডিমের সাদা অংশ একেবারে শেষে মেশাবেন।
আরও লাগবে :
১. একটি বাটিতে অল্প তেল রাখবেন পাশে।
২. সুতির কাপড় দিয়ে তেল লাগিয়ে প্রথমে প্যান মুছে নেবেন।

প্রণালি :
> চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা চাল ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর ভেজা অবস্থায় চাল মিহি করে বেটে নিতে হবে বা ব্লেন্ডারে একে একে সব নিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।

> তারপর এক ঘণ্টা ঢেকে রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে গোলা যেন খুব ঘন না হয় আবার বেশি পাতলাও না হয়। লোহার কড়াই বা মাটির পিঠার সাজ চুলায় দিন। গরম হলে, প্রথমবার তেল জড়ানো কাপড় দিয়ে মুছে নিন।

> বড় চামচের এক চামচ গোলা প্যানে দিন। দুতিন সেকেন্ড পর বুদ বুদ উঠলে রুটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। এক মিনিট পর নামিয়ে নিন। এভাবে বাকি পিঠাগুলো তৈরি করুন।

> ভর্তা, ভাজি বা মাংসের তরকারি সঙ্গে পরিবেশন করুন মুচমুচে রুটি চিতই পিঠা। .

দুধ চিতই

উপকরণ :
১. আতপ চাল আধা কাপ,
২. সিদ্ধ চাল ১ কাপ,
৩. লবণ সামান্য,
৪. ১ চা-চামচ বেইকিং পাউডার,
৫. ১টি ডিমের সাদা অংশ,
৬. ১ টেবিল-চামচ ময়দা,
৭. কুড়ানো নারিকেল আধা কাপ,
৮. পরিমাণ মতো হালকা গরম পানি এটা দিয়ে চাল ব্লেন্ড করতে হবে,

সিরা তৈরীর উপকরণ :
১. খেজুরের গুড়,
২. নারিকেল-কুচি,
৩. পরিমাণ মতো দুধ।

আরও লাগবে :
১. একটি বাটিতে অল্প তেল রাখবেন পাশে।
২. সুতির কাপড় দিয়ে তেল লাগিয়ে প্রথমে প্যান মুছে নেবেন।

প্রণালি :
> চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা চাল ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর ভেজা অবস্থায় চাল মিহি করে বেটে নিতে হবে বা ব্লেন্ডারে একে একে সব নিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।

> তারপর এক ঘণ্টা ঢেকে রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে গোলা যেন খুব ঘন না হয় আবার বেশি পাতলাও না হয়। লোহার কড়াই বা মাটির সাজ চুলায় দিন। গরম হলে, প্রথমবার তেল জড়ানো কাপড় দিয়ে মুছে নিন।

> বড় চামচের এক চামচ গোলা প্যানে দিন। দুতিন সেকেন্ড পর বুদ বুদ উঠলে রুটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। এক মিনিট পর নামিয়ে নিন। এভাবে বাকি পিঠাগুলো তৈরি করুন।
.
.
সিরা তৈরীর :
> দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করুন। একটু ঠাণ্ডা করে খেজুরের গুড় মেশান।

দুধ চিতই তৈরীর প্রণালি :
> গুড় গলে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে কিছুক্ষণ পর, চিতই পিঠাগুলো দিয়ে দিন।

> এভাবে গুড়-দুধের মিশ্রণে এক ঘণ্টা পিঠা ভিজিয়ে রাখার পর পরিবেশন করুন।

ঝাল চিতই পিঠা

উপকরণ :
১. আতপ চাল আধা কাপ,
২. সিদ্ধ চাল ১ কাপ,
৩. লবণ সামান্য,
৪. ১ চা-চামচ বেকিং পাউডার,
৫. ১টি ডিমের সাদা অংশ,
৬. ১ টেবিল-চামচ ময়দা,
৭. পরিমাণ মতো হালকা গরম পানি এটা দিয়ে চাল ব্লেন্ড করতে হবে,
৮. ডিমের সাদা অংশ একেবারে শেষে মেশাবেন,
৯. কাঁচামরিচ কুচি ২,৩টি,
১০. ধনিয়াপাতা কুচি ১ টেবিল-চামচ,

আরও লাগবে :
১. একটি বাটিতে অল্প তেল রাখবেন পাশে।
২. সুতির কাপড় দিয়ে তেল লাগিয়ে প্রথমে প্যান মুছে নেবেন।

প্রণালি :
> চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা চাল ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর ভেজা অবস্থায় চাল মিহি করে বেটে নিতে হবে বা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন।

> তারপর এক ঘণ্টা ঢেকে রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে গোলা যেন খুব ঘন না হয় আবার বেশি পাতলাও না হয়। কাঁচামরিচ ও ধনিয়াপাতা কুচিমিশিয়ে নিন। লোহার কড়াই বা মাটির সাজ চুলায় দিন। গরম হলে, প্রথমবার তেল জড়ানো কাপড় দিয়ে মুছে নিন।

> বড় চামচের এক চামচ গোলা প্যানে দিন। দুতিন সেকেন্ড পর বুদ বুদ উঠলে রুটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। এক মিনিট পর নামিয়ে নিন। এভাবে বাকি পিঠাগুলো তৈরি করুন।।

ডিম চিতই

উপকরণ :

১. আতপ চাল আধা কাপ,
২. সিদ্ধ চাল ১ কাপ,
৩. লবণ সামান্য,
৪. ১ চা-চামচ বেইকিং পাউডার,
৫. ১টি ডিমের সাদা অংশ,
৬. ১ টেবিল-চামচ ময়দা,
৭. কুড়ানো নারিকেল আধা কাপ,
৮. পরিমাণ মতো হালকা গরম পানি দিয়ে চাল ব্লেন্ড করতে হবে,
৯. তাই ডিমের সাদা অংশ একেবারে শেষে মেশাবেন,
১০. যে কয়টি পিঠা, সেই কয়টি ডিম,
১১. গোলমরিচের গুঁড়া।

আরও লাগবে :
১. একটি বাটিতে অল্প তেল রাখবেন পাশে।
২. সুতির কাপড় দিয়ে তেল লাগিয়ে প্রথমে প্যান মুছে নেবেন।

প্রণালি :
> চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা চাল ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর ভেজা অবস্থায় চাল মিহি করে বেটে নিতে হবে বা ব্লেন্ডারে একে একে সব নিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।

> তারপর এক ঘণ্টা ঢেকে রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে গোলা যেন খুব ঘন না হয় আবার বেশি পাতলাও না হয়। লোহার কড়াই বা মাটির পিঠার সাজ চুলায় দিন। গরম হলে, প্রথমবার তেল জড়ানো কাপড় দিয়ে মুছে নিন।

> বড় চামচের এক চামচ গোলা প্যানে দিন। দুতিন সেকেন্ড পর বুদ বুদ উঠলে রুটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। এক মিনিট পর নামিয়ে নিন। এভাবে বাকি পিঠাগুলো তৈরি করুন।

> সাজে গোলা ঢেলে একটু অপেক্ষা করুন। বুদবুদ উঠলেই উপর দিয়ে ডিম ভেঙে দিন। সঙ্গে গোলমরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে সামান্য লবণ দিন।

> ঢেকে, ঢাকনার উপরে সামান্য পানির ছিটা দিন। তিন, চার মিনিট পর হয়ে গেলে নামিয়ে নিন।

 

রেসিপি : আনার সোহেল
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

চিজি বেকড পাস্তা

চিজি বেকড পাস্তা
উপকরণ :
১. পাস্তা ২৫০ গ্রাম,
২. হাড় ছাড়া মুরগির বুকের মাংস ১ কাপ (সেদ্ধ করা),
৩. টমেটো পিউরি ১ কাপ,
৪. কিউব টমেটো ১/২ কাপ,
৫. তেল ১ টেবিল চামচ,
৬. রসুন কুচি ১ টেবিল চামচ,
৭. পেঁয়াজ চৌকো করে কাটা ১/৩ কাপ,
৮. অরিগানো ১ চা চামচ,
৯. পাপরিকা মরিচ ১ চা চামচ,
১০. লবণ স্বাদমতো,
১১. গোলমরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ,
১২. মোজারেলা চিজ গ্রেট করা ১ কাপ,
১৩. চিনি ১/২ চামচ।

প্রনালি :
> পাস্তা লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে পানি ছেঁকে নিন।

> একটা ফ্রাই প্যানে তেল দিয়ে পেঁয়াজ আর রসুন দিয়ে অল্প নেড়ে একে একে মাংস, টমেটো পিউরি , চিনি,অল্প লবণ,অরিগানো দিয়ে নাড়ুন ২ মিনিট।

> এবার সেদ্ধ পাস্তা আর কিউব টমেটো দিয়ে আরও ১ মিনিট নাড়ুন।

> এবার বেকিং ডিশে পাস্তা ঢেলে তার উপর চীজ ,পাপরিকা মরিচ আর গোলমরিচ গুঁড়া ছিটিয়ে ২০০ ডিগ্রি তে প্রি- হিটেড ওভেনে গোল্ডেন কালার না হওয়া পর্যন্ত বেক করুন।

> চিজ গলে গেলে বের করে গরম গরম পরিবেশন করুন চিজি বেকড পাস্তা।

 
রেসিপি : শারমিন খান জিন্নাতে, প্রিয়.কম

চিকেন র‌্যাপ

চিকেন র‌্যাপ
মূল উপকরণ :
১. ময়দার রুটি,
২. চিকেন ব্রেস্ট ফ্রাই,
৩. ফ্রেঞ্চ ফ্রাই করা আলু,
৪. লেটুস পাতা কুচি,
৫. টমেটো কুচি,
৬. মেয়োনিজ,
৭. হট সস।

ময়দার রুটি তৈরি :
> সাধারণ নিয়মেই ময়দার রুটি তৈরি করে নিন। চাইলে সামান্য ইস্ট মিশিয়ে ডো তৈরি করতে পারেন। একেবারে সাধারণ রুটি হলেও কোন অসুবিধা নেই। রুটির খামিরে কুসুম গরম পানি ব্যবহার করলে রুটি নরম হয়।

চিকেন ফ্রাই তৈরি :
> চিকেন ব্রেস্ট পাতলা ২ টুকরা করে নিন।

> সামান্য লবণ, মরিচ, হলুদ, একটু অরেঞ্জ ফুড কালার দিয়ে মিক্স করে নিন।

> ১টা দিম ফেটে নিয়ে চিকেনে মিক্স করুন, পরে একটু ময়দা ভালোকরে মিক্স করুন।( ২০ মিনিট ফ্রিজে রাখা ভালো)।

> ফ্রাই করে নিন হালকা আঁচে যেন পুড়ে না যায়।

> ভাজা চিকেন কুচি করে নিন।

চিকেন র‌্যাপ তৈরি :
> রুটিতে হট সস মাখিয়ে নিন। চিকেন কুচি বাকী উপকরণ আপনার স্বাদমতো দিয়ে রোল করে নিন। চিকেনে একটু রঙ ব্যবহার করলে চিকেনের রঙটা সুন্দর হয়। না দিলেও কোন অসুবিধা নেই।

রেসিপি ও ছবি : সাইদুল ইসলাম সাঈদ, প্রিয়.কম

সাবুদানার ক্ষীর

সাবুদানার ক্ষীর
উপকরণ :
১. সাবুদানা এক কাপ,
২. দুধ দুই কাপ,
৩. চিনি অথবা গুড় স্বাদমতো,
৪. এলাচ গুঁড়া এক চা চামচ,
৫. কিশমিশ ১০টি,
৬. বাদাম কুচি ১০টি,
৭. মাখন এক টেবিল চামচ,
৮. জাফরান সামান্য।

প্রণালি : 
প্রথমে সাবুদানা এক ঘণ্টার জন্য পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এবার চুলায় একটি প্যানে দুধ গরম করুন। এর পর এতে চিনি অথবা গুড় দিয়ে দিন। গুড় দিলে আগে থেকেই গুড় পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এর পর গলে গেলে সেটি দুধের মধ্যে দিয়ে দিন। দুই মিনিট পর এতে সাবুদানা দিয়ে নাড়তে থাকুন। ১০ থেকে ১২ মিনিট পর সামান্য মাখন, এলাচ গুঁড়া, বাদাম কুচি ও কিশমিশ দিয়ে অল্প আঁচে রান্না করুন। এবার ওপর দিয়ে সামান্য জাফরান ছিটিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। ঠান্ডা করে ফ্রিজে রেখে দিন। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল সাবুদানার ক্ষীর।

রেসিপি : শায়লা শারমিন, ছবি : বোল্ডস্কাই, এনটিভি

সুইট চিলি সস

সুইট চিলি সস
উপকরণ:
  • শুকনা মরিচ ১০০ গ্রাম
  • সিরকা ৪ কাপ
  • চিনি ১ কাপ
  • লবণ ১ চা চামচ
  • বিটলবণ আধা চা চামচ
  • রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
  • কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ
  • সোডিয়াম বেনজয়েট আধা চা চামচ
  • টেস্টিং সল্ট আধা চা চামচ।
প্রনালী :
১. মরিচ বোঁটা ফেলে কাপড়ে মুছে ১ কাপ সিরকায় ভিজিয়ে
রাখুন ১ ঘণ্টা।
২. মরিচ আধাবাটা করে আরো ১ কাপ সিরকা দিয়ে চালনিতে
চেলে শুধু বিচি আর খোসা নিন।
৩. সসপ্যানে কর্নফ্লাওয়ার আর সোডিয়াম ছাড়া সব উপকরণ
দিয়ে জ্বাল দিন।
৪. ফুটে উঠলে ৩-৪ মিনিট পর সিরকায় কর্নফ্লাওয়ার গুলে সসে
দিয়ে ঘন ঘন নাড়ুন।
৫. সস ঘন হলে নামিয়ে ১ টেবিল চামচ সিরকায় সোডিয়াম গুলে
সসে ভালো করে মিশিয়ে ঠাণ্ডা করে কাচের বোতলে সংরক্ষণ করুন।

*** মেয়েদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট ****

মেয়েদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট
শপিংমলের ড্রেসিং/ট্রায়াল রুমে বোনেরা সতর্ক থাকবেন সেখানে যে আয়না থাকে সেটা আসল নাও হতে পারে, এটিও গোপনক্যামেরার মতই মারাত্মক !

প্রযুক্তির অপব্যবহারে আসল আয়নার মাঝে এখন যুক্ত হয়েছে নকল আয়না, যাকে বলা হয় দ্বিমুখী আয়না । এই আয়নায় আপনি আপনার চেহারা দেখতে পারবেন, কিন্তু ভুলেও বুঝতে পারবেন নাযে অন্যপাশ হতে কেউ আপনাকে দেখছে! অথবা আয়নার অন্য পাশে লাগানো আছে অত্যাধুনিক কোন ক্যামেরা ।

আপনার আঙ্গুল আয়নার উপর রাখুন।যদি আপনার আঙ্গুলের মাথা প্রতিবিম্ব আঙ্গুলের মাথার সাথে না লাগে (মাঝে যদি ফাঁকা থাকে) তাহলে আয়না আসল। আর যদি আঙ্গুলের মাথা প্রতিবিম্বের মাথার সাথে লেগে যায়, তার মানে আয়না নকল! এটা আসল আয়না না, একটা দ্বিমুখী আয়না ! যার অন্যপাশে থেকে আপনাকে দেখা যাবে, কিন্তু আপনি তাকে দেখতে পাবেন না। মানে অন্যপাশে থেকে কেউ আপনাকে দেখছে বা ভিডিও করছে! কারন আসলআয়নার সিলভার প্রলেপ থাকে আয়নার পিছনে, যার জন্য আপনার আঙ্গুল ও প্রতিবিম্বের মাঝে ফাঁকা থাকবে আয়নার পুরুত্বের জন্য।আর নকল আয়নার(দ্বিমুখী) সিলভার প্রলেপ থাকে আয়নার সামনে, যার জন্য আপনার আঙ্গুলের ছাপ আপনার আঙ্গুলের প্রতিবিম্বের সাথে লেগে যাবে কারন মাঝে কোনো বাধা নেই।

(পড়ার পর সবাই শেয়ার অপশনে ক্লিক করে শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন, আপনার ১ টি শেয়ারে হয়তো আরও ৫ টি আপু রক্ষা পাবে এমন ফাঁদ থেকে)

শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৫

জেনে নিন অরগানিক খাবার কেন কিনবেন?

ranna banna o beauty tips
অরগানিক খাবার
অরগানিক,কনভেনশনাল ও জিএমও খাদ্যের নাম আমরা অনেকেই শুনেছি। অরগানিক খাদ্যের প্রসঙ্গে অনেকেই ভাবেন কেন এটা ভাল বা তার ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আছে কিনা? আবার অনেকেই ভাবেন এটা স্বাস্থ্যকর নাকি অস্বাস্থ্যকর?

কনভেনশনাল বা প্রচলিত খাদ্য উৎপাদনে কৃত্রিম রাসায়নিক উপাদান যেমন- সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। মাটি এই রাসায়নিক উপাদানগুলো শোষণ করে নেয় যা কখনো দূর হয় না এবং মাটির উর্বরতা নষ্ট হয়। তাই খাদ্য স্বাদহীন হয়।

জেনেটিক্যালি মডিফাইড অরগানিজমকে জিএমও ফুড বলা হয়। অর্থাৎ জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে এবং অ্যান্টিবায়োটিক ও হরমোন প্রয়োগের মাধ্যমে যে সকল খাদ্য উৎপাদন করা হয় তাদের জিএমও খাদ্য বলা হয়।

অরগানিক ফুড উর্বর মাটিতে চাষ করা হয় যা কৃত্রিম রাসায়নিক মুক্ত। এগুলো উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিক ও হরমোন ব্যবহার করা হয়না। বিজ্ঞানীদের মতে অরগানিক ফুড অনেক বেশি পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। গবেষণায় দেখা গেছে যে জৈব খাদ্য বা অরগানিক ফুড শরীরের চর্বি কমায় এবং পেশীর গঠনে সহায়তা করে। আজ আমরা এমন কিছু জৈব খাদ্যের নাম জেনে নেব যাদেরকে আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন।

১। স্ট্রবেরি

সবচেয়ে ভাল সুপারফুড হচ্ছে স্ট্রবেরি। স্ট্রবেরি যদি অরগানিক না হয় তাহলে সম্ভাব্য স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে যায়। স্ট্রবেরির উপরের খোসায় খুব সহজেই কীটনাশক আটকে থাকতে পারে। স্ট্রবেরিকে কীটনাশক মুক্ত করার জন্য ধোয়াও কঠিন। তাই যদি অরগানিক স্ট্রবেরি না কিনা হয় তাহলে আপনার শরীরে কীটনাশক যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সুস্বাস্থ্যের নিশ্চিত করার জন্য অরগানিক স্ট্রবেরি খান।

২। শস্য

ইউএসডিএ পেস্টিসাইড প্রোগ্রামের মতে, কনভেনশনাল শস্যে ১৫ ধরণের কীটনাশক থাকে এবং কারসিনোজেন ও নিউরোটক্সিন থাকে যা বিভিন্ন প্রকার স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করে। অরগানিক শস্যদানা স্ট্রোক,হার্ট ডিজিজ ও দীর্ঘস্থায়ী অসুখের ঝুঁকি কমায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে। বেশি পরিমাণে জৈব আস্ত শস্যদানা কিনে সংরক্ষণ করুন এতে খরচ বাঁচবে।

৩। আপেল

আপেল কীটনাশক দিয়ে খুব বেশি কলুষিত হয়। আপেল সতেজ রাখার জন্য এর উপরে মোমের প্রলেপ দেয়া হয় জা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য অরগানিক আপেল খান।

৪। দুধ

যেসব ফার্মের গরুকে জিএমও ফুড খাওয়ানো হয়না এবং হরমোন বা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়না সেই গরুর দুধ পান করুন।

৫। মাংস

অরগানিক মাংস খাওয়া উচিৎ কারণ কনভেনশনাল মাংসে যে হরমোন বা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যাবহার করা হয় তা ক্যান্সার এর ঝুঁকি বাড়ায় ও অন্যান্য ক্ষতিকর স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করে।অরগানিক মাংসের দাম বেশি হতে পারে কিন্তু এর পুষ্টিগুন অনেক বেশি।

এছাড়াও আরো কিছু খাবার আছে যা অরগানিক হওয়া ভালো, যেমন-আঙ্গুর,পিচ ফল,টমাটো,শশা,আলু ও মরিচ ইত্যাদি।   

লেখক-

সাবেরা খাতুন

থাই স্বাদে গ্রিল চিংড়ি

থাই স্বাদে গ্রিল চিংড়ি
উপকরণ -

মাঝারি থেকে বড় চিংড়ি -১২-১৬ টি
রসুন বাটা - ১ চা চামচ
টম ইয়াম পেস্ট - ২ চা চামচ (সুপার মার্কেট এ কিনতে পাওয়া যায় )
লেমন গ্রাস /থাই পাতা ছেচে নেয়া -৫-৬ টুকরা (২ ইঞ্চি সাইজের )
গোল মরিচ গুঁড়ো -আধা চা চামচ
লবণ - স্বাদমত
লেবুর রস - ৪ টেবিল চামচ
সয়াসস - ২ চা চামচ
ফিস সস - ১ চা চামচ
তেল - ২ চা চামচ
শাশলিক এর কাঠি -৪ টি

প্রণালী -

    -প্রথমে চিংড়ির লেজ রেখে মাথা ও খোসা ফেলে ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে।
    (দেশী গলদা চিংড়ি হলে মাথা ও লেজ রেখে খোসা ফেলে দিয়েও করা যায়। আর সামুদ্রিক চিংড়ি হলে ,শুধু লেজ রেখে মাথা ও খোসা ফেলে দিতে হবে )
    -মাথা ও খোসা ফেলে এখন একটা বাটিতে রসুন বাটা, টম ইয়াম পেস্ট , ছেঁচা লেমন গ্রাস , গোল মরিচ গুঁড়ো , লেবুর রস ,সয়াসস ,ফিস সস ,তেল ও সামন্য লবণ একসাথে মিশিয়ে নিয়ে.এর মধ্যে চিংড়ি গুলো দিয়ে মাখিয়ে ৩০ মিনিট মেরিনেট করতে হবে।
    -৩০ মিনিট পর শাশলিক এর কাঠি তে চিংড়ি গুলো গেথে নিতে হবে। একটি কাঠিতে ৪ টি করে চিংড়ি গেথে নিতে হবে।
    -এখন একটি গ্রিল প্যান খুব ভালো করে গরম করে অল্প তেল ছড়িয়ে দিতে হবে।প্যান ভালো মত গরম হলে চুলার আঁচ একটু কমিয়ে , তারপর কাঠি তে লাগানো চিংড়ি গরম গ্রিল প্যান এ দিয়ে গ্রিল করতে হবে। এক পিঠ ৪ মিনিট এর মত গ্রিল করতে হবে। এরপর কাঠি গুলো উল্টে দিয়ে আরো ৪ মিনিট গ্রিল করে ,একটু পোড়া পোড়া হলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।
    -চাইলে চিংড়ি গ্রিল করার সময় অল্প করে টম ইয়াম পেস্ট চিংড়ির উপরে ব্রাশ করে দিতে পারেন।

টিপস

    -৭-৮ মিনিটেই চিংড়ি সুসিদ্ধ হয়ে যায়। চিংড়ি যত বেশি সময় রান্না করা হবে ,তত শক্ত হয়ে যাবে, রাবারের মত।
    -Tom yum পেস্ট হচ্ছে- একটা থাই পেস্ট ,যা খুবই ঝাল লাল মরিচ ও লেমন গ্রাস এর একটা পেস্ট। এর পরিবর্তে শুকনা লাল মরিচ বাটা ও ব্যবহার করা যাবে। লাল মরিচ এর পেস্ট ব্যবহার করলে,সাথে সামান্য চিনি ও দিতে হবে।
    -যেহেতু এখানে ফিস সস ও সয়াসস ব্যবহার করা হয়েছে ,তাই লবণ খুব এ কম দিতে হবে। কারণ ফিস সস ও সয়াসস খুবই লবনাক্ত।
    -টম ইয়াম পেস্ট কম বেশি দেয়া যাবে। যেমন ঝাল চান সেই অনুযায়ী দিলেই হবে।
    -গ্রিল প্যান ছাড়াও ,নরমাল ফ্রাই প্যান/কাঠ কয়লায়/ওভেন এও গ্রিল করা যায়।

সাধারণ সুজি দিয়েই তৈরি করুন মজাদার "মালপোয়া পিঠা”

সাধারণ সুজি দিয়েই তৈরি করুন মজাদার "মালপোয়া পিঠা”
যা প্রয়োজন
সুজি-৫০০ গ্রাম(৩ কাপ)
বেকিং পাউডার- ১/৪ চা চামচ
লবণ- সামান্য
ডিম- ২টি
তেল- ভাজার জন্যে
লিকুইড দুধ- ২ লিটার
গুঁড়া দুধ- ১ কাপ
এলাচ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
পেস্তা/বাদাম কুচি- সাজানোর জন্যে

যেভাবে করবেন

    -সুজির সাথে বেকিং পাউডার ও লবণ মিশিয়ে নিন। এরপর ডিম মিশিয়ে পরিমান মতো কুসুম গরম দুধ দিয়ে ডো করে নিন।
    -ডো করা হলে গোল গোল করে বলের মতো বানিয়ে একটু চ্যাপটা আকৃতির মালপোয়া বানিয়ে নিন।
    -মাঝারি আঁচে তেল গরম করে মালপোয়াগুলি হালকা বাদামি করে ভেজে রাখুন।
    -আলাদা সসপ্যানে লিকুইড দুধের সাথে গুঁড়া দুধ ও এলাচ গুঁড়া মিশিয়ে জ্বাল দিন। দুধ ঘন হলে ভেজে রাখা মালপোয়া মিশিয়ে ৪-৫ মিনিট জ্বাল করে আঁচ নিভিয়ে ঢাকনা দিয়ে রাখুন।
    -ঠান্ডা করে পেস্তা কুচি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন দারুন মজার সুজির মালপোয়া পিঠা।

বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৫

শীতের খুশকি দূর করার সহজ উপায়

শীতের খুশকি দূর করার সহজ উপায়
মাথার তালুর সাদা বর্ণের মৃত চামড়াকে খুশকি বলে। মাথার তালু শুষ্ক হলে অথবা সেবোরহেইক ডারমাটাইটিস এর জন্য খুশকি হয়। এছাড়াও এক্সিমা, সোরিয়াসিস বা ম্যালাসেজিয়া নামক ছত্রাকের আক্রমনেও খুশকি হতে পারে। যে কোন বয়সের মানুষেরই খুশকির সমস্যা হতে পারে, তবে টিনএজার ও প্রাপ্তবয়স্কদের বেশি হয়ে থাকে। এটা বিরক্তিকর ও অস্বস্তিকর একটি সমস্যা তবে মারাত্মক কোন সমস্যা নয়। খুশকির পরিমাণ বেশি হলে ব্রণ ও চুলকানির সমস্যা হতে পারে। খুশকি নিয়ন্ত্রণের জন্য সহজ ও কার্যকরী কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি আছে। আসুন সেই পদ্ধতি গুলো জেনে নেই।

১। ভিনেগার

খুশকি দূর করার জন্য সবচেয়ে কার্যকরী উপাদান হচ্ছে ভিনেগার যা সস্তা ও সহজ লভ্য।আপেল সিডার ভিনেগার বা সাদা ভিনেগার দুইটাই খুশকি নির্মূলের কাজে ব্যাবহার করা যায়।   

    -এক কাপের ৪ভাগের ১অংশ ভিনেগার এবং ৪ভাগের ৩অংশ পরিমাণ পানি    একসাথে মিশিয়ে চুল ধোয়ার পর ব্যাবহার করুন।
    -ভিনেগার দেয়ার পর আর চুল ধোবেন না।তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন।চুল শোকানোর সাথে সাথে ভিনেগারের গন্ধও চলে যাবে।
    -যতদিন না খুশকি দূর হচ্ছে নিয়মিত ভিনেগার ব্যবহার করুন। 

২। নিম

নিমে ছত্রাক নাশক ও ব্যাকটেরিয়া নাশক উপাদান আছে।তাই শুধু খুশকি দূর করার জন্যই না মাথার তালুর অ্যাকনি,চুলকানি এবং চুল পড়া বন্ধ করতেও নিম ব্যাবহার করা হয়।নিমকে ইন্ডিয়ান লাইলাক ও বলা হয়।

    -   চার কাপ পানিতে এক মুঠো নিম পাতা দিয়ে সিদ্ধ করুন
    -   ঠান্ডা করে মিশ্রণটি ছেকে নিন
    -   এই মিশ্রণটি চুলে ব্যবহার করুন সপ্তাহে ২-৩বার।

৩। নারিকেল তেল

ক্রাঞ্চিবেটি ডট কম এর মতে খুশকির চিকিৎসায় নারিকেল তেল প্রয়োগ কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে।

    -গোসলের আগে ৩-৫ টেবিল চামুচ নারিকেল তেল মাথার তালুতে লাগান এবং এক ঘন্টা রাখুন
    -তারপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

৪। মাউথওয়াশ

খুশকির সমস্যা দূর করার জন্য মাউথ ওয়াশ ব্যাবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। খুশকির সমস্যা অনেক বেশি হলে চুল ধোয়ার পর মাথার তালুতে মাউথ ওয়াশ লাগান। এভাবে ৫-১০মিনিট রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন।চোখে যেন না লাগে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। সপ্তাহে একবার এটা করতে পারেন।

৫। লেবু

খুশকি দূর করতে লেবু চমৎকার কাজ করে। গোসলের আগে মাথার তালুতে ভালো ভাবে লেবু ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। লেবু খুশকি দূর করার পাশাপাশি চুলের আঠালো ভাব দূর করে এবং উজ্জ্বলতা দান করে। 

নিয়মিত চুল আঁচড়ান, এতে মাথার তালুর রক্ত চলাচল বাড়বে এবং তেল এর নিঃসরণ বাড়বে। স্ট্রেস এর কারনে খুশকি বাড়তে পারে।তাই স্ট্রেস মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।স্বাস্থ্যকর খাবার খান।অস্বাস্থ্যকর খাবার যেমন- ফাস্ট ফুড ও চিনি সমৃদ্ধ খাবার কম খান।ভিটামিন বি৬ ও জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খান,কারণ এগুলো চুল ও তালুর ত্বক ভালো রাখে।পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
লিখেছেন-

সাবেরা খাতুন


দারুণ সুস্বাদু ভারতীয় খাবার পনির টিক্কা মাসালা।

ranna banna o beauty tips
দারুণ সুস্বাদু ভারতীয় খাবার পনির টিক্কা মাসালা।
পনির দিয়ে করা রান্নাগুলোয় অন্যরকম এক মজা পাওয়া যায়। মাংস রান্নার ঝক্কি কম, আবার ভেজিটেরিয়ানদের জন্যেও পোয়াবারো। নভেম্বরের এই হালকা হালকা শীতের আমেজে একটু ঝাল আর একটু স্মোকি ফ্লেভারের স্বাদ নিতে তৈরি করে ফেলতে পারেন পনির টিক্কা মাসালা। বাড়িতেই পাবেন একদম রেস্টুরেন্টের মতো চমক।
উপকরণ:

টিক্কার জন্য

    -   ২৫০ গ্রাম পনির, দুই ইঞ্চি লম্বা করে ও ২ সেন্টিমিটার পুরু করে টুকরো করা
    -   এক কাপ পিঁয়াজ ও ক্যাপসিকাম চৌকো করে কাটা
    -   দুই টেবিল চামচ বেসন
    -   সিকি কাপ টক দই
    -   লবণ স্বাদমতো
    -   আধা চা চামচ চাট মশলা
    -   এক চা চামচ লেবুর রস
    -   দেড় চা চামচ গরম মশলা
    -   দেড় চা চামচ আদা কুচি
    -   দেড় চা চামচ রসুন কুচি
    -   দেড় চা চামচ জিরা গুঁড়ো
    -   দুই চা চামচ কাশ্মিরি মরিচ গুঁড়ো
    -   আধা চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো
    -   চার টেবিল চামচ তেল

মশলার জন্য

    -   ৫টা টমেটো সেদ্ধ করে পেস্ট করা
    -   ৩টা পিঁয়াজ হালকা সাঁতলে পেস্ট করা
    -   ৫ টেবিল চামচ তেল
    -   আধা কাপ ধনেপাতা কুচি
    -   তিনটা কাঁচামরিচ মাঝখান থেকে ফাঁড়া
    -   লবণ স্বাদমতো
    -   এক চা চামচ লেবুর রস
    -   এক চা চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার (এক টেবিল চামচ পানিতে গুলে নেওয়া)
    -   চারটা এলাচ, থেঁতো করা
    -   এক চা চামচ ধনে গুঁড়ো
    -   সিকি চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো
    -   দেড় চা চামচ কাশ্মিরি মরিচ গুঁড়ো
    -   আধা চা চামচ করে আদা ও রসুন বাটা
    -   এক চা চামচ ফ্রেশ ক্রিম
    -   লাল ফুড কালার (ইচ্ছে হলে দিতে পারেন)
    -   সিকি চা চামচ চিনি (ইচ্ছে হলে দিতে পারেন)

অন্যান্য

    -   দুই কাপ কয়লা
    -   কাঠের শিক ৫টা, আধা ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখা (শাসলিকের কাঠি বা লম্বা টুথপিক ব্যবহার করতে পারেন)

প্রণালী:

১) একটি বোলে মিশিয়ে নিন টিক্কার জন্য সব শুকনো মশলা এবং বেসন। এতে অল্প অল্প করে টক দই মিশিয়ে নিন যাতে ঘন একটা পেস্ট হয়।

২) এতে মিশিয়ে নিন আদা, রসুন, লেবুর রস। একটা কড়াইতে দিন দুই টেবিল চামচ তেল। তেলটা থেকে ধোঁয়া ওঠা শুরু করলে চুলা নিভিয়ে দিন। এই স্মোকি গন্ধওয়ালা তেলটা ম্যারিনেটে মিশিয়ে নিন।

৩) ম্যারিনেটে দিয়ে দিন পিঁয়াজ, ক্যাপসিকাম এবং পনির। হাত দিয়ে ভালো করে ম্যারিনেট মাখিয়ে নিন সবকিছুতে। এরপর এর ওপরে প্লাস্টিক র‍্যাপার/ক্লিং ফিল্ম দিয়ে ঢেকে ফ্রিজে রেখে দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট।

৪) স্টিলের গ্যাস তন্দুর/বটি মেকার (ভিডিওতে দেখুন) এর ভেতরে কয়লা নিন। এর ওপরে গ্রিল র‍্যাক দিয়ে গরম করে নিন ১৫ মিনিট।

৫) ম্যারিনেট হওয়া পনির, পিঁয়াজ এবং ক্যাপসিকাম কাঠের শিকে লাগিয়ে এগুলোকে গ্রিল র‍্যাকের ওপরে রাখুন। ঢাকনা দিয়ে ২-৩ মিনিট গ্রিল হতে দিন।

৬) ম্যারিনেট যেটুকু বাকি থাকবে, তাতে ২ টেবিল চামচ তেল মিশিয়ে এগুলোকে পনিরের ওপরে একটু ব্রাশ করে দিতে পারেন। এরপর আরও ৩-৪ মিনিট গ্রিল করুন।

৭) এগুলোকে উল্টে দিতে পারেন সাবধানে। এরপর ঢাকনা খুলে রেখে আরও ২-৩ মিনিট রান্না করুন। এরপর এগুলোকে বের করে শিক থেকে খুলে প্লেটে রেখে দিন।

৮) এবার গ্রেভি তৈরি করার পালা। কড়াইতে তেল দিয়ে দিন। গরম হয়ে গেলে এতে এলাচ দিন। এরপর আদা-রসুন বাটা দিয়ে মশলাটা কষে নিন। এতে পিঁয়াজ বাটা দিয়ে ২-৩ মিনিট রান্না করে নিন। স্বাদমতো লবণ দিয়ে নিন এবং টমেটো পেস্ট যোগ করুন।

৯) তেল ওপরে ওঠা পর্যন্ত রান্না করুন। এরপর কাশ্মিরি মরিচের গুঁড়ো, গোলমরিচ গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো দিয়ে মিশিয়ে নিন। মিনিট দুয়েক রান্না হতে দিন।

১০) এরপর দিতে পারেন ফুড কালারটুকু। ম্যারিনেটের মশলা বাদ থাকলে সেটুকুই দিয়ে দিন। চিনিটুকুও দিতে পারেন। এরপর ভালো করে মিশিয়ে কর্ন ফ্লাওয়ারের অর্ধেকটা দিয়ে মিশিয়ে নিন। এতে মিশ্রণটি মসৃণ হয়ে আসবে। আরও সুন্দর গ্রেভি চাইলে পুরো কর্ন ফ্লাওয়ারটা দিতে পারেন। এটাকে ভালো করে নেড়ে আরও কিছুক্ষণ রান্না হতে দিন।

১১) এক চা চামচ ফ্রেশ ক্রিম, ধনেপাতা কুচি, কাঁচামরিচ এবং লেবুর রস দিয়ে নেড়ে নিন। এতে টিক্কাগুলো দিয়ে দিন এবং আলতো হাতে নাড়ুন। বেশি ঘন গ্রেভি হয়ে থাকলে সিকি কাপ পানি দিন। ঢাকনা দিয়ে দুই মিনিট রান্না করুন। ব্যাস, কাজ শেষ!

পনির টিক্কা মাসালা পরিবেশন করতে পারেন ভাত, রুটি, নান, পরোটার সাথে যে কোনো সময়ে।

পিজ্জা তৈরি করুন আটা দিয়েই!

পিজ্জা তৈরি করুন আটা দিয়েই!
বিভিন্ন রকমের পিজ্জা খেতে যেমন মজা, তেমনি এটা তৈরি করারও রয়েছে বিভিন্ন পদ্ধতি। পিজ্জার ওপরে টপিংগুলো যেমন পরিবর্তন করা যায়, তেমনি পিজ্জার বেসটাও কিন্তু আপনি ইচ্ছে করলে ময়দার বদলে আটা দিয়েই তৈরি করতে পারবেন। যারা স্বাস্থ্যগত কারণে ময়দার বদলে আটা খেতে পছন্দ করেন, তারা সহজেই তৈরি করে ফেলতে পারবেন এই আটার পিজ্জা।
 
উপকরণ:

    -   এক কাপ আটা
    -   আধা কাপ কুসুম গরম পানি
    -   তিন টেবিল চামচ অলিভ অয়েল
    -   এক টেবিল চামচ পিজ্জার মশলা
    -   আধা চা চামচ চিনি
    -   লবণ স্বাদমতো
    -   আধা টেবিল চামচ ইস্ট
    -   সিকি কাপ পিঁয়াজ কুচি
    -   সিকি কাপ ক্যাপসিকাম কুচি
    -   সিকি কাপ ভুট্টাদানা (পানিতে আধাসেদ্ধ করা)
    -   ৩ টেবিল চামচ পিজ্জা সস
    -   আধা কাপ পনির

প্রণালী:

১) একটা বাটিতে হালকা গরম পানিতে চিনি এবং ইস্ট মিশিয়ে নিন। ১০ মিনিটের জন্য রেখে দিন।

২) আটা, লবণ এবং মশলা একসাথে মিশিয়ে নিন। এর সাথে ইস্টের মিশ্রণটি দিয়ে ভালো করে খামির করে নিন। আঠালো একটি মিশ্রণ হবে। দরকার হলে আরও কিছুটা কুসুম গরম পানি দিতে পারেন। একটি বোলে তেল মাখিয়ে তাতে রেখে দিন এই খামির এবং এবং একটা ভেজা কাপড় দিয়ে ঢেকে উষ্ণ কোনো জায়গায় রেখে দিন ঘণ্টাখানেক। ফ্রিজে রাখবেন না অবশ্যই।

৩) এক ঘন্টা পর একটা প্রেশার কুকারে দুই কাপ লবণ দিয়ে এর ওপরে একটা র্যাক এবং পারফোরেটেদ প্লেট রাখুন। কুকার মাঝারি আঁচে গরম হতে দিন। গ্যাস তন্দুরেও তৈরি করতে পারেন। অথবা ওভেন ১০ মিনিট প্রি-হিট করে নিতে পারেন ২৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

৪) হাতে আটা মেখে নিয়ে এক মিনিট ধরে খামিরটাকে মাখান। এরপর এটাকে ইচ্ছেমত পুরুত্বে বেলে নিন। এটাকে বসিয়ে নিন একটা পিজ্জা প্যানে।

৫)  পিজ্জা প্যানটাকে প্রেশার কুকারের ভেতরে দিয়ে বেক করে নিন ২ মিনিট। ভালোভাবে হয়েছে কিনা দেখে নিন। কারণ ভেতরে কাঁচা কাঁচা গন্ধ থেকে যেতে পারে।

৬) এটাকে বের করে নিয়ে ওপরে ছড়িয়ে দিন সস, পনির, পিঁয়াজ, ক্যাপসিকাম, ভুট্টা এবং লবণ। পাশে দিয়ে তেল মাখিয়ে নিন। এটাকে আবারো প্রেশার কুকার/তন্দুর/ওভেনে দিয়ে ১০ মিনিট বেক করুন। 

তৈরি হয়ে গেলো পিজ্জা। ওপরে মশলা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন গরম গরম।

বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৫

পুদিনা পাতা কেন খাবেন???

পুদিনা পাতা কেন খাবেন???
পুদিনা পাতা প্রাচীনকাল থেকেই বেশ জনপ্রিয় ওষুধ হিসেবে পরিচিত। বহু রোগের আরোগ্যে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। পুদিনা পাতা এক ধরনের সুগন্ধি গাছ। এই গাছের পাতা তরি-তরকারির সঙ্গে সুগন্ধি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বিশ্বের অনেক দেশেই পুদিনার গাছ জন্মে। এর পাতা সুগন্ধি হিসেবে রান্নায় ব্যবহার করা হয়। অন্যান্য স্থানীয় নাম— Mint, nana। এর বৈজ্ঞানিক নাম Mentha Spicata। এটি Lamiaceae পরিবারের অন্তর্গত।

পেটের পীড়ায় : এটি ইরেটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (আইবিএস) এবং দীর্ঘস্থায়ী বদহজমের বিরুদ্ধে খুবই কার্যকর। এছাড়াও পুদিনা কোলনের পেশি সঙ্কোচন নিয়ন্ত্রণ করে।

অ্যাজমা : পুদিনায় রোজমেরিক এসিড নামের এক ধরনের উপাদান থাকে। এটি প্রাকপ্রদাহী পদার্থ তৈরিতে বাধা দেয়। ফলে অ্যাজমা হয় না। এছাড়াও এ ঔষধি প্রোস্টসাইক্লিন তৈরিতে বাধা দেয়। তাতে শাসনালী পরিষ্কার থাকে।

এন্টিক্যান্সার : পুদিনায় আছে মনোটারপিন নামক উপাদান। যা স্তন, লিভার এবং প্যানক্রিয়াসের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। নিয়মিত খেলে ফুসফুস, কোলন এবং ত্বকের ক্যান্সার থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

পুদিনার ভেষজগুণ

পুদিনা খুবই উপকারী একটি উদ্ভিদ। আমাদের শরীরের নানা রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। মুখের স্বাদ বাড়াতেও এটি খুব কার্যকর। আরও যেসব ক্ষেত্রে পুদিনার পাতা ব্যবহার করা যায়, তা হলো :

১. পুদিনার তাজা পাতা পিষে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর যদি তা ধুয়ে ফেলা যায়, তাহলে মুখের তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে যায়। ব্রণ ওঠাও বন্ধ হয়।
২. পুদিনার পাতা পিষে রস করে তার ভেতর দু’তিন ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে তা পান করলে ক্লান্তিভাবও দূর হয়।
৩. কোনো কারণে কোনো ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে পড়লে তার নাকের কাছে কিছু তাজা পুদিনা পাতা ধরুন। দেখবেন, লোকটি জ্ঞান ফিরে পেয়েছে।
৪. পুদিনার পাতা ভালো করে পিষে তার রস ভালো করে মাথায় ব্যবহার করুন। যাদের চুলে উকুন আছে তারা খুব উপকার পাবেন।
৫. শরীরের ব্যথা দূর করতে পুদিনা পাতার চা খুব কাজে দেয়।
৬. মাথা ও পেট ব্যথা নিরাময়েও পুদিনার পাতা খুব উপকারী।
৭. যাদের মাঝে মধ্যে হেঁচকি ওঠে, তারা পুদিনা পাতার সঙ্গে গোল মরিচ পিষে তা ছেঁকে নিয়ে রসটুকু পান করুন। দেখবেন হেঁচকি বন্ধ হয়ে গেছে।

তাহলে এবার থাকে বেশি করে “পুদিনা পাতা” ব্যবহার করুন আর নিজে ঠিক থাকুন।

ভেজিটেবল স্প্রিং রোল ও অনিয়ন রিং

ভেজিটেবল স্প্রিং রোল ও অনিয়ন রিং
ভেজিটেবল স্প্রিং রোল যা লাগবে

  • পেঁপে কুঁচি
  • গাজর কুঁচি
  • পেয়াজ কলি কুঁচি
  • সয়া সস ২ চা চামুচ
  • আদা ,রসুন কুঁচি ১ চা চামচ
  • তেল ভাজার জন্য
প্রেস্ট্রি সিট( রেডি মেড কেনা ) যদি না পান তাহলে ময়দা,ডিম,লবন আর পানি গুলে অনেক পাতলা করে রুটি বানিয়ে নিয়ে করতে পারেন। প্রথমে প্যান এ অল্প তেল দিয়ে তাতে সবজি এর সাথে সয়া সস দিয়ে বেশি আঁচে রান্না করে নিন। বেশি রান্না করার প্রয়োজন নেই। রান্না হলে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন। এবার প্রেস্ট্রি সিট এ সবজির পুর ভরে গরম ডুবো তেলে ভেজে নিন ।

অনিয়ন রিং বানাতে যা লাগবে

  • হাফ কাপ ময়দা
  • ১ চা চামচ বেকিং পাউডার
  • পাপরিকা পাউডার / ( আপনি চাইলে লাল মরিচ গুড়া দিতে পারেন )
  • লবন স্বাদমত
  • গোল মরিচ গুড়া খানিকটা
  • ১ টা বড় পেয়াজ রিং মত গোল করে কেটে রিং গুলোকে আলাদা করে নিতে হবে।
পানি পেয়াজ এর রিং গুলো ছাড়া সব উপকরণ পানি দিয়ে মসৃন করে মিশিয়ে নিন। এটা বেশি ঘন হবে না আবার পাতলাও হবে না. এবার এই মিশ্রন টা তে পেয়াজ এর রিং গুলো কাটা চামচ এর সাহায্যে ডুবিয়ে ডুবো তেলে লাল করে ভেজে তুলুন। গরম গরম পরিবেশন করুন ।

সহজে ঘরে বসে তৈরি করুন সুস্বাদু ভ্যানিলা কেক

সহজে ঘরে বসে তৈরি করুন সুস্বাদু ভ্যানিলা কেক
স্পঞ্জ এর উপকরণ:

ডিম ৩ টা,
আইসিং সুগার ১ কাপ,
ভ্যানিলা এসেন্স ১ চা চামচ,
ময়দা ১ কাপ
বেকিং পাউডার ১ চা চামচ।

স্পঞ্জ প্রস্তুত প্রণালি:

ময়দা, বেকিং পাউডার একসঙ্গে চেলে নিতে হবে।
বোলে ডিমের সাদা অংশ খুব করে বিট করে ফোম তুলে (ডিম এমন ভাবে বিট করতে হবে যেন বোল উল্টালে ফোম না পরে) চিনি দিয়ে ডিমের হলুদ অংশ দিয়ে আবার বিট করে নিতে হবে।
এতে হালকা হাতে ময়দার মিশ্রণ মিলিয়ে নিতে হবে। পরে এসেন্স মিলিয়ে বেকিং ডিশে ঢেলে প্রিহিটেড ওভেনে বেক করতে হবে মাঝারি আঁচে ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট।
অথবা মাইক্রো ওভেন এ ৪-৫ মিনিট বেক করতে হবে। কেক হয়ে গেলে সুতা দিয়ে কেটে ৩ লেয়ার করে ঠাণ্ডা করতে হবে।

ক্রিম এর উপকরণ:

মাখন ৪০০ গ্রাম,
আইস সুগার ২০০ গ্রাম (চেলে নিতে হবে).
আইসকিউব ৪-৫টা। (বরফ কুচি করে নিতে হবে)
ভ্যানিল এসেন্স ১ চা চামচ।
স্প্রাইট ১/৩ বোতল ( 200 ml)

ক্রিম প্রস্তুত প্রণালি:

৫ মিনিট বিট করে ৫ মিনিট বিটার বন্ধ রাখতে হবে। সবশেষে এসেন্স দিয়ে বিট করতে হবে।
এখন (প্রয়োজনমতো রং মিলিয়ে) আইসিং তৈরি করতে হবে।
এরপর কেক এর উপর স্প্রাইট ব্রাশ করে ক্রিমের স্তর দিয়ে ওপরে অন্য টুকরা রাখুন।
এবার সাদা ক্রিম দিয়ে কেকটা ঢেকে দিন।
পছন্দ মত সাজান।

মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৫

টমেটোর চাটনী

টমেটোর চাটনী
উপকরণ কি কি লাগবেঃ

টমেটো – ৫ টা (মাঝারী সাইজের)
পেয়াঁজ কুচি – ১ টেবিল চামচ (যত কুচি করা যায় ভাল লাগবে দেখতে-খেতে)
শুকনা মরিচ – ৩ টা (ভেঙ্গে বা চটকে নিতে হবে)
ধনেপাতা কুচি – ১ চা চামচ (চাইলে আরো বেশি দিতে পারেন, যেমন আপনার পছন্দ)
লবণ পরিমাণমতো
সরিষার তেল – আধা চা চামচ (স্বাদ বাড়িয়ে দিবে নিঃসন্দেহে)

কিভাবে করবেনঃ
ধোয়া টমেটোগুলো প্রথমে টেলে (ভেজে) নিন গরম-শুকনো তাওয়া’র উপর দিয়ে, খেয়াল রাখবেন তাওয়া যেন খুব গরম হয়ে না ওঠে। টালা টমেটোর খোসা ছাড়িয়ে টমেটোগুলো চটকে নিন। একটি বাটিতে পেয়াঁজ কুচি , শুকনা মরিচ , ধনেপাতা কুচি ও লবণ ভাল করে মেখে রাখুন। এবার বাটিতে মাখানো উপকরণেগুলোর সাথে চটকানো টমেটো মেশান, সরিষার তেল দিয়ে আরেকটু মেখে নিন, ভাল করে মিশে যাবে।

হয়ে গেলো টমেটোর চাটনী।

মিনি স্যান্ডউইচ

মিনি স্যান্ডউইচ
উপকরণ: স্যান্ডউইচ ব্রেড প্রয়োজনমতো, শসা ও গাজর কুচি করা প্রয়োজনমতো। স্যান্ডউইচ ফিলারের জন্য: ব্রয়লার মুরগির বুকের মাংস ২ টুকরা। পেঁয়াজ মোটা কুচি ১টা, আদা কুচি আধা চা-চামচ, লবণ সিকি চা-চামচ, পানি ১ কাপ।

প্রণালী: ওপরের সব উপকরণ দিয়ে মাংস সেদ্ধ করে নিন। মাংস হাড় থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে লম্বা কুচি করুন। মাংসকুচিতে মেয়োনেজ (স্বাদমতো) ও কাঁচা মরিচ (বিচি ফেলে দেওয়া) দিয়ে মেখে রাখুন। কুচি করা গাজর ও শসায় মেয়োনেজ মেখে নিন।
রুটিতে ১ স্তর মাংস, ১ স্তর গাজর ও শসা দিয়ে স্যান্ডউইচ বানিয়ে তিন কোনা করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

রেশমি জিলাপি

রেশমি জিলাপি
উপকরণ: ময়দা ২ কাপ, খাওয়ার সোডা সিকি চা চামচ, মাষকলাই ডাল ২৫০ গ্রাম, চালের গুঁড়া সিকি কাপ , চিনি ৩ কাপ, পানি দেড় কাপ( প্রয়োজনে কম বা বেশি) , গোলাপজল ১ টেবিল-চামচ, ঘি বা তেল (ভাজার জন্য) পরিমাণমতো।

প্রণালি: ডাল ৪-৫ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে, যেন খোসা না থাকে। ডাল মিহি করে বেটে নিতে হবে। চালের গুঁড়া ও ময়দা পানি দিয়ে ঘন করে গুলে ডালের সঙ্গে মিশিয়ে ৫-৬ ঘণ্টা ঢেকে রাখতে হবে। মিশ্রণকে ভালোভাবে ফেটিয়ে চিকন ফানেলে ভরে বা একটি মোটা কাপড় ছিদ্র করে বড় ফ্রাইপ্যানে ঘি ও তেল গরম করে আড়াই প্যাঁচে দিয়ে জিলাপি মাঝারি আঁচে মচমচে করে ভেজে সিরায় দিতে হবে।
জিলাপি টসটসে হলে ঝাঁজরিতে করে উঠিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

চুলের যত্নে মেহেদী

চুলের যত্নে মেহেদী
বহুকাল পেরিয়ে গিয়েছে, কিন্তু এখনো মেহেদী পাতার কদর কমেনি একটুও। এখনো সৌন্দর্য সচেতন নারীরা নিজের চুল গুলোকে সুন্দর ও ঝলমলে রাখার জন্য ব্যবহার করেন মেহেদী পাতা। জেনে নিন চুলের যত্নে মেহেদী পাতার কিছু ব্যবহার সম্পর্কে।

চুল পড়া কমাতে

অনেকেই চুল পড়া সমস্যায় ভুগছেন। যাদের চুল পড়ে যাচ্ছে তারা চুল পড়া কমানোর জন্য মেহেদী ব্যবহার করতে পারেন। মাসে দুই বার মেহেদী বাটা পুরো চুলে লাগিয়ে ঘন্টাখানেক রেখে ধুয়ে ফেলুন। মেহেদীর সাথে আমলকীর গুড়া বা আমলকী বাঁটা মিশিয়ে নিলে আরো বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

কন্ডিশনার হিসেবে

কন্ডিশনার হিসেবে মেহেদীর জুড়ি নেই। দুই সপ্তাহ পরপর মেহেদী বাটার সাথে ডিমের সাদা অংশ ও কলা মিশিয়ে নিন। এরপর মিশণটি পুরো চুলে ভালো করে মেখে নিন। মাথায় শাওয়ার ক্যাপ পরে নিন। এভাবে একঘন্টা রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন। নিয়ম মেনে দুই সপ্তাহ পরপর ব্যবহার করলে চুলের ভঙ্গুর ভাব দূর হবে এবং চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।

চুল রাঙাতে

যাদের চুল পেকে গিয়েছে অথবা একটু একটু পাকা শুরু করেছে তারা বেশ দুশ্চিন্তায় থাকেন সাদা চুলগুলো নিয়ে। কিভাবে সাদা চুল ঢাকবেন তা নিয়ে চিন্তার শেষ থাকে না। চুলের রং ব্যবহারেরও আছে নানান পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। তাই চুলের রঙও ব্যবহার করতে ইচ্ছে করে না। যারা এমন সমস্যায় আছেন তারা চুল রাঙাতে ব্যবহার করতে পারেন মেহেদী। মেহেদী পাতা বেঁটে চায়ের ঘন লিকার অথবা কফির লিকার মিশিয়ে নিন। এতে রং ভালো হবে।

খুশকির থেকে মুক্তি পেতে

খুশকির সমস্যা থেকে রেহাই পেতেও মেহেদীর জুড়ি নেই। যারা খুশকি সমস্যাতে আছেন তারা খুব সহজেই মেহেদী পাতা ব্যবহার করে খুশকির থেকে রেহাই পেতে পারবেন। মেহেদী বাঁটার সাথে লেবুর রস মিশিয়ে পুরো মাথায় মেখে রাখুন এক ঘন্টা। এরপর চুল ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। মাসে দুইবার ব্যবহার করলে খুশকি থাকবে না।

আমাদের টিপস গুলো অবহেলা করবেন না। লাইক দিয়ে সব সময় এক্টিভ থাকুন।
আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য।

ডিম চপ

ডিম চপ
উপকরণ : সেদ্ধ ডিম ৪টি, সেদ্ধ আলু ৩ কাপ, কাচা ডিম ২টি, টোস্ট গুঁড়া ১কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, আদা কুচি ১ চা চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ১ টেবিল চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, টেস্টিং সল্ট আধা চা চামচ, সাধারণ লবণ পরিমাণ মতো, তেল পরিমাণ মতো।
যেভাবে তৈরি করবেন : প্রথমে কড়াইয়ে তেল গরম করে নিন। গরম তেলে পেঁয়াজ কুচি, আদা বাদামি রং করে ভেজে কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ চুলায় রেখে নামিয়ে নিন। তেল ঝরিয়ে সেদ্ধ আলুগুলো পেঁয়াজের সঙ্গে মেখে নিন। এরপর আলুর সঙ্গে গোলমরিচ ও জিরা গুঁড়া মাখিয়ে আটটি ভাগ করে নিন। দ্বিতীয় পর্বে ৪টি সেদ্ধ ডিম লম্বা করে দুই ভাগে কেটে আটটি ভাগ করে নিন। অর্ধেক করে কাটা ডিমের পিস আলুর মধ্যে ভরে চপের মতো আকার করুন। এবার অন্য একটি পাত্রে কাচা ডিম দটি ফেটিয়ে চপগুলো ডিমে ডুবিয়ে টোস্টের গুঁড়া মেঘে ডুবো তেলে ছেড়ে দিন। ভাজা হয়ে গেলে তুলে ফেলুন। হয়ে গেলো ডিম চপ। এবার টমেটো সস বা তেঁতুলের চাটনি দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

টক ঝাল মিষ্টিতে ভরপুর আপেলের চাটনি

টক ঝাল মিষ্টিতে ভরপুর আপেলের চাটনি
যা লাগবে
আপেল চাক করে কাটা ৮০০ গ্রাম
আস্ত সরিষা ২ চা চামচ
শুকনা মরিচ ফাঁকি ২ চা চামচ
হলুদ গুঁড়ো ১/৪ চা চামচ
লেবুর রস ১/৪ কাপ
চিনি ১/৪ কাপ
সরিষার তেল ৩ টেবল চামচ
লবণ ১ চিমটি

 



প্রণালি

-প্রথমে হাড়িতে তেল দিয়ে তেল গরম হলে আস্ত সরিষা দিন ।
-ফুটে উঠলেই এতে হলুদ গুঁড়া আর চাক করে কাটা আপেল দিয়ে নাড়াচাড়া করুন ১ মিনিট।
-এখন এতে বাকি সব উপকরণ আর হাফ কাপ পানি দিয়ে রান্না করুন ১০ মিনিট।
-ঝোল টা যখন ঘন হয়ে আসবে আর আপেল্গুলু সিদ্ধ হয়ে নরম হয়ে গেলেই বুঝবেন হয়ে গেছে ।
-নামিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন। এবার কাঁচের বয়মে ভরে নিন। ফ্রিজে রেখে দেড় থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে পারেন এই চাটনি !
-ডাল ভাত,পোলাও কিনবা পরোটার সাথে দারুন জমে এই চাটনি !

গরুর মাংসের সুস্বাদু কালো ভুনা

গরুর মাংসের সুস্বাদু কালো ভুনা
এক কেজি মাংস রান্না করতে প্রয়োজন হবে ১ কাপ তেল, পিঁয়াজ কুচি মোটা করে ১ কাপ, হলুদ ১ চা চামচ, মরিচের গুঁড়ো, আদা বাটা, রসুন বাটা, জিরা বাটা ১ টেবিল চামচ করে। সাথে ৩/৪টা এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, গোলমরিচ, তেজপাতা আর সবশেষে লবণ পরিমাণমতো।

প্রথমেই মাংস মাঝারি আকার করে কেটে নিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর একটা চালুনিতে নিয়ে মাংস থেকে পানি ঝরান। এবার একটা পাত্রে সব মসলা ও মাংস মিশিয়ে ভালোমতো কষান।

ভালোভাবে কষানোর পর মাংসের ওপর তেল উঠে আসবে। এরপর আবার ২/৩ কাপ পানি ঢেলে দিন। এতে মাংস সেদ্ধ হতে সহজ হবে। সবার শেষে আরেকটি পাত্রে অল্প করে তেল ঢেলে নিয়ে অল্প আঁচে মাংস কালো করে ভেজে নিন। কালো কালো হয়ে যাওয়ার পর চুলা থেকে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

চিংড়ির কাবাব

চিংড়ির কাবাব
উপকরণ : চিংড়ির কিমা এক কাপ, কাঁচামরিচ কুচি ১ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, সিদ্ধ আলু পরিমাণমতো, কর্নফ্লাওয়ার পরিমাণমতো, ডিম ২টি, ব্রেডক্রাম পরিমাণমতো, টমেটো সস পরিমাণমতো, লবণ স্বাদমতো।
প্রস্তুত প্রণালি : ডিম, ব্রেডক্রাম ও তেল বাদে সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার পছন্দমতো আকারে গড়ে ডিমে ডুবিয়ে ব্রেডক্রাম মেখে ডুবো তেলে বাদামি করে ভাজতে হবে।

চিকেন নাগেট

চিকেন নাগেট
উপকরণঃ
মুরগির মাংসের কিমা-৫০০গ্রাম
পেঁয়াজ (কেটে নেয়া) – ১টি
ডিম-১টি
পাউরুটির স্লাইস- ৬টি
ব্রেডক্রাম্ব- ১কাপ
ময়দা- ১কাপ
পানি- ১/২ কাপ
রসুনবাটা- ১চা চামচ
লবণ- ১চা চামচ
গোলমরিচ গুঁড়ো- ১/৪ চা চামচ
তেল- ভাজার জন্য
পদ্ধতিঃ
মুরগির মাংসের কিমা, পাউরুটির স্লাইস, রসুন, গোলমরিচ গুঁড়ো, লবণ ও পেঁয়াজ একসাথে নিয়ে একটি ফুড প্রসেসরে মিক্স করে নিন। এই মিশ্রণটি একটি বাটিতে নিন এবং ১ টেবিল চামচ করে মিশ্রণ নিয়ে নাগেটের আকৃতি দিন। আরেকটি পাত্রে ডিম ফেটিয়ে নিন এবং পানি মেশান। এবার অপর একটি পাত্রে ব্রেড ক্রাম্ব নিন। এখন নাগেট গুলো এক এক করে নিয়ে পর্যায়ক্রমে ময়দা, ডিম এবং ব্রেডক্রাম্ব মেখে নিন। কয়েকটি করে নাগেট নিয়ে ৫-৬ মিনিট ডুবো তেলে ভাজুন, সোনালি-বাদামি রঙ না আসা পর্যন্ত। টমেটো সসের সাথে উপভোগ করুন মজাদার চিকেন নাগেট।

স্বাস্থ্যকর খাবার এগ টমেটো স্যুপ তৈরি করুন খুব সহজেই!

স্বাস্থ্যকর খাবার এগ টমেটো স্যুপ তৈরি করুন খুব সহজেই!
বিকেল বেলা হালকা ক্ষুধা লাগে। আর এই সময়টাতে কি খাবেন আর কি খাবেন না সেটা নিয়ে অনেকেই বেশ দ্বিধায় ভোগেন। বিকেলের নাস্তায় স্বাস্থ্যকর কিছু খেতে চাইলে এগ টমেটো স্যুপ তৈরি করতে পারেন।

খুব সামান্য তেলে রাঁধা যায় এবং ডিমের কুসুম ও কর্ণফ্লাওয়ার ব্যবহার করা হয়না বলে যারা ডায়েট করছেন তাদের জন্যও এটা হতে পারে আদর্শ খাবার। জেনে নিন এগ টমেটো স্যুপের সহজ রেসিপিটি।

উপকরণঃ

টমেটো বড় ৩ টি
ভিনেগার ২ চা চামচ
পেঁয়াজ কুচি ১ টি
সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ
তেল ১ টেবিল চামচ
ডিমের সাদা অংশ ৩ টি
চিকেন স্টক ৫ কাপ
চিনি ১/২ চা চামচ
লবণ পরিমাণমত
সয়াসস ১ টেবিল চামচ
ধনেপাতা কুচি
প্রস্তুত প্রণালি –

ফুটানো পানিতে টমেটো দিয়ে দিন। পাতলা খোসা ফেটে গেলে টমেটো তুলে খোসা ছাড়িয়ে নিন। টমেটোগুলোকে টুকরা করে নিন।
একটি পাত্রে তেল গরম করে নিন।
তেলে পেঁয়াজ ভাজুন। পেয়াজ সেদ্ধ হয়ে গেলে চিকেন স্টক, সয়াসস, ভিনেগার,গোলমরিচ এবং পরিমানমতো লবণ ও চিনি দিয়ে দিন।
ফুটে উঠার পরে মৃদু আঁচে ১০ মিনিট চুলায় রেখে দিন।
ডিমের সাদা অল্প ফেটে নিন। এরপর উপর থেকে ধীরে ধীরে স্যুপে ডিমের সাদা ঢেলে দিন। ডিম নেড়ে দিন
স্যুপে টমেটো দিয়ে ৩ মিনিট মৃদু আঁচে ফুটিয়ে নিন।
চুলা থেকে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার এগ টমেটো স্যুপ।

'বেবি ব্লুজ' বা 'প্রসব পরবর্তীকালীন বিষন্নতা'

'বেবি ব্লুজ' বা 'প্রসব পরব্ররতীকালীন বিষন্নতা'
কিছুদিন আগে এক দাওয়াতে গিয়ে 'বেবি ব্লুজ' বা 'প্রসব প্রসব পরবর্তীকালীন বিষন্নতা' নিয়ে কথা ঊঠেছিলো।
টেবিলে বসা পুরুষদের একাংশের ধারণা এটা মর্ডান মেয়ে / মায়েদের হয় যেহেতু তারা ক্যারিয়ার / শপিং / স্টাইলিং ইত্যাদিকে জীবনে অত্যাধিক প্রাধান্য দিয়ে থাকে যা আগের যুগের মায়েদের বেলায় হতনা ।
সেই রাত থেকেই মনে হচ্ছে একজন ডাক্তার ও মা হিসেবে আমার উচিত আমার বন্ধুদের কিছু জানানো যা আমি জানি;

বেবি ব্লুজ : বই অনুযায়ী ৭০% - ৮০% মায়েদেরই হয় । আমার ধারণা আরো বেশি সংখ্যায় হয়ে থাকে কিন্তু ডাক্তারের কাছে 'কেস' খুব কম আসে বলেই বইএ ডকুমেন্টেড কম আছে।

হওয়ার কারণ :
প্রেগন্যান্সির সময় প্রয়োজনীয়  হরমোন ১০০ - ১০০০ গুন (100- 10000 fold decrease) কমে যাওয়া
এবং MAO - A হরমোনের হঠাত বেড়ে যাওয়া যা ব্রেইন সেলে বিষন্নতা উতপন্নকারী হরমোন বাড়িয়ে দেয় ।

সময় : প্রসবের পর থেকে শুরু হয় এবং ২-৩ সপ্তাহ স্থায়ী হয় সাধারণত ।
দিনে কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘন্টা হতে পারে এর স্থায়ীত্বকাল ।

স্টেজ: মোটা দাগে তিন ভাগে ভাগ করা যায় ।
(লক্ষণ সমূহ হিসেব করলে ডাক্তারী হিসেব মতে মোট ৬ টা স্টেজ , কিন্তু যারা ডাক্তার নন আবার সচেতন থাকতে চান তারা তিনটা জানলেই চলবে )
ক) বেবি ব্লুজ
মন খারাপ হয় কারণ ছাড়া, শুধু শুধুই কান্না পায় ( weeping ), খুব বেশি গূরুতর কারণ ছাড়াই বিরক্তি লাগে , মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে , বাচ্চা ও বাচ্চার যত্ন নিয়ে অতিরিক্ত টেনশন হয় (বাচ্চার বাবার কোলে বাচ্চা দিতেও টেনশন হয় )
এর প্রতিকার :
শুধু মিস্টি ব্যাবহার , সহানুভূতীপূর্ণ কথা ও ব্যাবহার ( তুমি ঠিক পারবে , সবারি এরকম অসুবিধা হয় আর এটাই স্বাভাবিক ) বাচ্চা সামলাতে সহানুভূতিশীল সাহায্যই যথেস্ট '
'আমরা তো অমুক করেছি' বা 'আমরা যেন আর বাচ্চা সামলাই নাই ' টাইপ কথা বলা মানুষজনকে ১০০ x ২ = ২০০ হাত দূরে রাখা খুব দরকারী।

খ) পোস্টপারটাম ডিপ্রেশন :
বাচ্চা হবার তিন মাস পরেও যখন লক্ষণসমূহ থেকেই যায় বরং আগের সমস্ত লক্ষণ আরো প্রকট হয় , নিজের ছোট্ট বাচ্চাকে সহ্য করতে না পারা , নিজের উপরে নিজের অসন্তোস , নিজের ক্যারিয়ার + নিজের রূপ সবকিছু নিয়ে হিনমন্যতায় ভোগা, নিজের জীবনের প্রতি মায়া চলে যাওয়া
এর প্রতিকার :
কোন এমন মানুষের সাথে মনের কথা বলা যার উপরে মা পূর্ণ বিশ্বাস রাখেন , বাচ্চা সামলানোর জন্যে সাহায্যকারী যাতে মা অন্য কিছু করেও নিজেকে ভুলিয়ে রাখতে পারেন, একটু কোথাও ঘুড়ে আসা তা পাশের পার্কেও হতে পারে

গ) পোস্টপারটাম সাইকোসিস :
মা মনে করতে থাকেন শুধু তিনি মরে গেলেই মানুষ বুঝবে যে তিনি তার শিশুকে কত্ত ভালোবাসতেন , আত্মহত্যার প্রচেষ্টা এবং শিশুকে মেরে ফেলার ঘটনাও লিপিবদ্ধ আছে ।

পরিশেষে বলবো , এরকম আগেও হত ( ঘরে ছোট ভাইবোন আসার পরে মায়ের পিট্টি খাওয়া বা অতিরিক্ত কাজের চাপ নিয়ে মায়ের খিটখিটে হয়ে যাওয়া বা মা- বাবার / মা- দাদীর ঝগড়া বেড়ে যাওয়ার স্মৃতি মনে করে দেখুন ) আর এর সাথে 'MODERNISM' কোন সম্পর্ক নেই ।

' উত্তম ব্যাবহারেই উন্নত বংশের পরিচয় ' আর 'সৃস্টিকর্তাও একজন প্রসবিনীর প্রসব-পূর্ব সমস্ত পাপ মাফ করে দেন ' এগুলো তো অনেক প্রচলিত জানা কথা ।
কাজেই একটু ধৈর্য ধরে সহানুভূতীশীল ব্যাবহার করুন কারণ প্রতিটি মা-ই তার সন্তানকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসেন । তাকে মন ও শরীরে সম্পূর্ণ সুস্থ একজন মা হয়ে ওঠার সময়টুকু দিন প্লিজ

 

Copyright @ 2013 রান্না-বাণ্ণা ও বিউটি টিপস.